ঢাকা ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সালাহউদ্দিনের নির্বাচনী জনসভায় দুই ‘খুদে খালেদা জিয়া’ Logo ৩ জেলার ভোটের ফল সংগ্রহে ওয়্যারলেস সিস্টেম ব্যবহার করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: ইসি Logo বিএনপি ক্ষমতায় এলে জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা দেওয়া হবে : মির্জা ফখরুল Logo যথেষ্ট প্রমাণ থাকাতেই গ্রেফতার বঙ্গভবনের সেই কর্মকর্তা: ডিবি Logo বিএনপি, বঙ্গভবন মিলে জামায়াতের ওপর সাইবার অ্যাটাক চালাচ্ছে: গোলাম পরওয়ার Logo শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচনের তফসিল নিয়ে যা জানালেন ইসি Logo মাটির ব্যাংকে আগামীর স্বপ্ন, আবেগাপ্লুত ফখরুল Logo ইইউ চুক্তির পর পর্তুগালে ভারতীয় পণ্যের আগ্রাসনের আশঙ্কা Logo ‘সুশাসন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপির বিকল্প নেই’ Logo সংখ্যালঘু ভোটেই জয়-পরাজয়!

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে কূটনীতিকেরা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:১৯:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়ার আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আজ পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় কর্মরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকেরা। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে তাঁরা জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।

সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী কূটনীতিকদের জাদুঘরের বিভিন্ন অংশ ঘুরিয়ে দেখান এবং এর ধারণা, প্রেক্ষাপট ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। পরিদর্শনের শুরুতে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনে নিহত প্রায় চার হাজার মানুষের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, জুলাই জাদুঘর বিশ্বের অন্যান্য দেশের অনুরূপ স্মৃতি জাদুঘর ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতার উদ্যোগ নেবে। তিনি বলেন, ‘এই জাদুঘরের মূল ভাবনা হলো—এ ধরনের দুঃশাসন ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি যেন আর না ঘটে। এই বার্তা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, সারা বিশ্বের জন্য প্রযোজ্য।’

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, এই জাদুঘর শেখ হাসিনার দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের দীর্ঘ সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি। তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের ৩৬ দিনের গণঅভ্যুত্থানের চূড়ান্ত পর্যায় এখানে তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে বছরের পর বছর ধরে গড়ে ওঠা দুঃশাসনের নানা উপাদানও এতে তুলে ধরা হয়েছে। ইতিহাসের প্রকৃত শিক্ষা হলো—যাতে একই ভুল আবার না ঘটে।’

জাদুঘরের প্রধান কিউরেটর তানজীম ওয়াহাব কূটনীতিক ও অতিথিদের সামনে জাদুঘরের বিভিন্ন প্রদর্শনী, নথি, আলোকচিত্র ও মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনার ব্যাখ্যা দেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশে ইইউ প্রতিনিধিদলের প্রধান মাইকেল মিলার বলেন, ‘জুলাই জাদুঘর পরিদর্শন করে আমি আনন্দিত। এটি অনুপ্রেরণাদায়ক এবং ইতিহাস বোঝার গুরুত্বের একটি শক্তিশালী স্মারক। কীভাবে গণঅভ্যুত্থান ঘটে এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পটভূমি কী ছিল—তা বোঝার ক্ষেত্রে এই জাদুঘর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

পরিদর্শনে অংশ নেওয়া কূটনীতিকদের মধ্যে ছিলেন আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত ড. আবদেলুয়াহাব সাইদানি, আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসা, ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাশো কার্মা হামু দর্জি, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার, মিসরের রাষ্ট্রদূত ওমর মোহি এলদিন আহমেদ ফাহমি, ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শার্লে, ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রহিমি জাহানাবাদি, ইরাকের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স উইসাম হুসেইন আল ইথাওয়ি, ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো, কসোভোর রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা, লিবিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদুলমুতালিব এস এম সুলিমান, মরক্কোর চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স বুশাইব এজ জাহরি, নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকোন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন, পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান, রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন, সিঙ্গাপুরের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মিচেল লি, স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল মারিয়া সিস্তিয়াগা ওচোয়া দে চিনচেত্রু, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস শেন, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পাবলিক ডিপ্লোমেসি কাউন্সেলর মনিকা ও কর্মকর্তা স্কট, চীনের দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন ড. লিউ ইউইন, জাপানের দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব ও সাংস্কৃতিক শাখার প্রধান আওয়াগি ইউ এবং ব্রুনাই দারুসসালামের হাইকমিশনের প্রেস অ্যাটাশে।

পরিদর্শনে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থার প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন আগা খান ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের কূটনৈতিক প্রতিনিধি ফারুক আদাতিয়া, এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হো ইউন জিয়ং, বিমসটেকের মহাসচিব ইন্দ্র মণি পাণ্ডে, সিআইআরডিএপির মহাপরিচালক পি চন্দ্র শেখারা, এফএওর বাংলাদেশ প্রতিনিধি শি জিয়াওছুন, আইএফডিসির কান্ট্রি ডিরেক্টর মুনতাসির সাকিব খান, আইওএমের চিফ অব মিশন ল্যান্স বনো, ইউনেসকোর ভারপ্রাপ্ত প্রধান ড. সুসান ভাইজ, ইউএনএইচসিআরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ ইফতেখার আলী, ডব্লিউএফপির আবাসিক প্রতিনিধি ও কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামা এবং ইউএনওপসের কান্ট্রি ম্যানেজার সুধীর মুরলিধরন উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া প্রধান উপদেষ্টার কার্ষালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থাণে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনকে সংরক্ষণ ও রূপান্তরের মাধ্যমে গড়ে তোলা হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। আগামী সপ্তাহে জাদুঘরটি সীমিত পরিসরে দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সালাহউদ্দিনের নির্বাচনী জনসভায় দুই ‘খুদে খালেদা জিয়া’

