ঢাকা ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

আসিফ মাহমুদদের ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকার কথাটা চরম মিথ্যাবাদিতা : আনিস আলমগীর

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৫০:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে
সাংবাদিক ও কলামিস্ট আনিস আলমগীর বলেছেন, আসিফ মাহমুদদেরকে যে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ডিপ স্টেট থাকতে বলেছিল বলা হচ্ছে, এটা একদম চরম মিথ্যাবাদিতা। তাদেরকে থাকতে বললে ইউনূস গদি ছাড়ে? ইউনূসের গদি ছাড়ানোর জন্য কত পরিশ্রম করতে হলো, মানুষকে রাস্তায় নামতে হলো, ইউনূসকে নিয়ে মিটিং করতে হলো, লন্ডন যেতে হলো, তারপরে সেনাপ্রধান একটা একটা ডেডলাইন দিলেন যে অত তারিখের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে।

সম্প্রতি দেশের এক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টক শো-তে এসব কথা বলেন তিনি।

আনিস আলমগীর বলেন, উন্নত দেশগুলোতে ডিপ স্টেট স্বীকৃত।

কিন্তু অনুন্নত দেশগুলোতে ডিপ স্টেট কতটা কার্যকরী এটা নিয়ে প্রশ্ন আসে। কিন্তু বাংলাদেশে ওয়ান ইলেভেন হওয়া বা ইউনূসের ক্ষমতা পরিবর্তন- অনেকে বিশ্বাস করেন যে ডিপ স্টেটের এখানে ভূমিকা ছিল। আমাদের ডিপ স্টেট বলতে আমরা যাদেরকে বলি সামরিক বা গোয়েন্দা বা অর্থনৈতিক এলিট, এনজিও এলিটরা সবগুলো মিলিয়ে রাষ্ট্রের মধ্যে আরেকটা রাষ্ট্র কায়েমের যে প্রসেসটা সেটা। যখন ৩ তারিখে সম্ভবত আর্মিদের মিটিংটা হলো যে যেখান থেকে সরকারকে সমর্থন করার ব্যাপারে এক ধরনের মানে অলিখিত ‘নো’ আসল এবং এই যে ধারাবাহিকতা- সেখান থেকে একটা সিগন্যাল চলে এসেছে।
সামগ্রিকভাবে এটা প্রমাণিত যে ডিপ স্টেট ছিল এবং ডিপ স্টেট ইউনূসকে এনেছিল এবং এটা ভূমিকা রেখেছিল। 

তিনি বলেন, আসিফ মাহমুদের কথা যে তাদেরকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকতে বলেছিল। ২০২৯ সাল পর্যন্ত হচ্ছে যে শেখ হাসিনা হচ্ছে হারাম, কিন্তু তার টেনিওরটা হচ্ছে হালাল। আসিফ মাহমুদদেরকে যে থাকতে বলেছিল এটা হচ্ছে একদম চরম মিথ্যাবাদিতা।

তাদেরকে থাকতে বললে ইউনূস গদি ছাড়ে? ইউনূসের গদি ছাড়ানোর জন্য কত পরিশ্রম করতে হলো, মানুষকে রাস্তায় নামতে হলো, ইউনূসকে নিয়ে মিটিং করতে হলো, লন্ডন যেতে হলো, তারপরে সেনাপ্রধান একটা একটা ডেডলাইন দিলেন যে অত তারিখের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। 

তিনি আরো বলেন, কত চিঠি চালাচালি, কত মান অভিমান, কত কিছু করেছে, তার মতো একটা বেহায়াকে সরানোর জন্য। রাষ্ট্রের কত সময় ব্যয় করতে হয়েছে, যেটা ৩ মাস বা ৬ মাসে ইলেকশন করতে পারত, সেটা সে ১৮ মাস দীর্ঘায়িত করেছে এবং এই দীর্ঘায়িত করার ফলে রাষ্ট্রটাকে একটা জাহান্নাম বানিয়ে দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

