ঢাকা ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo পদ্মা সেতুর পিলারের পাশে মাটি অপসারণে সেতুর ঝুঁকি নেই: সেতুমন্ত্রী Logo ‘আমরা ইরানে টাকা দিচ্ছি না, তবে অন্যরা চাইলে বিনিয়োগ করতে পারে’ Logo প্রবাসীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দিল কাতার, না মানলেই বিপদ Logo পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ডিআর কঙ্গোর ইতিহাস Logo গহীন অরণ্যে স্বস্তির আলো: ফ্যামিলি কার্ডে হাসছে বদনীভাঙ্গার নারীরা Logo ‘পঞ্চগড়ে ক্যান্টনমেন্ট চাই’, প্রধানমন্ত্রীর কাছে সারজিসের দাবি Logo পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না ইরান, পাবে বিপুল বিনিয়োগ Logo খালেদা জিয়ার বান্ধবী খালেদা রাব্বানীর বাসায় প্রধানমন্ত্রী Logo প্রথমার্ধ শেষে পর্তুগালের বিপক্ষে সমতায় ডিআর কঙ্গো Logo ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে ধ/র্ষণ, সংসদে বিতর্ক

কালো টাকা সাদা করার সুযোগ ফিরল, উৎস নিয়ে প্রশ্নও তোলা যাবে না

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৫৮:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় আসা বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে আবারও অপ্রদর্শিত আয় বা কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, নির্ধারিত কর পরিশোধ করে এ সুযোগ গ্রহণ করলে ওই অর্থের উৎস নিয়ে কোনো কর্তৃপক্ষ প্রশ্ন তুলতে পারবে না বলেও অর্থবিলে বিধান রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।বিভিন্ন মহল থেকে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ না রাখার কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের অর্থবিলে এ সংক্রান্ত বিধান রাখা হয়েছে।

২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট পাস হবে আগামী ৩০ জুন। অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার যে বিধান রাখা হয়েছে তা অপরিবর্তিত থাকলে আসছে জুলাই থেকে পরবর্তী জুন মাসের মধ্যে জমি, বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট কেনাবেচার ক্ষেত্রে এ সুযোগ মিলবে।

অর্থবিল অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত জমি, ভবন বা অ্যাপার্টমেন্ট কেনাবেচার ক্ষেত্রে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার সুযোগ পাওয়া যাবে। নির্ধারিত কর পরিশোধ করে এ সুবিধা নিলে অর্থের উৎস কিংবা পরিশোধিত কর নিয়ে কোনো ধরনের প্রশ্ন তোলা বা তদন্তমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না।

অর্থবিলের ভাষায় বলা হয়েছে, ‘এই আইন বা বাংলাদেশে প্রচলিত অন্য কোনো আইনে যা-ই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তি কর্তৃক স্বপ্রণোদিতভাবে প্রদর্শিত বিনিয়োগ, ক্রয় বা প্রাপ্তির উৎস এবং এর বিপরীতে পরিশোধিত কর বিষয়ে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন বা কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।’

নতুন বিধান অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি জমি, ভবন বা অ্যাপার্টমেন্টের প্রকৃত ক্রয়মূল্য দলিলমূল্যের চেয়ে বেশি দেখাতে চান, তাহলে ওই অতিরিক্ত অঙ্ককে অপ্রদর্শিত আয় হিসেবে ঘোষণা করে ব্যক্তিশ্রেণির জন্য প্রযোজ্য নিয়মিত আয়কর হারে কর পরিশোধ করতে হবে। অর্থাৎ প্রচলিত আয়কর স্ল্যাব অনুযায়ী কর দিয়ে তিনি ওই অর্থ বৈধ করতে পারবেন।

একই ধরনের সুযোগ রাখা হয়েছে বিক্রেতাদের জন্যও। কোনো করদাতা যদি জমি বা ভবন বিক্রয়ের ক্ষেত্রে দলিলমূল্যের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করে থাকেন, তবে সেই অপ্রদর্শিত অংশের ওপর মূলধনী মুনাফার জন্য প্রযোজ্য হারে কর পরিশোধ করে অর্থ বৈধ করতে পারবেন। বর্তমানে মূলধনী মুনাফার ওপর ১৫ শতাংশ হারে কর প্রযোজ্য।

