ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিয়ের একদিন আগে নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো যুবকের Logo জায়মা রহমানের চেলসি দলে সুযোগ পাওয়া প্রসঙ্গে অবস্থান পরিষ্কার করলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Logo যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে আইসিই এজেন্ট মোতায়েনের ঘোষণা Logo কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়িতে কোনো স্থাপনা থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo মধ্যরাতে ইনকিলাব মঞ্চের ৬ দফা ঘোষণা Logo ইরানের সামরিক অ্যাটাশেসহ দূতাবাসের পাঁচ কর্মীকে সৌদি আরব থেকে বহিষ্কার Logo দুর্নীতি ‘ওয়ান ডিজিটে’ নামিয়ে আনার প্রত্যয় ভূমি প্রতিমন্ত্রীর Logo রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০০ শয্যায় উন্নীত করা জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের বিষয়েও মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় কাজ করছে: আযম খান Logo বিয়ের গহনা বহনে নিরাপত্তা দেবে পুলিশ: ডিবিপ্রধান

এনসিপি-গণঅধিকারের একীভূতকরণ প্রক্রিয়া এগোলো কতটুকু?

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:০৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও গণঅধিকারের এখনকার শীর্ষ নেতারা এক সময় হেঁটেছেন এক পথে। তরুণদের দল দুইটি রয়েছে একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায়। কীভাবে, কোন প্রক্রিয়ায় দল দুইটি একীভূত হতে পারে, তা নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা হচ্ছে নেতাদের মধ্যে।

তারা বলছেন, মধ্যপন্থার রাজনীতি ও তারুণ্য বিবেচনায় দল দুইটি এক হতে পারে। দলের নাম ও পদ-পদবীর বিষয়গুলো চূড়ান্ত হলেই আসতে পারে একীভূত হওয়ার ঘোষণা।

প্রশ্ন, সংসদ নির্বাচন ঘিরে কতটা এগিয়েছে আলোচনা? গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান ও এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম কণ্ঠে শোনা গেলো ঐক্যের আভাস।

রাশেদ খান বললেন, মূলত একসাথে চলার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে এবং এটাকে কীভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে আমাদের উভয় দলের মধ্যে আন্তরিকতা আছে। কিন্তু আমরা এখনই যে বিলীন হয়ে নতুন দল গঠন করছি, এ ধরনের কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।

সারজিস আলম জানালে, এখন পর্যন্ত আলোচনা পজিটিভ দিকে এগোচ্ছে।

তারুণ্য নির্ভর দল হলেও ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভালো ফল করেনি এনসিপি বা গণঅধিকারের অনুসারীরা। যেটিকে নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি মনে করছেন অনেকে। তাই সামনে আসছে ঐক্য বা একীভূতের প্রসঙ্গ।

সারজিস আলম বলেন, আগামীর বাংলাদেশের রাজনীতিতে যারা অতি উৎসাহী এবং পুরাতন কালচারগুলোকে আষ্টে-পৃষ্টে জড়িয়ে ধরে রাজনীতি করতে চায়, তাদের জন্য এটা একটা বার্তা। অবশ্যই এটার প্রভাব জাতীয় নির্বাচনে আছে। যারা অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছে তাদের নেতৃত্বে রাজনৈতিক দল গঠিত হয়েছে, তো অবশ্যই নাম জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থাকবে। আমরা মনে করি, অন্যান্য আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এখানে একীভূত হয়, তাদেরকে সম্মান প্রদর্শনের বিষয়ে সর্বোচ্চ সচেষ্ট থাকবো আমরা।

রাশেদ খান বলেছেন, ঐক্যের প্রক্রিয়াটা চমৎকারভাবে যদি এনসিপি করতে পারে, সেক্ষেত্রেই শুধুমাত্র একটা বড় পার্টি গঠন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দুইটি দল একীভূত হলে পুনঃবণ্টণ হবে পদ-পদবী। সেক্ষেত্রে দু’পক্ষই ছাড় দেয়ার মানসিকতা দেখাবে বলে আশাবাদী রাশেদ খান ও সারজিস আলম।

সারজিস আলম বলেছেন, একীভূত হলে খুব স্বাভাবিকভাবেই তাদেরকে সম্মান আমাদের দেখাতে হবে। পদ তো সীমাবদ্ধ থাকে। তাই এখানে একটা ছাড় দেয়ার মানসিকতা থাকতে হবে এবং আমরা মনে করি আমাদের সেটি আছে।

রাশেদ খানের মতে, দুইটি দলকে একটা দলে রূপান্তরিত হতে হলে উভয় দলের মধ্যে ছাড় দেয়ার মানসিকতা দরকার। নেতৃত্বের জায়গায় এক ধরনের সমন্বয় দরকার, কাকে কোথায় রাখা হবে। এখন যদি একদমই ছাড় দেয়া না হয়, তাহলে তো একটি দলই হওয়া যায় না।

রাজনীতির মাঠে তারুণ্যের শক্তি এক হলে তৈরি হবে শক্তিশালী প্লাটফর্ম, এমন ভাবনা থেকেই এগিয়ে যাচ্ছে এনসিপি ও গণঅধিকার পরিষদ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

বিয়ের একদিন আগে নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো যুবকের

এনসিপি-গণঅধিকারের একীভূতকরণ প্রক্রিয়া এগোলো কতটুকু?

