নিউজ ডেস্ক:
সাংবাদিক আনিস আলমগীর বলেছেন, ড. ইউনূস একজন ভন্ড, মুখে বলে এক করে আরেকটা। তার সময় বলা হয়েছিল সমালোচনা করেন প্রাণ খুলে। তার সমালোচনা করার কারণে স্বয়ং আমাকেই জেলে নিয়ে গেছে। তার নিজের জন্য সময়টা স্বর্ণযুগ ছিল।
টকশোতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, তিনি একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন নিয়েছেন আইন বহির্ভূতভাবে, যেটা যতটুকু টাকা পয়সা জমা দেওয়ার যে টাইম ফ্রেম থাকার কিছুই নাই এবং অন্য কাউকে না দিয়ে নিজেরটা নিজে নিয়ে নিয়েছেন। আরো কতগুলো ইউনিভার্সিটি ছিল, যেমন আমার জানামতে একটা ছিল ব্রিটিশ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি, যমুনা ইউনিভার্সিটি আরো কয়েকটা ইউনিভার্সিটি প্রায় ২২-২৩ টার মতো ইউনিভার্সিটি ছিল সেগুলোকে বাদ দিয়ে নিজেরটাকে নিজে নিয়ে এসেছেন। গ্রামীণ পরবর্তীতে এরা হয়তো পরবর্তীতে পাবে কিন্তু উনি উনার আমলে উনারটাই নিয়ে নিছেন।
আনিস আলমগীর বলেন, গ্রামীণের দুই প্রতিষ্ঠান প্রায় ই-ওয়ালেট এবং রিক্রুটিং এজেন্সি লাইসেন্স এই প্রতিষ্ঠানগুলো ই-ওয়ালেট একটা নিয়ে গেছে কি সমাধান নাকি জানি নাম দিয়ে আরেকটা রিক্রুটিং এজেন্সি নিয়েছে। কতটা নিচে নেমেছে দেখেন শপথের আগে শ্রম আইনে দণ্ডপ্রাপ্ত মামলার খালাস পরে নিষ্পত্তি সাতটি মামলা। একটা দণ্ড খালাস করছেন পরে একবার নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন। কত বড় বাটপারিটা দেখেন নিজে ক্ষমতায় বসে নিজের মামলাগুলো খালাস করছেন।
নিজে আয়কর যতগুলো ছিল সে আয়কর মাফ করছেন এবং গ্রামীণ ব্যাংকের যে সরকারি যে ২৫% অংশীদারিত্ব কমিয়ে ১০% করে দিয়েছেন। গ্রামীণ ব্যাংককে পাঁচ বছরের জন্য কর থেকে মুক্ত করে দিয়েছেন যেটা ১০০০ কোটি টাকা কর আসে।
তিনি বলেন, নির্লজ্জ বেহায়াপনা বাংলাদেশের কোন সরকার প্রধান আপনি দেখেছেন কিনা আমি জানিনা যে ক্ষমতায় এসে করেছে এবং এটা এটা তো কমপ্লিট সংবিধান এবং আইন শপথ ভঙ্গ সবকিছু এখানে আছে এবং সরকার যদি পরিবর্তন হয় কোন আজ না কাল কোন না কোনোদিন হবে। এই সরকার যদি বিচার না করে, ভবিষ্যৎ সরকার করবে। ইউনূস যে অপকর্ম করে গেছেন, সেখান থেকে রেহাই পাবে না।

নিজস্ব সংবাদ : 




























