ঢাকা ০৬:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ Logo ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে স্কুলছাত্রের মৃত্যু Logo মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, না হলে এলাকা ছাড়ুন : এমপি আবু তালিব Logo ইরান সংঘাতে না জড়াতে চীনকে অনুরোধ করেছিলেন ট্রাম্প Logo প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

ইসলামী ব্যাংক নির্বাচনের আগে একটি দলকে ১১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:৫১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচনি বৈতরণী পার হতে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংকের একটি প্রকল্প থেকে ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৬৮ বিধির আওতায় আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি করেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আরডিএস নামে ইসলামী ব্যাংকের একটা ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প আছে যার মূল লক্ষ্য ৫, ১০ কিংবা ২০ হাজার টাকা ঋণ দেওয়া, এতে নারী গ্রাহকের সংখ্যাই বেশি।

মন্ত্রী বলেন, ভোটের আগে ১০ হাজার টাকা করে অনেক নারীকে দেওয়া হয়েছে। এক ভোটারকে জিজ্ঞেস করেছে আমার এক কর্মী, মা আপনি কোথায় ভোট দেবেন। তিনি বলছেন, ‘বাবা কুরআনের দলকে ভোট না দিলে তো জান্নাতে যাওয়া যাবে না। ১০ হাজার টাকাও দিয়েছে, বলেছে এটা মাফ হয়ে যাবে। আরও ১০ হাজার টাকা পাব’।

মন্ত্রী আরও বলেন, এভাবে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত পাওয়ার নিশ্চয়তাও দিয়েছে। এই আরডিএস প্রকল্পের মধ্যে ২২ হাজার কোটি টাকা ডিস্ট্রিবিউট হয়েছে। ১১ হাজার কোটি টাকা আগে দেওয়া হয়েছিল। ৫ আগস্টের পর নির্বাচনের বৈতরণী পার হওয়ার জন্য আরও ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। এর কোনো হদিস নাইা।

এছাড়া একটি শিল্প গ্রুপকে ৭০০ কোটি টাকা এবং আরেকটি গ্রুপকে প্রধান কার্যালয়ের অনুমতি ছাড়াই ৪০ কোটি টাকা লোন দেওয়ার মতো অনিয়ম হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি জানান, ব্যাংকটিতে কোনো আইন না মেনে প্রায় ৯ হাজার দক্ষ কর্মীকে নিয়মবহির্ভূতভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এর বিপরীতে ৬ হাজার নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যাদের রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে এবং ১৩ হাজার কর্মীকে অনিয়মিতভাবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

ইসলামী ব্যাংক নির্বাচনের আগে একটি দলকে ১১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৫১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

নির্বাচনি বৈতরণী পার হতে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংকের একটি প্রকল্প থেকে ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৬৮ বিধির আওতায় আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি করেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আরডিএস নামে ইসলামী ব্যাংকের একটা ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প আছে যার মূল লক্ষ্য ৫, ১০ কিংবা ২০ হাজার টাকা ঋণ দেওয়া, এতে নারী গ্রাহকের সংখ্যাই বেশি।

মন্ত্রী বলেন, ভোটের আগে ১০ হাজার টাকা করে অনেক নারীকে দেওয়া হয়েছে। এক ভোটারকে জিজ্ঞেস করেছে আমার এক কর্মী, মা আপনি কোথায় ভোট দেবেন। তিনি বলছেন, ‘বাবা কুরআনের দলকে ভোট না দিলে তো জান্নাতে যাওয়া যাবে না। ১০ হাজার টাকাও দিয়েছে, বলেছে এটা মাফ হয়ে যাবে। আরও ১০ হাজার টাকা পাব’।

মন্ত্রী আরও বলেন, এভাবে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত পাওয়ার নিশ্চয়তাও দিয়েছে। এই আরডিএস প্রকল্পের মধ্যে ২২ হাজার কোটি টাকা ডিস্ট্রিবিউট হয়েছে। ১১ হাজার কোটি টাকা আগে দেওয়া হয়েছিল। ৫ আগস্টের পর নির্বাচনের বৈতরণী পার হওয়ার জন্য আরও ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। এর কোনো হদিস নাইা।

এছাড়া একটি শিল্প গ্রুপকে ৭০০ কোটি টাকা এবং আরেকটি গ্রুপকে প্রধান কার্যালয়ের অনুমতি ছাড়াই ৪০ কোটি টাকা লোন দেওয়ার মতো অনিয়ম হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি জানান, ব্যাংকটিতে কোনো আইন না মেনে প্রায় ৯ হাজার দক্ষ কর্মীকে নিয়মবহির্ভূতভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এর বিপরীতে ৬ হাজার নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যাদের রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে এবং ১৩ হাজার কর্মীকে অনিয়মিতভাবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।