ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ডেম্বেলের হ্যাটট্রিকে নরওয়েকে উড়িয়ে দিল ফ্রান্স Logo এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে: শামা ওবায়েদ Logo বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের! Logo রাজধানীতে ১৪ তলা ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২ ইউনিট Logo লেবানন থেকে ‘শর্তহীনভাবে’ ইসরায়েলের সৈন্য প্রত্যাহার করতে হবে: হিজবুল্লাহ নেতা Logo জার্মানিকে হারানোয় ইকুয়েডরে সরকারি ছুটি ঘোষণা Logo সীমান্তে হত্যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo রাজধানীতে ফ্ল্যাটে পড়ে ছিল নারী চিকিৎসকের মরদেহ Logo ‘মামলার ব্যবসা করছেন বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা’: রুমিন ফারহানা Logo দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডিসি সারওয়ারের কল রেকর্ড ভাইরাল, মাজার নিয়ে যা বললেন তিনি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:২৩:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলমের একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ ভাইরাল হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে ফেসবুকের বিভিন্ন প্রোফাইল ও পেজ থেকে কল রেকর্ডটি ছাড়া হয়।

এতে এক গণমাধ্যমকর্মীর সাথে ডিসি মো. সারওয়ার আলমের কথা বলতে শোনা যায়।

ওই গণমাধ্যমকর্মী মাজারের টাকাগুলো কী করা হবে জানতে চাইলে ডিসি মো. সারওয়ার আলম বলেন, ‘এখানে ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৫৯ টাকা ও একটি অলংকার পাওয়া গেছে আর প্রশাসনের ফান্ড থেকে ৫ লাখ টাকা দিয়েছি।

এটা জেলাপ্রশাসক ও ওয়াক্‌ফ ইন্সপেক্টরের যৌথ অ্যাকাউন্টে রাখা হয়েছে। আমরা চেয়েছিলাম এখানে মাজার কমিটির একজনকে রাখার জন্য। কিন্তু সে সুযোগ হয়নি। ৩ জনের যৌথ অ্যাকাউন্ট চেয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত জেলা প্রশাসক ও ওয়াক্‌ফ ইন্সপেক্টর যৌথ অ্যাকাউন্টে সোনালি ব্যাংকে রাখা হয়েছে।

খরচ কি হবে কি না হবে সেটা পরবর্তী প্রশাসক, নেতৃবৃন্দ, মন্ত্রীরা আছেন তারা যেমন চায় পলিসি ঠিক করবেন।’

এছাড়া বিদায়ের অনুভূতি জানতে চাইলে ডিসি মো. সারওয়ার আলম বলেন, ‘আমি সত্যিই খুব ভাগ্যবান দেশের মানুষের এতো ভালোবাসা পেয়েছি। জীবণে এর চেয়ে বেশি আর কিছু লাগে না। তাদের জন্য কিছুই করতে পারি নাই। হয়তো চেষ্টা করেছি কিছু কিন্তু কিছু করতে পারি নাই। তারা আমাকে এতো ভালোবাসা দিয়েছে। আমাকে সারাজীবণের জন্য ঋণী করে ফেলেছে। যখনই সুযোগ পাবো না কেন ইনশাআল্লাহ চাকরিতে থাকি বা যেখানেই থাকি না কেন চেষ্টা করবো দেশবাসীর জন্য কিছু একটা করতে ইনশাআল্লাহ। সিলেটবাসীর কথা আমার মনে থাকবে।’

উল্লেখ্য, সিলেটে দায়িত্ব পালনকালে মো. সারওয়ার আলম বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনায় ছিলেন। সর্বশেষ সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরাণ (রহ.) মাজারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ এবং শাহজালাল (রহ.) মাজারের ডেগ সিলগালা ও নতুন দানবাক্স স্থাপনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

গত ২১ জুন সিলেট শাহজালাল (র.) মাজারে নতুন দানবাক্স স্থাপন এবং মাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিতর্ক ও আলোচনার মধ্যে মো. সারওয়ার আলমকে সিলেটের ডিসি পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার এই প্রত্যাহারের ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভ তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষ তার পুনর্বহালের দাবি তোলে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ডেম্বেলের হ্যাটট্রিকে নরওয়েকে উড়িয়ে দিল ফ্রান্স

ডিসি সারওয়ারের কল রেকর্ড ভাইরাল, মাজার নিয়ে যা বললেন তিনি

আপডেট সময় ০৩:২৩:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

সিলেটের সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলমের একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ ভাইরাল হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে ফেসবুকের বিভিন্ন প্রোফাইল ও পেজ থেকে কল রেকর্ডটি ছাড়া হয়।

এতে এক গণমাধ্যমকর্মীর সাথে ডিসি মো. সারওয়ার আলমের কথা বলতে শোনা যায়।

ওই গণমাধ্যমকর্মী মাজারের টাকাগুলো কী করা হবে জানতে চাইলে ডিসি মো. সারওয়ার আলম বলেন, ‘এখানে ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৫৯ টাকা ও একটি অলংকার পাওয়া গেছে আর প্রশাসনের ফান্ড থেকে ৫ লাখ টাকা দিয়েছি।

এটা জেলাপ্রশাসক ও ওয়াক্‌ফ ইন্সপেক্টরের যৌথ অ্যাকাউন্টে রাখা হয়েছে। আমরা চেয়েছিলাম এখানে মাজার কমিটির একজনকে রাখার জন্য। কিন্তু সে সুযোগ হয়নি। ৩ জনের যৌথ অ্যাকাউন্ট চেয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত জেলা প্রশাসক ও ওয়াক্‌ফ ইন্সপেক্টর যৌথ অ্যাকাউন্টে সোনালি ব্যাংকে রাখা হয়েছে।

খরচ কি হবে কি না হবে সেটা পরবর্তী প্রশাসক, নেতৃবৃন্দ, মন্ত্রীরা আছেন তারা যেমন চায় পলিসি ঠিক করবেন।’

এছাড়া বিদায়ের অনুভূতি জানতে চাইলে ডিসি মো. সারওয়ার আলম বলেন, ‘আমি সত্যিই খুব ভাগ্যবান দেশের মানুষের এতো ভালোবাসা পেয়েছি। জীবণে এর চেয়ে বেশি আর কিছু লাগে না। তাদের জন্য কিছুই করতে পারি নাই। হয়তো চেষ্টা করেছি কিছু কিন্তু কিছু করতে পারি নাই। তারা আমাকে এতো ভালোবাসা দিয়েছে। আমাকে সারাজীবণের জন্য ঋণী করে ফেলেছে। যখনই সুযোগ পাবো না কেন ইনশাআল্লাহ চাকরিতে থাকি বা যেখানেই থাকি না কেন চেষ্টা করবো দেশবাসীর জন্য কিছু একটা করতে ইনশাআল্লাহ। সিলেটবাসীর কথা আমার মনে থাকবে।’

উল্লেখ্য, সিলেটে দায়িত্ব পালনকালে মো. সারওয়ার আলম বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনায় ছিলেন। সর্বশেষ সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরাণ (রহ.) মাজারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ এবং শাহজালাল (রহ.) মাজারের ডেগ সিলগালা ও নতুন দানবাক্স স্থাপনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

গত ২১ জুন সিলেট শাহজালাল (র.) মাজারে নতুন দানবাক্স স্থাপন এবং মাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিতর্ক ও আলোচনার মধ্যে মো. সারওয়ার আলমকে সিলেটের ডিসি পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার এই প্রত্যাহারের ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভ তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষ তার পুনর্বহালের দাবি তোলে।