তবে কিছু শর্তও আরোপ করা হয়েছে। কোনো করদাতার বিরুদ্ধে আয়কর আইনের আওতায় অডিট বা অন্য কোনো কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগে তিনি যদি স্বপ্রণোদিতভাবে অপ্রদর্শিত আয় ঘোষণা করেন, তাহলে নিয়মিত হারে কর পরিশোধ করেই সুবিধা পাবেন। কিন্তু কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর অর্থ বৈধ করতে চাইলে তাকে নির্ধারিত করের পাশাপাশি অতিরিক্ত ২০ শতাংশ কর দিতে হবে।

অর্থবিলে আরও বলা হয়েছে, অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করতে আগ্রহী ব্যক্তিকে আয়কর রিটার্নে জীবনযাপন-সংক্রান্ত ব্যয়ের বিবরণী এবং উৎসে কর্তিত বা সংগৃহীত করের তথ্য উল্লেখ করতে হবে। এর ভিত্তিতেই কর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিবেচনা করবে।

তবে কোনো ব্যক্তি যদি অপ্রদর্শিত আয় ঘোষণার আগেই আদালতে বিচারাধীন কোনো মামলায় অভিযুক্ত হন অথবা কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে তিনি এ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন না।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার একটি বিধান রাখা হয়েছিল। কিন্তু ব্যাপক সমালোচনার মুখে তা পরে প্রত্যাহার করা হয়। এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও বিভিন্ন সময়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল এবং সেসব ক্ষেত্রেও অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন না তোলার বিধান ছিল।

এদিকে প্রস্তাবিত বাজেটে এমন সুযোগ রাখার খবরে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলছে, কোনো ধরনের কর্তৃপক্ষের প্রশ্ন করার সুযোগ না রেখে ‘নিঃশর্ত ক্ষমা’ ঘোষণার মাধ্যমে কালো টাকা বৈধ করার উদ্যোগ দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক বৈধতা দেওয়ার শামিল।

সম্প্রতি এক বিবৃতিতে টিআইবি বলেছে, আবাসন খাতের স্থবিরতা দূর, শিল্প বিনিয়োগ বৃদ্ধি কিংবা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার অজুহাতে এ ধরনের সুযোগ দেওয়া আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। এটি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্নীতি ও অনিয়মকে স্বাভাবিক করে তোলার নামান্তর। সংস্থাটি কালো টাকা সাদা করার সুযোগ স্থায়ীভাবে বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে।

একই সঙ্গে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরাতে ‘সাধারণ ক্ষমা’ বা অ্যামনেস্টি দেওয়ার যে আলোচনা চলছে, সে ক্ষেত্রেও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ এবং কঠোর জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

পদ্মা সেতুর পিলারের পাশে মাটি অপসারণে সেতুর ঝুঁকি নেই: সেতুমন্ত্রী

কালো টাকা সাদা করার সুযোগ ফিরল, উৎস নিয়ে প্রশ্নও তোলা যাবে না

আপডেট সময় ০৫:৫৮:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় আসা বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে আবারও অপ্রদর্শিত আয় বা কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, নির্ধারিত কর পরিশোধ করে এ সুযোগ গ্রহণ করলে ওই অর্থের উৎস নিয়ে কোনো কর্তৃপক্ষ প্রশ্ন তুলতে পারবে না বলেও অর্থবিলে বিধান রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।বিভিন্ন মহল থেকে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ না রাখার কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের অর্থবিলে এ সংক্রান্ত বিধান রাখা হয়েছে।

২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট পাস হবে আগামী ৩০ জুন। অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার যে বিধান রাখা হয়েছে তা অপরিবর্তিত থাকলে আসছে জুলাই থেকে পরবর্তী জুন মাসের মধ্যে জমি, বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট কেনাবেচার ক্ষেত্রে এ সুযোগ মিলবে।

অর্থবিল অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত জমি, ভবন বা অ্যাপার্টমেন্ট কেনাবেচার ক্ষেত্রে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার সুযোগ পাওয়া যাবে। নির্ধারিত কর পরিশোধ করে এ সুবিধা নিলে অর্থের উৎস কিংবা পরিশোধিত কর নিয়ে কোনো ধরনের প্রশ্ন তোলা বা তদন্তমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না।

