ঢাকা ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ডিসি সারওয়ারের কল রেকর্ড ভাইরাল, মাজার নিয়ে যা বললেন তিনি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:২৩:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলমের একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ ভাইরাল হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে ফেসবুকের বিভিন্ন প্রোফাইল ও পেজ থেকে কল রেকর্ডটি ছাড়া হয়।

এতে এক গণমাধ্যমকর্মীর সাথে ডিসি মো. সারওয়ার আলমের কথা বলতে শোনা যায়।

ওই গণমাধ্যমকর্মী মাজারের টাকাগুলো কী করা হবে জানতে চাইলে ডিসি মো. সারওয়ার আলম বলেন, ‘এখানে ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৫৯ টাকা ও একটি অলংকার পাওয়া গেছে আর প্রশাসনের ফান্ড থেকে ৫ লাখ টাকা দিয়েছি।

এটা জেলাপ্রশাসক ও ওয়াক্‌ফ ইন্সপেক্টরের যৌথ অ্যাকাউন্টে রাখা হয়েছে। আমরা চেয়েছিলাম এখানে মাজার কমিটির একজনকে রাখার জন্য। কিন্তু সে সুযোগ হয়নি। ৩ জনের যৌথ অ্যাকাউন্ট চেয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত জেলা প্রশাসক ও ওয়াক্‌ফ ইন্সপেক্টর যৌথ অ্যাকাউন্টে সোনালি ব্যাংকে রাখা হয়েছে।

খরচ কি হবে কি না হবে সেটা পরবর্তী প্রশাসক, নেতৃবৃন্দ, মন্ত্রীরা আছেন তারা যেমন চায় পলিসি ঠিক করবেন।’

এছাড়া বিদায়ের অনুভূতি জানতে চাইলে ডিসি মো. সারওয়ার আলম বলেন, ‘আমি সত্যিই খুব ভাগ্যবান দেশের মানুষের এতো ভালোবাসা পেয়েছি। জীবণে এর চেয়ে বেশি আর কিছু লাগে না। তাদের জন্য কিছুই করতে পারি নাই। হয়তো চেষ্টা করেছি কিছু কিন্তু কিছু করতে পারি নাই। তারা আমাকে এতো ভালোবাসা দিয়েছে। আমাকে সারাজীবণের জন্য ঋণী করে ফেলেছে। যখনই সুযোগ পাবো না কেন ইনশাআল্লাহ চাকরিতে থাকি বা যেখানেই থাকি না কেন চেষ্টা করবো দেশবাসীর জন্য কিছু একটা করতে ইনশাআল্লাহ। সিলেটবাসীর কথা আমার মনে থাকবে।’

উল্লেখ্য, সিলেটে দায়িত্ব পালনকালে মো. সারওয়ার আলম বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনায় ছিলেন। সর্বশেষ সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরাণ (রহ.) মাজারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ এবং শাহজালাল (রহ.) মাজারের ডেগ সিলগালা ও নতুন দানবাক্স স্থাপনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

গত ২১ জুন সিলেট শাহজালাল (র.) মাজারে নতুন দানবাক্স স্থাপন এবং মাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিতর্ক ও আলোচনার মধ্যে মো. সারওয়ার আলমকে সিলেটের ডিসি পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার এই প্রত্যাহারের ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভ তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষ তার পুনর্বহালের দাবি তোলে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ডিসি সারওয়ারের কল রেকর্ড ভাইরাল, মাজার নিয়ে যা বললেন তিনি

আপডেট সময় ০৩:২৩:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

সিলেটের সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলমের একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ ভাইরাল হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে ফেসবুকের বিভিন্ন প্রোফাইল ও পেজ থেকে কল রেকর্ডটি ছাড়া হয়।

এতে এক গণমাধ্যমকর্মীর সাথে ডিসি মো. সারওয়ার আলমের কথা বলতে শোনা যায়।

ওই গণমাধ্যমকর্মী মাজারের টাকাগুলো কী করা হবে জানতে চাইলে ডিসি মো. সারওয়ার আলম বলেন, ‘এখানে ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৫৯ টাকা ও একটি অলংকার পাওয়া গেছে আর প্রশাসনের ফান্ড থেকে ৫ লাখ টাকা দিয়েছি।

এটা জেলাপ্রশাসক ও ওয়াক্‌ফ ইন্সপেক্টরের যৌথ অ্যাকাউন্টে রাখা হয়েছে। আমরা চেয়েছিলাম এখানে মাজার কমিটির একজনকে রাখার জন্য। কিন্তু সে সুযোগ হয়নি। ৩ জনের যৌথ অ্যাকাউন্ট চেয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত জেলা প্রশাসক ও ওয়াক্‌ফ ইন্সপেক্টর যৌথ অ্যাকাউন্টে সোনালি ব্যাংকে রাখা হয়েছে।

খরচ কি হবে কি না হবে সেটা পরবর্তী প্রশাসক, নেতৃবৃন্দ, মন্ত্রীরা আছেন তারা যেমন চায় পলিসি ঠিক করবেন।’

এছাড়া বিদায়ের অনুভূতি জানতে চাইলে ডিসি মো. সারওয়ার আলম বলেন, ‘আমি সত্যিই খুব ভাগ্যবান দেশের মানুষের এতো ভালোবাসা পেয়েছি। জীবণে এর চেয়ে বেশি আর কিছু লাগে না। তাদের জন্য কিছুই করতে পারি নাই। হয়তো চেষ্টা করেছি কিছু কিন্তু কিছু করতে পারি নাই। তারা আমাকে এতো ভালোবাসা দিয়েছে। আমাকে সারাজীবণের জন্য ঋণী করে ফেলেছে। যখনই সুযোগ পাবো না কেন ইনশাআল্লাহ চাকরিতে থাকি বা যেখানেই থাকি না কেন চেষ্টা করবো দেশবাসীর জন্য কিছু একটা করতে ইনশাআল্লাহ। সিলেটবাসীর কথা আমার মনে থাকবে।’

উল্লেখ্য, সিলেটে দায়িত্ব পালনকালে মো. সারওয়ার আলম বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনায় ছিলেন। সর্বশেষ সিলেটের ঐতিহ্যবাহী হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরাণ (রহ.) মাজারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ এবং শাহজালাল (রহ.) মাজারের ডেগ সিলগালা ও নতুন দানবাক্স স্থাপনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

গত ২১ জুন সিলেট শাহজালাল (র.) মাজারে নতুন দানবাক্স স্থাপন এবং মাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিতর্ক ও আলোচনার মধ্যে মো. সারওয়ার আলমকে সিলেটের ডিসি পদ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার এই প্রত্যাহারের ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভ তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষ তার পুনর্বহালের দাবি তোলে।