ঢাকা ১১:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ডেম্বেলের হ্যাটট্রিকে নরওয়েকে উড়িয়ে দিল ফ্রান্স Logo এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে: শামা ওবায়েদ Logo বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের! Logo রাজধানীতে ১৪ তলা ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২ ইউনিট Logo লেবানন থেকে ‘শর্তহীনভাবে’ ইসরায়েলের সৈন্য প্রত্যাহার করতে হবে: হিজবুল্লাহ নেতা Logo জার্মানিকে হারানোয় ইকুয়েডরে সরকারি ছুটি ঘোষণা Logo সীমান্তে হত্যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo রাজধানীতে ফ্ল্যাটে পড়ে ছিল নারী চিকিৎসকের মরদেহ Logo ‘মামলার ব্যবসা করছেন বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা’: রুমিন ফারহানা Logo দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দুধ দিয়ে গোসল করে রাজনীতি ছাড়লেন বিএনপি কর্মী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৪৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
নিজের দলের নেতা কর্তৃক শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারি হত্যাকাণ্ড এবং পূর্বে স্বজন হত্যার বিচার না পাওয়ার অভিযোগ গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের নিজ বাড়িতে দুধ দিয়ে গোসল করে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি কর্মী আব্দুল জলিল তোতা ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বোনারপাড়ায় নিজ বাড়িতে তিনি এ প্রতীকী কর্মসূচি পালন করেন। তার দাবি, বার বার স্বজন হারিয়েও বিচার না পাওয়ায় তিনি রাজনীতির প্রতি আস্থা হারিয়েছেন। তিনি আর কোন দল করবেন না ।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল জলিল তোতা ৫ আগষ্টের পথ থেকে বিএনপির প্রথমে সমর্থক পরে বিএনপির কর্মী বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতেন। তিনি ২০২৬ সালের নির্বাচনে কাজী আজহার আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা ও নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। এবং একটি নির্বাচনী বুথের দায়িত্বে ছিলেন। ‎

‎আব্দুল জলিল তোতা বলেন, ২০১৮ সালের ৫ জুলাই আমার চাচাতো ভাই মুকুলকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়। দীর্ঘ আট বছরেও সেই হত্যার বিচার পাইনি। আবার গত ২১ জুন আমার মামাতো ভাই ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারীকেও নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার বিচার পাব কি না, তাও জানি না। বারবার স্বজন হারানো এবং বিচারহীনতার অভিজ্ঞতা আমাকে হতাশ করেছে। তাই আমি আর এই নোংরা রাজনীতি করতে চাই না। রাজনীতি থেকে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে দূরে রাখতে দুধ দিয়ে গোসল করেছি। এখন একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে সমাজে শান্তিপূর্ণভাবে জীবনযাপন করতে চাই।

‎তিনি আরও বলেন, “আমি কোনো রাজনৈতিক দলের পরিচয়ের জন্য নয়, একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে ন্যায়বিচার চাই। আমার স্বজনদের হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।
‎আব্দুল জলিল তোতা প্রয়াত আবু বক্করের ছেলে।

‎তবে আব্দুল জলিল তোতার রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছে বিএনপি। এ বিষয়ে সাঘাটা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সেলিম আহমেদ তুলিপ বলেন, আব্দুল জলিল তোতা বিএনপির কোনো পদধারী নেতা বা কর্মী নন। তিনি বিএনপির কোনো কমিটির সদস্যও নন। বর্তমানে বিএনপির কোনো সাংগঠনিক বা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তার ব্যক্তিগত বক্তব্য ও সিদ্ধান্তের দায় বিএনপি বহন করে না।

‎উল্লেখ্য, গত ২১ জুন বিকেলে সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া চারমাথা এলাকায় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারীকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ডেম্বেলের হ্যাটট্রিকে নরওয়েকে উড়িয়ে দিল ফ্রান্স

দুধ দিয়ে গোসল করে রাজনীতি ছাড়লেন বিএনপি কর্মী

আপডেট সময় ০৬:৪৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
নিজের দলের নেতা কর্তৃক শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারি হত্যাকাণ্ড এবং পূর্বে স্বজন হত্যার বিচার না পাওয়ার অভিযোগ গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের নিজ বাড়িতে দুধ দিয়ে গোসল করে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি কর্মী আব্দুল জলিল তোতা ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বোনারপাড়ায় নিজ বাড়িতে তিনি এ প্রতীকী কর্মসূচি পালন করেন। তার দাবি, বার বার স্বজন হারিয়েও বিচার না পাওয়ায় তিনি রাজনীতির প্রতি আস্থা হারিয়েছেন। তিনি আর কোন দল করবেন না ।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল জলিল তোতা ৫ আগষ্টের পথ থেকে বিএনপির প্রথমে সমর্থক পরে বিএনপির কর্মী বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতেন। তিনি ২০২৬ সালের নির্বাচনে কাজী আজহার আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা ও নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। এবং একটি নির্বাচনী বুথের দায়িত্বে ছিলেন। ‎

‎আব্দুল জলিল তোতা বলেন, ২০১৮ সালের ৫ জুলাই আমার চাচাতো ভাই মুকুলকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়। দীর্ঘ আট বছরেও সেই হত্যার বিচার পাইনি। আবার গত ২১ জুন আমার মামাতো ভাই ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারীকেও নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার বিচার পাব কি না, তাও জানি না। বারবার স্বজন হারানো এবং বিচারহীনতার অভিজ্ঞতা আমাকে হতাশ করেছে। তাই আমি আর এই নোংরা রাজনীতি করতে চাই না। রাজনীতি থেকে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে দূরে রাখতে দুধ দিয়ে গোসল করেছি। এখন একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে সমাজে শান্তিপূর্ণভাবে জীবনযাপন করতে চাই।

‎তিনি আরও বলেন, “আমি কোনো রাজনৈতিক দলের পরিচয়ের জন্য নয়, একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে ন্যায়বিচার চাই। আমার স্বজনদের হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।
‎আব্দুল জলিল তোতা প্রয়াত আবু বক্করের ছেলে।

‎তবে আব্দুল জলিল তোতার রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছে বিএনপি। এ বিষয়ে সাঘাটা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সেলিম আহমেদ তুলিপ বলেন, আব্দুল জলিল তোতা বিএনপির কোনো পদধারী নেতা বা কর্মী নন। তিনি বিএনপির কোনো কমিটির সদস্যও নন। বর্তমানে বিএনপির কোনো সাংগঠনিক বা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তার ব্যক্তিগত বক্তব্য ও সিদ্ধান্তের দায় বিএনপি বহন করে না।

‎উল্লেখ্য, গত ২১ জুন বিকেলে সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া চারমাথা এলাকায় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারীকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায়।