ঢাকা ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

বিশ্বযুদ্ধ যেভাবে জন্ম দেয় ইনস্ট্যান্ট নুডলসের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:৩৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ৮৩ বার পড়া হয়েছে

হাতে সময় কম। ভাত কিংবা রুটির পরিবর্তে খেতে হবে কিছু। সমাধান ইনস্ট্যান্ট নুডলস।

এ বাস্তবতা এখন আর সুনির্দিষ্ট কোনো দেশ কিংবা সমাজের নয়; বিশ্বজুড়েই দেখা যায় এমন প্রবণতা।

জনপদ ও কালের গণ্ডি পেরোনো জনপ্রিয় এ খাবারের জন্য প্রতি বছরের ৬ অক্টোবর উদযাপন করা হয় ‘বিশ্ব নুডল দিবস’। এ দিবসে নুডলসের নানা দিকের সঙ্গে পরিচিত হলেও তার উৎপত্তির পেছনের কারণ হয়তো জানেন না অনেকে।

পাঠকদের জন্য সে তথ্য তুলে ধরেছে এনডিটিভি। সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিলাসবহুল কোনো রান্নাঘর থেকে নয়; বরং বিশ্বযুদ্ধোত্তর শোচনীয় পরিস্থিতি ও ক্ষুধার সমাধান হিসেবে হাজির হয় জনপ্রিয় ইনস্ট্যান্ট নুডলস।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও ইনস্ট্যান্ট নুডলস

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর চল্লিশের দশকের শেষের দিকে মারাত্মক খাদ্য সংকটে ভুগছিল জাপান। ভুক্তভোগীদের একজন ছিলেন তাইওয়ানি-জাপানি মমফুকু আন্দো (১৯১০-২০০৭)।

এক বাটি রামেনের—জনপ্রিয় জাপানি নুডলস স্যুপ—জন্য শীতের মধ্যে দীর্ঘ লাইনে লোকজনের দাঁড়িয়ে থাকা দাগ কাটে এ উদ্যোক্তার মনে। সে আবেগকে বাস্তবে রূপ দিতে ইনস্ট্যান্ট রামেনের যাত্রা শুরু করেন তিনি।

‘দ্য স্টোরি অব দ্য ইনভেনশন অব ইনস্ট্যান্ট রামেন’ নামের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থে—যা ২০০২ সালে প্রকাশ হয়—আন্দো নিজেকে বলা কথাটি—লোকজনের কাছে খাদ্য থাকলেই শান্তি আসবে—স্মরণ করেন।

গ্রন্থে তিনি লিখেন, ওই চিন্তা তার জীবনের নতুন উদ্দেশ্য—এমন খাবার উদ্ভাবন করা, যা যেকোনো বিত্ত কিংবা পরিস্থিতিতে থাকা মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে—তৈরি করে।

সাশ্রয়ী, সহজে তৈরি ও ভরপুর খাওয়ার উপযোগী একটি খাদ্য তৈরিকেই মিশন হিসেবে নিয়েছিলেন এ উদ্যোক্তা।

ইনস্ট্যান্ট নুডলসের প্রথম ব্যাচ

জাপানের ওসাকায় নিজ বাড়ির পেছনের ছোট্ট এক ছাউনিতে ইনস্ট্যান্ট নুডলস নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেন আন্দো। স্বল্প উপকরণ নিয়ে কয়েক মাস ধরে তার এ নিরলস প্রচেষ্টা আলোর মুখ দেখে ১৯৫৮ সালে। ওই বছর বাজারে আসে পরবর্তী দশকের পর দশক বিশ্বে সুদূরপ্রসারী প্রভাব রাখা ইনস্ট্যান্ট নুডলস ‘চিকেন রামেন’।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

বিশ্বযুদ্ধ যেভাবে জন্ম দেয় ইনস্ট্যান্ট নুডলসের

আপডেট সময় ০৯:৩৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

হাতে সময় কম। ভাত কিংবা রুটির পরিবর্তে খেতে হবে কিছু। সমাধান ইনস্ট্যান্ট নুডলস।

এ বাস্তবতা এখন আর সুনির্দিষ্ট কোনো দেশ কিংবা সমাজের নয়; বিশ্বজুড়েই দেখা যায় এমন প্রবণতা।

জনপদ ও কালের গণ্ডি পেরোনো জনপ্রিয় এ খাবারের জন্য প্রতি বছরের ৬ অক্টোবর উদযাপন করা হয় ‘বিশ্ব নুডল দিবস’। এ দিবসে নুডলসের নানা দিকের সঙ্গে পরিচিত হলেও তার উৎপত্তির পেছনের কারণ হয়তো জানেন না অনেকে।

পাঠকদের জন্য সে তথ্য তুলে ধরেছে এনডিটিভি। সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিলাসবহুল কোনো রান্নাঘর থেকে নয়; বরং বিশ্বযুদ্ধোত্তর শোচনীয় পরিস্থিতি ও ক্ষুধার সমাধান হিসেবে হাজির হয় জনপ্রিয় ইনস্ট্যান্ট নুডলস।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও ইনস্ট্যান্ট নুডলস

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর চল্লিশের দশকের শেষের দিকে মারাত্মক খাদ্য সংকটে ভুগছিল জাপান। ভুক্তভোগীদের একজন ছিলেন তাইওয়ানি-জাপানি মমফুকু আন্দো (১৯১০-২০০৭)।

এক বাটি রামেনের—জনপ্রিয় জাপানি নুডলস স্যুপ—জন্য শীতের মধ্যে দীর্ঘ লাইনে লোকজনের দাঁড়িয়ে থাকা দাগ কাটে এ উদ্যোক্তার মনে। সে আবেগকে বাস্তবে রূপ দিতে ইনস্ট্যান্ট রামেনের যাত্রা শুরু করেন তিনি।

‘দ্য স্টোরি অব দ্য ইনভেনশন অব ইনস্ট্যান্ট রামেন’ নামের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থে—যা ২০০২ সালে প্রকাশ হয়—আন্দো নিজেকে বলা কথাটি—লোকজনের কাছে খাদ্য থাকলেই শান্তি আসবে—স্মরণ করেন।

গ্রন্থে তিনি লিখেন, ওই চিন্তা তার জীবনের নতুন উদ্দেশ্য—এমন খাবার উদ্ভাবন করা, যা যেকোনো বিত্ত কিংবা পরিস্থিতিতে থাকা মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে—তৈরি করে।

সাশ্রয়ী, সহজে তৈরি ও ভরপুর খাওয়ার উপযোগী একটি খাদ্য তৈরিকেই মিশন হিসেবে নিয়েছিলেন এ উদ্যোক্তা।

ইনস্ট্যান্ট নুডলসের প্রথম ব্যাচ

জাপানের ওসাকায় নিজ বাড়ির পেছনের ছোট্ট এক ছাউনিতে ইনস্ট্যান্ট নুডলস নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেন আন্দো। স্বল্প উপকরণ নিয়ে কয়েক মাস ধরে তার এ নিরলস প্রচেষ্টা আলোর মুখ দেখে ১৯৫৮ সালে। ওই বছর বাজারে আসে পরবর্তী দশকের পর দশক বিশ্বে সুদূরপ্রসারী প্রভাব রাখা ইনস্ট্যান্ট নুডলস ‘চিকেন রামেন’।