ঢাকা ১২:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo এই চেয়ারে বসলে প্রতিমুহূর্তে আমি তপ্ত হিট অনুভব করি: প্রধানমন্ত্রী Logo প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্মানি বাড়ানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo বিদেশ ভ্রমণে অতিরিক্ত সচিবরা আর ‘বিজনেস ক্লাস’ পাবেন না Logo বজ্রপাত নিয়ে জেনে রাখুন— ১০ জরুরি বিষয় Logo ঢাকা আইনজীবী সমিতি নির্বাচন : ভোট পড়েনি ৬৬ শতাংশ Logo লেবাননের ১০ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে ইসরায়েলি বাহিনী Logo বিআরটিএ অফিসে চাঁদা দাবির অভিযোগ, বৈষম্যবিরোধী নেতা আটক Logo আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে নাহিদ ইসলামের শুভেচ্ছা Logo ‘সংস্কারের বাহানায় যদি নির্বাচন না দেয়, তাই আপস করে জুলাই সনদে সই করেছি’ Logo সাবেক চেয়ারম্যান কর্তৃক সাংবাদিক অপহরণ ও নির্যাতনের ঘটনায় ন্যায় বিচার চায় ফরিদুল ইসলাম

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্মানি বাড়ানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:২৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্মানি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে তিনি এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, আমরা শিশুদের শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের ব্যাগ, ড্রেস, জুতা দেওয়ার ব্যবস্থা করছি। প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকদের সম্মানি বাড়ানোর ব্যবস্থা করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার, জবাবদিহিমূলক সরকার। সেই কারণেই দ্রুততার সঙ্গে যেখানেই সমস্যা হোক ব্যবস্থা করতে চেষ্টা করেছি।

তিনি বলেন, বেশকিছু অঞ্চল ভারী বর্ষণে কৃষি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে নির্দেশনা দিয়েছিলাম, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করার জন্য। আমাদের প্রথম দায়িত্বই হচ্ছে, জনগণের দেখভাল করা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সংকটের তাপ বাংলাদেশেও লেগেছে। মানুষ কষ্ট পেয়েছে। এই সংকট নিরসনে বিরোধীদলের প্রস্তাব মেনে যৌথ কমিটি গঠন করেছি। উভয় পক্ষ বসে নিশ্চয় এই সমস্যা সমাধান করতে পারবো।

তারেক রহমান বলেন, বাধ্য হয়ে বিদেশে অনেকদিন থাকতে হয়েছে। এর আগে দেশে থাকতে দলীয় কাজে সারাদেশ সফর করেছি। তখন মনে হয়েছে, পরিকল্পনা সফল করতে হলে নারীদের অবজ্ঞা করে পেছনে ফেলে রাখলে দেশের উন্নয়ন হবে না। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ফ্রি করেছিলাম। স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ভালো ফলাফল করলে উপবৃত্তির ব্যবস্থা করা হবে।

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের টাকাকে ইনভেস্টমেন্ট হিসেবে দেখতে হবে। আর ইনভেস্ট করলে এর রিটার্ন আসবে। এর মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে ধীরে ধীরে সমৃদ্ধ করে তুলবো।

তারেক রহমান বলেন, যারা আন্দোলন করেছেন, কেন করেছেন? আরেক জনের ব্যক্তি স্বাধীনতার ওপর সম্মান রেখে মুক্তভাবে কথা বলা, নিজ যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থান পাবে এমন প্রত্যাশা ছিল তাদের।

কৃষক কার্ড নিয়ে তিনি বলেন, কৃষকদের দুর্দশা দূর করতেই কৃষক কার্ড। সব কৃষকের কাছে আমরা ধীরে ধীরে পৌঁছাবো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকগুলো বিল পাস করেছি। যা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে, তা নিয়ে বিরোধী দলের সাথে বসবো। দেশের স্বার্থে সমাধান করবো।

তিনি বলেন, বিরোধী দলকে ডেপুটি স্পিকার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। তারা তাদের পলিসির কারণে নেননি। এই প্রস্তাব এখনো ওপেন আছে।

তারেক রহমান বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা এবং নাহিদ ইসলানের বাসায় যেয়ে দেশ পরিচালনায় সহযোগিতা চেয়েছি।