আসিফ মাহমুদদের ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকার কথাটা চরম মিথ্যাবাদিতা : আনিস আলমগীর

আপডেট সময় ১২:৫০:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
সাংবাদিক ও কলামিস্ট আনিস আলমগীর বলেছেন, আসিফ মাহমুদদেরকে যে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ডিপ স্টেট থাকতে বলেছিল বলা হচ্ছে, এটা একদম চরম মিথ্যাবাদিতা। তাদেরকে থাকতে বললে ইউনূস গদি ছাড়ে? ইউনূসের গদি ছাড়ানোর জন্য কত পরিশ্রম করতে হলো, মানুষকে রাস্তায় নামতে হলো, ইউনূসকে নিয়ে মিটিং করতে হলো, লন্ডন যেতে হলো, তারপরে সেনাপ্রধান একটা একটা ডেডলাইন দিলেন যে অত তারিখের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে।

সম্প্রতি দেশের এক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টক শো-তে এসব কথা বলেন তিনি।

আনিস আলমগীর বলেন, উন্নত দেশগুলোতে ডিপ স্টেট স্বীকৃত।

কিন্তু অনুন্নত দেশগুলোতে ডিপ স্টেট কতটা কার্যকরী এটা নিয়ে প্রশ্ন আসে। কিন্তু বাংলাদেশে ওয়ান ইলেভেন হওয়া বা ইউনূসের ক্ষমতা পরিবর্তন- অনেকে বিশ্বাস করেন যে ডিপ স্টেটের এখানে ভূমিকা ছিল। আমাদের ডিপ স্টেট বলতে আমরা যাদেরকে বলি সামরিক বা গোয়েন্দা বা অর্থনৈতিক এলিট, এনজিও এলিটরা সবগুলো মিলিয়ে রাষ্ট্রের মধ্যে আরেকটা রাষ্ট্র কায়েমের যে প্রসেসটা সেটা। যখন ৩ তারিখে সম্ভবত আর্মিদের মিটিংটা হলো যে যেখান থেকে সরকারকে সমর্থন করার ব্যাপারে এক ধরনের মানে অলিখিত ‘নো’ আসল এবং এই যে ধারাবাহিকতা- সেখান থেকে একটা সিগন্যাল চলে এসেছে।
সামগ্রিকভাবে এটা প্রমাণিত যে ডিপ স্টেট ছিল এবং ডিপ স্টেট ইউনূসকে এনেছিল এবং এটা ভূমিকা রেখেছিল। 

তিনি বলেন, আসিফ মাহমুদের কথা যে তাদেরকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকতে বলেছিল। ২০২৯ সাল পর্যন্ত হচ্ছে যে শেখ হাসিনা হচ্ছে হারাম, কিন্তু তার টেনিওরটা হচ্ছে হালাল। আসিফ মাহমুদদেরকে যে থাকতে বলেছিল এটা হচ্ছে একদম চরম মিথ্যাবাদিতা।

তাদেরকে থাকতে বললে ইউনূস গদি ছাড়ে? ইউনূসের গদি ছাড়ানোর জন্য কত পরিশ্রম করতে হলো, মানুষকে রাস্তায় নামতে হলো, ইউনূসকে নিয়ে মিটিং করতে হলো, লন্ডন যেতে হলো, তারপরে সেনাপ্রধান একটা একটা ডেডলাইন দিলেন যে অত তারিখের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। 

তিনি আরো বলেন, কত চিঠি চালাচালি, কত মান অভিমান, কত কিছু করেছে, তার মতো একটা বেহায়াকে সরানোর জন্য। রাষ্ট্রের কত সময় ব্যয় করতে হয়েছে, যেটা ৩ মাস বা ৬ মাসে ইলেকশন করতে পারত, সেটা সে ১৮ মাস দীর্ঘায়িত করেছে এবং এই দীর্ঘায়িত করার ফলে রাষ্ট্রটাকে একটা জাহান্নাম বানিয়ে দিয়েছে।