অর্থবিলের ভাষায় বলা হয়েছে, ‘এই আইন বা বাংলাদেশে প্রচলিত অন্য কোনো আইনে যা-ই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তি কর্তৃক স্বপ্রণোদিতভাবে প্রদর্শিত বিনিয়োগ, ক্রয় বা প্রাপ্তির উৎস এবং এর বিপরীতে পরিশোধিত কর বিষয়ে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন বা কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।’

নতুন বিধান অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি জমি, ভবন বা অ্যাপার্টমেন্টের প্রকৃত ক্রয়মূল্য দলিলমূল্যের চেয়ে বেশি দেখাতে চান, তাহলে ওই অতিরিক্ত অঙ্ককে অপ্রদর্শিত আয় হিসেবে ঘোষণা করে ব্যক্তিশ্রেণির জন্য প্রযোজ্য নিয়মিত আয়কর হারে কর পরিশোধ করতে হবে। অর্থাৎ প্রচলিত আয়কর স্ল্যাব অনুযায়ী কর দিয়ে তিনি ওই অর্থ বৈধ করতে পারবেন।

একই ধরনের সুযোগ রাখা হয়েছে বিক্রেতাদের জন্যও। কোনো করদাতা যদি জমি বা ভবন বিক্রয়ের ক্ষেত্রে দলিলমূল্যের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করে থাকেন, তবে সেই অপ্রদর্শিত অংশের ওপর মূলধনী মুনাফার জন্য প্রযোজ্য হারে কর পরিশোধ করে অর্থ বৈধ করতে পারবেন। বর্তমানে মূলধনী মুনাফার ওপর ১৫ শতাংশ হারে কর প্রযোজ্য।

তবে কিছু শর্তও আরোপ করা হয়েছে। কোনো করদাতার বিরুদ্ধে আয়কর আইনের আওতায় অডিট বা অন্য কোনো কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগে তিনি যদি স্বপ্রণোদিতভাবে অপ্রদর্শিত আয় ঘোষণা করেন, তাহলে নিয়মিত হারে কর পরিশোধ করেই সুবিধা পাবেন। কিন্তু কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর অর্থ বৈধ করতে চাইলে তাকে নির্ধারিত করের পাশাপাশি অতিরিক্ত ২০ শতাংশ কর দিতে হবে।

অর্থবিলে আরও বলা হয়েছে, অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করতে আগ্রহী ব্যক্তিকে আয়কর রিটার্নে জীবনযাপন-সংক্রান্ত ব্যয়ের বিবরণী এবং উৎসে কর্তিত বা সংগৃহীত করের তথ্য উল্লেখ করতে হবে। এর ভিত্তিতেই কর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিবেচনা করবে।

তবে কোনো ব্যক্তি যদি অপ্রদর্শিত আয় ঘোষণার আগেই আদালতে বিচারাধীন কোনো মামলায় অভিযুক্ত হন অথবা কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে তিনি এ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন না।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার একটি বিধান রাখা হয়েছিল। কিন্তু ব্যাপক সমালোচনার মুখে তা পরে প্রত্যাহার করা হয়। এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও বিভিন্ন সময়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল এবং সেসব ক্ষেত্রেও অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন না তোলার বিধান ছিল।

এদিকে প্রস্তাবিত বাজেটে এমন সুযোগ রাখার খবরে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলছে, কোনো ধরনের কর্তৃপক্ষের প্রশ্ন করার সুযোগ না রেখে ‘নিঃশর্ত ক্ষমা’ ঘোষণার মাধ্যমে কালো টাকা বৈধ করার উদ্যোগ দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক বৈধতা দেওয়ার শামিল।

সম্প্রতি এক বিবৃতিতে টিআইবি বলেছে, আবাসন খাতের স্থবিরতা দূর, শিল্প বিনিয়োগ বৃদ্ধি কিংবা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার অজুহাতে এ ধরনের সুযোগ দেওয়া আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। এটি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্নীতি ও অনিয়মকে স্বাভাবিক করে তোলার নামান্তর। সংস্থাটি কালো টাকা সাদা করার সুযোগ স্থায়ীভাবে বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে।

একই সঙ্গে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরাতে ‘সাধারণ ক্ষমা’ বা অ্যামনেস্টি দেওয়ার যে আলোচনা চলছে, সে ক্ষেত্রেও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ এবং কঠোর জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি।