ঢাকা ০৬:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ Logo ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে স্কুলছাত্রের মৃত্যু Logo মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, না হলে এলাকা ছাড়ুন : এমপি আবু তালিব Logo ইরান সংঘাতে না জড়াতে চীনকে অনুরোধ করেছিলেন ট্রাম্প Logo প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

‘আর্থিক সংকটে চিকিৎসা হতো না’: সেনাবাহিনীর কল্যাণে দৃষ্টি ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত উপকারভোগীরা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:২০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে
দৃষ্টিহীনদের পাশে আলো হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মহালছড়ি জোন। পৃথিবীর আলো নতুন করে দেখতে পাচ্ছে খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলার ৮৪ জন পাহাড়ি-বাঙালি নারী ও পুরুষ।

এখন দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়াদের দোয়া ও প্রশংসায় ভাসছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা। 

উল্লেখ্য, এর আগে দীঘিনালা সেনা জোনের সহযোগিতায় ৬৭ জন সফল অপারেশন শেষে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে তারা সুষ্ঠুভাবে পৃথিবীর আলো উপভোগ করছেন।

৭ মে থেকে ১২ মে ২০২৬ পর্যন্ত ২৪ পদাতিক ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের আওতাধীন মহালছড়ি সেনা জোনের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত এক হাজার পাহাড়ি-বাঙালি নারী ও পুরুষকে চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি ১২৭ জনের চোখের ছানি অপারেশনের জন্য তালিকাভুক্ত ও শতাধিক ব্যক্তিকে বিনামূল্যে চশমা প্রদান করা হয়।

পরবর্তী ধাপে চোখের অপারেশনের আগ্রহী ৮৪ জন পাহাড়ি-বাঙালি নারী ও পুরুষকে অপারেশনসহ উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ক্ষেত্রে মহালছড়ি সেনা জোন রোগীদের আসা-যাওয়া খাওয়াসহ যাবতীয় খরচ বহন করেন। চোখের আলো ফিরে পেয়ে তারা সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
 

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার অনেক এলাকা দুর্গম হওয়ায় সেখানে চিকিৎসকদের জন্য চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া কঠিন। সেনাবাহিনীই দুর্গম এলাকায় একমাত্র ভরসা।

মহালছড়ি জোনের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ক্যাপ্টেন বোরহান উদ্দিন বায়েজিদ বলেন, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ থেকে এ উদ্যোগ। চিকিৎসার পর রোগী ও তাদের স্বজনদের হাসিমুখ এটাই আমাদের সার্থকতা।

মহালছড়ি সেনা জোন শুধু চিকিৎসাসেবাই করেননি, বরং ৮৪ জন মানুষের জীবনে ফিরিয়ে দিয়েছেন নতুন আশা ও নতুন সম্ভাবনা।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের জনহিতকর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান মহালছড়ি জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. আল-জাবির আসিফ।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

‘আর্থিক সংকটে চিকিৎসা হতো না’: সেনাবাহিনীর কল্যাণে দৃষ্টি ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত উপকারভোগীরা

আপডেট সময় ০১:২০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
দৃষ্টিহীনদের পাশে আলো হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মহালছড়ি জোন। পৃথিবীর আলো নতুন করে দেখতে পাচ্ছে খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলার ৮৪ জন পাহাড়ি-বাঙালি নারী ও পুরুষ।

এখন দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়াদের দোয়া ও প্রশংসায় ভাসছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা। 

উল্লেখ্য, এর আগে দীঘিনালা সেনা জোনের সহযোগিতায় ৬৭ জন সফল অপারেশন শেষে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে তারা সুষ্ঠুভাবে পৃথিবীর আলো উপভোগ করছেন।

৭ মে থেকে ১২ মে ২০২৬ পর্যন্ত ২৪ পদাতিক ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের আওতাধীন মহালছড়ি সেনা জোনের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত এক হাজার পাহাড়ি-বাঙালি নারী ও পুরুষকে চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি ১২৭ জনের চোখের ছানি অপারেশনের জন্য তালিকাভুক্ত ও শতাধিক ব্যক্তিকে বিনামূল্যে চশমা প্রদান করা হয়।

পরবর্তী ধাপে চোখের অপারেশনের আগ্রহী ৮৪ জন পাহাড়ি-বাঙালি নারী ও পুরুষকে অপারেশনসহ উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ক্ষেত্রে মহালছড়ি সেনা জোন রোগীদের আসা-যাওয়া খাওয়াসহ যাবতীয় খরচ বহন করেন। চোখের আলো ফিরে পেয়ে তারা সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। অনেকে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
 

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার অনেক এলাকা দুর্গম হওয়ায় সেখানে চিকিৎসকদের জন্য চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া কঠিন। সেনাবাহিনীই দুর্গম এলাকায় একমাত্র ভরসা।

মহালছড়ি জোনের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ক্যাপ্টেন বোরহান উদ্দিন বায়েজিদ বলেন, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ থেকে এ উদ্যোগ। চিকিৎসার পর রোগী ও তাদের স্বজনদের হাসিমুখ এটাই আমাদের সার্থকতা।

মহালছড়ি সেনা জোন শুধু চিকিৎসাসেবাই করেননি, বরং ৮৪ জন মানুষের জীবনে ফিরিয়ে দিয়েছেন নতুন আশা ও নতুন সম্ভাবনা।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের জনহিতকর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান মহালছড়ি জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. আল-জাবির আসিফ।