ঢাকা ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ Logo ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে স্কুলছাত্রের মৃত্যু Logo মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, না হলে এলাকা ছাড়ুন : এমপি আবু তালিব Logo ইরান সংঘাতে না জড়াতে চীনকে অনুরোধ করেছিলেন ট্রাম্প Logo প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

বর্তমান সরকার আওয়ামী লীগের লাশকেও ভয় পায়: হাছান মাহমুদ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৩৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
বর্তমান সরকার আওয়ামী লীগের লাশকেও ভয় পায় বলে মন্তব্য করেছেন বিদেশে অবস্থানরত নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতা হাছান মাহমুদ। দলটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের জানাজার বিষয় উল্লেখ করে সম্প্রতি তিনি এ মন্তব্য করেন।

গণমাধ্যমকে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের প্রিয় নেতা তোফায়েল ভাই বাংলাদেশের কিংবদন্তি নেতা ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধিকার আদায়ের আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা সংগ্রাম, পরবর্তী দেশ পুনর্গঠন, দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি সবকিছুতেই তার অসামান্য অবদান ছিল। বাংলাদেশ রাষ্ট্র সৃষ্টির সঙ্গে যে মানুষগুলোর নাম জড়িয়ে আছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন তিনি।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তিনি (তোফায়েল আহমেদ) স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদান রেখেছিলেন। ৯ বারের সংসদ সদস্য ছিলেন এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় নেতা ছিলেন তোফায়েল ভাই। কিন্তু আমরা দেখেছি, অত্যন্ত ন্যক্কারজনকভাবে ঢাকায় তার জানাজাস্থল থেকে অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তীতে ভোলায় নেওয়ার আগে সেখানে ছাত্রদল-যুবদল বিক্ষোভ প্রদর্শন ও মাঠে জানাজা করতে না দেওয়ার ঘোষণা দেয়। যদিও সব বাধা অতিক্রম করে মাঠে বিশাল জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। যদি বাধা-বিপত্তি তৈরি করা না হতো, আরও লাখ লাখ লোকের সমাগম হতো সেখানে। ঢাকায়ও একই অবস্থা হতো।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা লক্ষ করলাম, একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং গণভবন লুটপাটের সঙ্গে যারা জড়িত ছিল; তাদের লাশও শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অথচ তোফায়েল ভাইয়ের লাশ শহীদ মিনারে নেওয়ার জন্য অনেকে ইচ্ছা প্রকাশ করলেও সরকারের পক্ষ থেকে অনুমতি দেওয়া হয়নি, বরং শহীদ মিনারে পুলিশ পাহারা বসানো হয়। একজন আওয়ামী লীগ নেতার লাশকেও যে তারা (সরকার) ভয় পায়, সেটি তোফায়েল ভাইয়ের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে আমরা দেখতে পেলাম।’

তিনি বলেন, ‘এই প্রতিহিংসার রাজনীতি এবং সাংঘর্ষিক রাজনীতির চিরঅবসান হওয়া প্রয়োজন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সবাই রাজনীতি করব। কিন্তু আমাদের সামাজিক মেলবন্ধন ঠিক থাকবে। সেটি হওয়া উচিত। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, মোশাররফ ভাইয়ের জানাজার পরও সেখান থেকে অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তোফায়েল ভাইয়ের জানাজা অনুষ্ঠানে বাধা তৈরি করা হয়েছে। সেখানেও অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

বর্তমান সরকার আওয়ামী লীগের লাশকেও ভয় পায়: হাছান মাহমুদ

আপডেট সময় ০৬:৩৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
বর্তমান সরকার আওয়ামী লীগের লাশকেও ভয় পায় বলে মন্তব্য করেছেন বিদেশে অবস্থানরত নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতা হাছান মাহমুদ। দলটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের জানাজার বিষয় উল্লেখ করে সম্প্রতি তিনি এ মন্তব্য করেন।

গণমাধ্যমকে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের প্রিয় নেতা তোফায়েল ভাই বাংলাদেশের কিংবদন্তি নেতা ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধিকার আদায়ের আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা সংগ্রাম, পরবর্তী দেশ পুনর্গঠন, দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি সবকিছুতেই তার অসামান্য অবদান ছিল। বাংলাদেশ রাষ্ট্র সৃষ্টির সঙ্গে যে মানুষগুলোর নাম জড়িয়ে আছে, তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন তিনি।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তিনি (তোফায়েল আহমেদ) স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদান রেখেছিলেন। ৯ বারের সংসদ সদস্য ছিলেন এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় নেতা ছিলেন তোফায়েল ভাই। কিন্তু আমরা দেখেছি, অত্যন্ত ন্যক্কারজনকভাবে ঢাকায় তার জানাজাস্থল থেকে অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তীতে ভোলায় নেওয়ার আগে সেখানে ছাত্রদল-যুবদল বিক্ষোভ প্রদর্শন ও মাঠে জানাজা করতে না দেওয়ার ঘোষণা দেয়। যদিও সব বাধা অতিক্রম করে মাঠে বিশাল জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। যদি বাধা-বিপত্তি তৈরি করা না হতো, আরও লাখ লাখ লোকের সমাগম হতো সেখানে। ঢাকায়ও একই অবস্থা হতো।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা লক্ষ করলাম, একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং গণভবন লুটপাটের সঙ্গে যারা জড়িত ছিল; তাদের লাশও শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অথচ তোফায়েল ভাইয়ের লাশ শহীদ মিনারে নেওয়ার জন্য অনেকে ইচ্ছা প্রকাশ করলেও সরকারের পক্ষ থেকে অনুমতি দেওয়া হয়নি, বরং শহীদ মিনারে পুলিশ পাহারা বসানো হয়। একজন আওয়ামী লীগ নেতার লাশকেও যে তারা (সরকার) ভয় পায়, সেটি তোফায়েল ভাইয়ের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে আমরা দেখতে পেলাম।’

তিনি বলেন, ‘এই প্রতিহিংসার রাজনীতি এবং সাংঘর্ষিক রাজনীতির চিরঅবসান হওয়া প্রয়োজন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সবাই রাজনীতি করব। কিন্তু আমাদের সামাজিক মেলবন্ধন ঠিক থাকবে। সেটি হওয়া উচিত। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, মোশাররফ ভাইয়ের জানাজার পরও সেখান থেকে অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তোফায়েল ভাইয়ের জানাজা অনুষ্ঠানে বাধা তৈরি করা হয়েছে। সেখানেও অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’