ঢাকা ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘স্থানীয় সরকার বিল পাস না হলে আ. লীগের মেয়রদের চেয়ারে বসার সুযোগ দিতে হবে’: প্রতিমন্ত্রী Logo বিএনপি ফ্যাসিজমের পথে: বিরোধীদলীয় নেতা Logo অতীতের চেয়ে এবারের হজ ব্যবস্থাপনা আরো সুষ্ঠু করতে হবে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ Logo আমরা কি সরকারি দলকে জিজ্ঞাসা করে ওয়াকআউট করব: তিনবার ওয়াকআউটের পর বিরোধীদলীয় নেতা Logo পয়লা বৈশাখে ভিন্নধর্মী সংস্কৃতি কাম্য নয়: শায়খ আহমাদুল্লাহ Logo যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের বিক্ষোভ Logo ১ ডলারের বিয়ার কক্সবাজারে ১৪০০ টাকা, কেন আসবেন বিদেশি পর্যটক Logo হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায়ে চীনা মুদ্রা নিচ্ছে ইরান Logo স্টুডেন্ট ভিসায় ধাক্কা, অর্ধেকের বেশি প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশি আবেদন Logo আমার রায় অবৈধ হলে অন্তর্বর্তী সরকারের সবকিছুই অবৈধ: ইশরাক

আমার রায় অবৈধ হলে অন্তর্বর্তী সরকারের সবকিছুই অবৈধ: ইশরাক

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৩৬:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার আদালতের রায়কে ‘অবৈধ’ বলা হলে অন্তর্বর্তী সরকারের সব সিদ্ধান্তও অবৈধ ঘোষণা করতে হবে বলে জাতীয় সংসদে দাবি করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

বৃহস্পতিবার সংসদে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বক্তব্যকে ঘিরে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের আপত্তির পর পয়েন্ট অব অর্ডারে এ নিয়ে আলোচনা হয়।

সিটি করপোরেশন বিলের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দিতে হয়।

তিনি ঢাকা দক্ষিণে বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথাও তুলে ধরেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইশরাক হোসেন মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন, নির্বাচন কমিশন থেকে গেজেট হয়েছিল। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে শপথ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকার হাই কোর্ট, সুপ্রিম কোর্টকে অবমাননা করে তা হতে দেয়নি।

আমাদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ সে সরকারের মন্ত্রিসভায় ছিলেন। কী বিশেষ পরিস্থিতিতে তাকে শপথ পড়ানো হয়নি?

প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরই পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়ান বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

নাহিদ ইসলাম বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী তার আগের বক্তব্যে একটি ‘অসত্য’ তথ্য দিয়েছেন, সেটি রেকর্ড থেকে সংশোধন করা দরকার।

তার ভাষায়, উনি বক্তব্যে বলেছেন, আমাদের একজন সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন একটি দাবিতে আন্দোলন করেছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে। উনি শেখ হাসিনার সময়কার অবৈধ নির্বাচনের বৈধ মেয়র হিসেবে নিজেকে ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছিলেন।

নাহিদ বলেন, ইশরাকের ওই আন্দোলন হয়েছিল ২০২৫ সালের মে মাসে। কিন্তু তিনি নিজে অন্তর্বর্তী সরকার থেকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহেই পদত্যাগ করেন। ফলে ওই সময়ের ঘটনার সঙ্গে তাকে যুক্ত করা ঠিক নয়।

তিনি বলেন, ওনার অসত্য তথ্যটি সংশোধন করার অনুরোধ রইল।

তার ভাষায়, ওই আন্দোলনের পরে ওনার মনে থাকার কথা, কারণ উনি যে ট্রফির কথা বলেছিলেন, ওই আন্দোলনের পরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস লন্ডনে গিয়ে সংসদ নেতার কাছে ট্রফিটি দিয়ে এসেছিলেন।

 

পরে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির অনুরোধে ডেপুটি স্পিকার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেন।

ইশরাক বলেন, যদি তাকে অবৈধ নির্বাচনের অবৈধ দাবিদার বলা হয়, তাহলে সেই সময়ের আপিল বিভাগের রায়ও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যায়।

