ঢাকা ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইনের শাসনের স্বার্থে সাংবাদিকদের আদালতে প্রবেশাধিকার দিতে হবে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৩১:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

দেশ, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের স্বার্থে সাংবাদিকদের আদালতে প্রবেশাধিকার দিতে হবে বলে মনে করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা। ভার্চুয়াল আদালতের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট এনেক্স ভবন প্রাঙ্গণে সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে এ কথা বলেন তারা।

বিক্ষোভ সমাবেশে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব বলেন, সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকারের সঙ্গে গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং রাইট টু ইনফরমেশন জড়িত। আমরা বলেছি, বিচার বিভাগের সুবিধার্থে সাংবাদিকদের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে প্রবেশাধিকার অবশ্যই লাগবে। কারণ প্রকৃত তথ্য সাংবাদিকরা না দিতে পারলেই গুজবের ডালপালা ছড়াবে। যা বিচার বিভাগ, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পরিপন্থি। গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের স্বার্থে সাংবাদিকদের আদালতে প্রবেশাধিকার দিতে হবে।

সৈয়দ মামুন মাহবুব আরও বলেন, সুপ্রিমকোর্টে ভার্চুয়াল কোর্টের আসলে কোনো যৌক্তিকতা নেই। ভার্চুয়াল কোর্ট করলেও না তেল সাশ্রয় হয় না, জ্বালানি সাশ্রয় হয় না। দেশে কোনো জরুরি অবস্থা নেই, জ্বালানির সংকট নেই। বরং একটা প্রচার হচ্ছে– এগুলোর মধ্য দিয়ে যারা লুকিয়ে আছে, যারা বারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল তাদেরকে ওকালতি করার সুযোগ দেওয়া কি না। আশা করি ভার্চুয়াল কোর্টের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হবে। যদি বুধবার ভার্চুয়াল কোর্ট আবারও চালু রাখে, তাহলে আইনজীবীদের কাছ থেকে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে আগামী ৫ মে প্রধান বিচারপতির কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। সেখানে সাংবাদিকদের কোর্টে প্রবেশাধিকারের বিষয়টিও থাকবে।

বক্তারা বলেন, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টে ভার্চুয়ালি কার্যক্রম পরিচালনা বিচারের নামে প্রহসন। এটা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন– সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শাহ আহমেদ বাদল অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান বিশ্বাস রায়হান, ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে প্রধান বিচারপতির নির্দেশে আপিল বিভাগে সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এরপর হাইকোর্ট বিভাগের কোনো কোনো বিচারকক্ষেও প্রবেশে বাধার সম্মুখীন হন গণমাধ্যমকর্মীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

জাতীয় ঐকমত্য ও গণভোটের বৈধতা নিয়ে মুখোমুখি সাকি-আখতার

আইনের শাসনের স্বার্থে সাংবাদিকদের আদালতে প্রবেশাধিকার দিতে হবে

আপডেট সময় ০১:৩১:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

দেশ, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের স্বার্থে সাংবাদিকদের আদালতে প্রবেশাধিকার দিতে হবে বলে মনে করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা। ভার্চুয়াল আদালতের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট এনেক্স ভবন প্রাঙ্গণে সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে এ কথা বলেন তারা।

বিক্ষোভ সমাবেশে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব বলেন, সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকারের সঙ্গে গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং রাইট টু ইনফরমেশন জড়িত। আমরা বলেছি, বিচার বিভাগের সুবিধার্থে সাংবাদিকদের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে প্রবেশাধিকার অবশ্যই লাগবে। কারণ প্রকৃত তথ্য সাংবাদিকরা না দিতে পারলেই গুজবের ডালপালা ছড়াবে। যা বিচার বিভাগ, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পরিপন্থি। গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের স্বার্থে সাংবাদিকদের আদালতে প্রবেশাধিকার দিতে হবে।

সৈয়দ মামুন মাহবুব আরও বলেন, সুপ্রিমকোর্টে ভার্চুয়াল কোর্টের আসলে কোনো যৌক্তিকতা নেই। ভার্চুয়াল কোর্ট করলেও না তেল সাশ্রয় হয় না, জ্বালানি সাশ্রয় হয় না। দেশে কোনো জরুরি অবস্থা নেই, জ্বালানির সংকট নেই। বরং একটা প্রচার হচ্ছে– এগুলোর মধ্য দিয়ে যারা লুকিয়ে আছে, যারা বারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল তাদেরকে ওকালতি করার সুযোগ দেওয়া কি না। আশা করি ভার্চুয়াল কোর্টের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হবে। যদি বুধবার ভার্চুয়াল কোর্ট আবারও চালু রাখে, তাহলে আইনজীবীদের কাছ থেকে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে আগামী ৫ মে প্রধান বিচারপতির কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। সেখানে সাংবাদিকদের কোর্টে প্রবেশাধিকারের বিষয়টিও থাকবে।

বক্তারা বলেন, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টে ভার্চুয়ালি কার্যক্রম পরিচালনা বিচারের নামে প্রহসন। এটা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন– সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শাহ আহমেদ বাদল অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান বিশ্বাস রায়হান, ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে প্রধান বিচারপতির নির্দেশে আপিল বিভাগে সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এরপর হাইকোর্ট বিভাগের কোনো কোনো বিচারকক্ষেও প্রবেশে বাধার সম্মুখীন হন গণমাধ্যমকর্মীরা।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481