আপডেট সময় ০৩:০৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও গণঅধিকারের এখনকার শীর্ষ নেতারা এক সময় হেঁটেছেন এক পথে। তরুণদের দল দুইটি রয়েছে একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায়। কীভাবে, কোন প্রক্রিয়ায় দল দুইটি একীভূত হতে পারে, তা নিয়ে দফায় দফায় আলোচনা হচ্ছে নেতাদের মধ্যে।

তারা বলছেন, মধ্যপন্থার রাজনীতি ও তারুণ্য বিবেচনায় দল দুইটি এক হতে পারে। দলের নাম ও পদ-পদবীর বিষয়গুলো চূড়ান্ত হলেই আসতে পারে একীভূত হওয়ার ঘোষণা।

প্রশ্ন, সংসদ নির্বাচন ঘিরে কতটা এগিয়েছে আলোচনা? গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান ও এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম কণ্ঠে শোনা গেলো ঐক্যের আভাস।

রাশেদ খান বললেন, মূলত একসাথে চলার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে এবং এটাকে কীভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে আমাদের উভয় দলের মধ্যে আন্তরিকতা আছে। কিন্তু আমরা এখনই যে বিলীন হয়ে নতুন দল গঠন করছি, এ ধরনের কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।

সারজিস আলম জানালে, এখন পর্যন্ত আলোচনা পজিটিভ দিকে এগোচ্ছে।

তারুণ্য নির্ভর দল হলেও ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভালো ফল করেনি এনসিপি বা গণঅধিকারের অনুসারীরা। যেটিকে নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি মনে করছেন অনেকে। তাই সামনে আসছে ঐক্য বা একীভূতের প্রসঙ্গ।

সারজিস আলম বলেন, আগামীর বাংলাদেশের রাজনীতিতে যারা অতি উৎসাহী এবং পুরাতন কালচারগুলোকে আষ্টে-পৃষ্টে জড়িয়ে ধরে রাজনীতি করতে চায়, তাদের জন্য এটা একটা বার্তা। অবশ্যই এটার প্রভাব জাতীয় নির্বাচনে আছে। যারা অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছে তাদের নেতৃত্বে রাজনৈতিক দল গঠিত হয়েছে, তো অবশ্যই নাম জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থাকবে। আমরা মনে করি, অন্যান্য আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এখানে একীভূত হয়, তাদেরকে সম্মান প্রদর্শনের বিষয়ে সর্বোচ্চ সচেষ্ট থাকবো আমরা।

রাশেদ খান বলেছেন, ঐক্যের প্রক্রিয়াটা চমৎকারভাবে যদি এনসিপি করতে পারে, সেক্ষেত্রেই শুধুমাত্র একটা বড় পার্টি গঠন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দুইটি দল একীভূত হলে পুনঃবণ্টণ হবে পদ-পদবী। সেক্ষেত্রে দু’পক্ষই ছাড় দেয়ার মানসিকতা দেখাবে বলে আশাবাদী রাশেদ খান ও সারজিস আলম।

সারজিস আলম বলেছেন, একীভূত হলে খুব স্বাভাবিকভাবেই তাদেরকে সম্মান আমাদের দেখাতে হবে। পদ তো সীমাবদ্ধ থাকে। তাই এখানে একটা ছাড় দেয়ার মানসিকতা থাকতে হবে এবং আমরা মনে করি আমাদের সেটি আছে।

রাশেদ খানের মতে, দুইটি দলকে একটা দলে রূপান্তরিত হতে হলে উভয় দলের মধ্যে ছাড় দেয়ার মানসিকতা দরকার। নেতৃত্বের জায়গায় এক ধরনের সমন্বয় দরকার, কাকে কোথায় রাখা হবে। এখন যদি একদমই ছাড় দেয়া না হয়, তাহলে তো একটি দলই হওয়া যায় না।

রাজনীতির মাঠে তারুণ্যের শক্তি এক হলে তৈরি হবে শক্তিশালী প্লাটফর্ম, এমন ভাবনা থেকেই এগিয়ে যাচ্ছে এনসিপি ও গণঅধিকার পরিষদ।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481