তার ভাষায়, যে আদালতের রেফারেন্সের ভিত্তিতে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল, সে সরকারে আমাদের সংসদ সদস্যও শপথ নিয়েছিলেন। তাহলে বিগত সরকারের সবকিছু অবৈধ ঘোষণা করতে হবে।

তিনি বলেন, কারণ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাতজন বিচারপতির বেঞ্চে আমার রায়টি বহাল রাখা হয়েছিল। আমি এটার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

‘স্থানীয় সরকার বিল পাস না হলে আ. লীগের মেয়রদের চেয়ারে বসার সুযোগ দিতে হবে’: প্রতিমন্ত্রী

আমার রায় অবৈধ হলে অন্তর্বর্তী সরকারের সবকিছুই অবৈধ: ইশরাক

আপডেট সময় ১২:৩৬:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার আদালতের রায়কে ‘অবৈধ’ বলা হলে অন্তর্বর্তী সরকারের সব সিদ্ধান্তও অবৈধ ঘোষণা করতে হবে বলে জাতীয় সংসদে দাবি করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

বৃহস্পতিবার সংসদে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বক্তব্যকে ঘিরে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের আপত্তির পর পয়েন্ট অব অর্ডারে এ নিয়ে আলোচনা হয়।

সিটি করপোরেশন বিলের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দিতে হয়।

তিনি ঢাকা দক্ষিণে বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথাও তুলে ধরেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইশরাক হোসেন মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন, নির্বাচন কমিশন থেকে গেজেট হয়েছিল। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে শপথ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকার হাই কোর্ট, সুপ্রিম কোর্টকে অবমাননা করে তা হতে দেয়নি।

আমাদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ সে সরকারের মন্ত্রিসভায় ছিলেন। কী বিশেষ পরিস্থিতিতে তাকে শপথ পড়ানো হয়নি?

প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরই পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়ান বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

নাহিদ ইসলাম বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী তার আগের বক্তব্যে একটি ‘অসত্য’ তথ্য দিয়েছেন, সেটি রেকর্ড থেকে সংশোধন করা দরকার।

তার ভাষায়, উনি বক্তব্যে বলেছেন, আমাদের একজন সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন একটি দাবিতে আন্দোলন করেছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে। উনি শেখ হাসিনার সময়কার অবৈধ নির্বাচনের বৈধ মেয়র হিসেবে নিজেকে ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছিলেন।

নাহিদ বলেন, ইশরাকের ওই আন্দোলন হয়েছিল ২০২৫ সালের মে মাসে। কিন্তু তিনি নিজে অন্তর্বর্তী সরকার থেকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহেই পদত্যাগ করেন। ফলে ওই সময়ের ঘটনার সঙ্গে তাকে যুক্ত করা ঠিক নয়।

তিনি বলেন, ওনার অসত্য তথ্যটি সংশোধন করার অনুরোধ রইল।

তার ভাষায়, ওই আন্দোলনের পরে ওনার মনে থাকার কথা, কারণ উনি যে ট্রফির কথা বলেছিলেন, ওই আন্দোলনের পরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস লন্ডনে গিয়ে সংসদ নেতার কাছে ট্রফিটি দিয়ে এসেছিলেন।

 

পরে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির অনুরোধে ডেপুটি স্পিকার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেন।

ইশরাক বলেন, যদি তাকে অবৈধ নির্বাচনের অবৈধ দাবিদার বলা হয়, তাহলে সেই সময়ের আপিল বিভাগের রায়ও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যায়।

তার ভাষায়, যে আদালতের রেফারেন্সের ভিত্তিতে বিগত অন্তর্বর্তী সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল, সে সরকারে আমাদের সংসদ সদস্যও শপথ নিয়েছিলেন। তাহলে বিগত সরকারের সবকিছু অবৈধ ঘোষণা করতে হবে।

তিনি বলেন, কারণ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাতজন বিচারপতির বেঞ্চে আমার রায়টি বহাল রাখা হয়েছিল। আমি এটার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481