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে কূটনীতিকেরা

আপডেট সময় ১১:১৯:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়ার আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আজ পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় কর্মরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকেরা। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে তাঁরা জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।

সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী কূটনীতিকদের জাদুঘরের বিভিন্ন অংশ ঘুরিয়ে দেখান এবং এর ধারণা, প্রেক্ষাপট ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। পরিদর্শনের শুরুতে শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনে নিহত প্রায় চার হাজার মানুষের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, জুলাই জাদুঘর বিশ্বের অন্যান্য দেশের অনুরূপ স্মৃতি জাদুঘর ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতার উদ্যোগ নেবে। তিনি বলেন, ‘এই জাদুঘরের মূল ভাবনা হলো—এ ধরনের দুঃশাসন ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি যেন আর না ঘটে। এই বার্তা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, সারা বিশ্বের জন্য প্রযোজ্য।’

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, এই জাদুঘর শেখ হাসিনার দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের দীর্ঘ সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি। তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের ৩৬ দিনের গণঅভ্যুত্থানের চূড়ান্ত পর্যায় এখানে তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে বছরের পর বছর ধরে গড়ে ওঠা দুঃশাসনের নানা উপাদানও এতে তুলে ধরা হয়েছে। ইতিহাসের প্রকৃত শিক্ষা হলো—যাতে একই ভুল আবার না ঘটে।’

জাদুঘরের প্রধান কিউরেটর তানজীম ওয়াহাব কূটনীতিক ও অতিথিদের সামনে জাদুঘরের বিভিন্ন প্রদর্শনী, নথি, আলোকচিত্র ও মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনার ব্যাখ্যা দেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশে ইইউ প্রতিনিধিদলের প্রধান মাইকেল মিলার বলেন, ‘জুলাই জাদুঘর পরিদর্শন করে আমি আনন্দিত। এটি অনুপ্রেরণাদায়ক এবং ইতিহাস বোঝার গুরুত্বের একটি শক্তিশালী স্মারক। কীভাবে গণঅভ্যুত্থান ঘটে এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পটভূমি কী ছিল—তা বোঝার ক্ষেত্রে এই জাদুঘর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

পরিদর্শনে অংশ নেওয়া কূটনীতিকদের মধ্যে ছিলেন আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত ড. আবদেলুয়াহাব সাইদানি, আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসা, ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাশো কার্মা হামু দর্জি, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার, মিসরের রাষ্ট্রদূত ওমর মোহি এলদিন আহমেদ ফাহমি, ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শার্লে, ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রহিমি জাহানাবাদি, ইরাকের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স উইসাম হুসেইন আল ইথাওয়ি, ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো, কসোভোর রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা, লিবিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদুলমুতালিব এস এম সুলিমান, মরক্কোর চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স বুশাইব এজ জাহরি, নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকোন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন, পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান, রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন, সিঙ্গাপুরের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মিচেল লি, স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল মারিয়া সিস্তিয়াগা ওচোয়া দে চিনচেত্রু, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস শেন, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পাবলিক ডিপ্লোমেসি কাউন্সেলর মনিকা ও কর্মকর্তা স্কট, চীনের দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন ড. লিউ ইউইন, জাপানের দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব ও সাংস্কৃতিক শাখার প্রধান আওয়াগি ইউ এবং ব্রুনাই দারুসসালামের হাইকমিশনের প্রেস অ্যাটাশে।

পরিদর্শনে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থার প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন আগা খান ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের কূটনৈতিক প্রতিনিধি ফারুক আদাতিয়া, এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হো ইউন জিয়ং, বিমসটেকের মহাসচিব ইন্দ্র মণি পাণ্ডে, সিআইআরডিএপির মহাপরিচালক পি চন্দ্র শেখারা, এফএওর বাংলাদেশ প্রতিনিধি শি জিয়াওছুন, আইএফডিসির কান্ট্রি ডিরেক্টর মুনতাসির সাকিব খান, আইওএমের চিফ অব মিশন ল্যান্স বনো, ইউনেসকোর ভারপ্রাপ্ত প্রধান ড. সুসান ভাইজ, ইউএনএইচসিআরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ ইফতেখার আলী, ডব্লিউএফপির আবাসিক প্রতিনিধি ও কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামা এবং ইউএনওপসের কান্ট্রি ম্যানেজার সুধীর মুরলিধরন উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া প্রধান উপদেষ্টার কার্ষালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থাণে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনকে সংরক্ষণ ও রূপান্তরের মাধ্যমে গড়ে তোলা হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। আগামী সপ্তাহে জাদুঘরটি সীমিত পরিসরে দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481