উল্লেখ্য, এর আগে দীঘিনালা সেনা জোনের সহযোগিতায় ৬৭ জন সফল অপারেশন শেষে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে তারা সুষ্ঠুভাবে পৃথিবীর আলো উপভোগ করছেন।
৭ মে থেকে ১২ মে ২০২৬ পর্যন্ত ২৪ পদাতিক ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের আওতাধীন মহালছড়ি সেনা জোনের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত এক হাজার পাহাড়ি-বাঙালি নারী ও পুরুষকে চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি ১২৭ জনের চোখের ছানি অপারেশনের জন্য তালিকাভুক্ত ও শতাধিক ব্যক্তিকে বিনামূল্যে চশমা প্রদান করা হয়।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার অনেক এলাকা দুর্গম হওয়ায় সেখানে চিকিৎসকদের জন্য চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া কঠিন। সেনাবাহিনীই দুর্গম এলাকায় একমাত্র ভরসা।
মহালছড়ি জোনের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ক্যাপ্টেন বোরহান উদ্দিন বায়েজিদ বলেন, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ থেকে এ উদ্যোগ। চিকিৎসার পর রোগী ও তাদের স্বজনদের হাসিমুখ এটাই আমাদের সার্থকতা।
মহালছড়ি সেনা জোন শুধু চিকিৎসাসেবাই করেননি, বরং ৮৪ জন মানুষের জীবনে ফিরিয়ে দিয়েছেন নতুন আশা ও নতুন সম্ভাবনা।

নিজস্ব সংবাদ : 


