তিনি বলেন, সমগ্র বাংলাদেশ এই সংসদে একটি সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশের জন্য তাকিয়ে আছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলছি, একসঙ্গে কাজ করবো। বিভিন্ন সময় গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান বাধাগ্রস্ত হয়েছে। মানুষ শান্তি চায়, নিরাপদ রাস্তা চায়, কর্মসংস্থান চায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতিহাস নিয়ে অনেক ডিবেট করেছি। এই ডিবেট হামের অসুস্থ বাচ্চার মায়ের মন শান্ত করতে পারবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই চেয়ারটি মোটেও আরামদায়ক নয়। এখানে বসে মনে হয় আগুনের গরম আসছে। এই চেয়ার আমাকে বলে, আমি সবসময় পপুলার কথা বলতে পারি না। এই চেয়ার আমাকে প্রতিমুহূর্তে মনে করিয়ে দেয় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে, পপুলার সিদ্ধান্ত না।

তিনি বলেন, আগামী অধিবেশনে দ্রুত বিদ্যুতের সমস্যা সমাধানে আলোচনা করতে চাই। কর্মসংস্থান নিয়ে আলোচনা করতে চাই। শিক্ষা এবং চিকিৎসা সুবিধা নিয়ে আলোচনা করতে চাই।

তারেক রহমান বলেন, ৩০ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ মাথায় নিয়ে এই সংসদ শুরু করেছি। স্ট্যাবল সংসদ এবং সরকার প্রতিষ্ঠা না করতে পারলে এই দেশকে সামনে নিয়ে যেতে পারবো না। দেশকে সামনে নিয়ে উভয় পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে সরকারকে ব্যর্থ করার জন্য ১৭৩ দিন হরতাল ডাকা হয়েছিল। হয়তো সেই সরকার ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। কিন্তু দেশের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যা বছরের পর বছর যুগের পর যুগ টানতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা উভয় পক্ষ কেউ কাউকে ব্যর্থ করতে চাইবো না। আমরা যে কোনো একজন ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ ব্যর্থ হবে। আমরা এখানে কেউ ব্যর্থ বাংলাদেশ দেখতে চাই না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

এই চেয়ারে বসলে প্রতিমুহূর্তে আমি তপ্ত হিট অনুভব করি: প্রধানমন্ত্রী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্মানি বাড়ানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ১০:২৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্মানি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে তিনি এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, আমরা শিশুদের শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের ব্যাগ, ড্রেস, জুতা দেওয়ার ব্যবস্থা করছি। প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকদের সম্মানি বাড়ানোর ব্যবস্থা করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার, জবাবদিহিমূলক সরকার। সেই কারণেই দ্রুততার সঙ্গে যেখানেই সমস্যা হোক ব্যবস্থা করতে চেষ্টা করেছি।

তিনি বলেন, বেশকিছু অঞ্চল ভারী বর্ষণে কৃষি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে নির্দেশনা দিয়েছিলাম, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করার জন্য। আমাদের প্রথম দায়িত্বই হচ্ছে, জনগণের দেখভাল করা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সংকটের তাপ বাংলাদেশেও লেগেছে। মানুষ কষ্ট পেয়েছে। এই সংকট নিরসনে বিরোধীদলের প্রস্তাব মেনে যৌথ কমিটি গঠন করেছি। উভয় পক্ষ বসে নিশ্চয় এই সমস্যা সমাধান করতে পারবো।

তারেক রহমান বলেন, বাধ্য হয়ে বিদেশে অনেকদিন থাকতে হয়েছে। এর আগে দেশে থাকতে দলীয় কাজে সারাদেশ সফর করেছি। তখন মনে হয়েছে, পরিকল্পনা সফল করতে হলে নারীদের অবজ্ঞা করে পেছনে ফেলে রাখলে দেশের উন্নয়ন হবে না। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ফ্রি করেছিলাম। স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ভালো ফলাফল করলে উপবৃত্তির ব্যবস্থা করা হবে।

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের টাকাকে ইনভেস্টমেন্ট হিসেবে দেখতে হবে। আর ইনভেস্ট করলে এর রিটার্ন আসবে। এর মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে ধীরে ধীরে সমৃদ্ধ করে তুলবো।

তারেক রহমান বলেন, যারা আন্দোলন করেছেন, কেন করেছেন? আরেক জনের ব্যক্তি স্বাধীনতার ওপর সম্মান রেখে মুক্তভাবে কথা বলা, নিজ যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থান পাবে এমন প্রত্যাশা ছিল তাদের।

কৃষক কার্ড নিয়ে তিনি বলেন, কৃষকদের দুর্দশা দূর করতেই কৃষক কার্ড। সব কৃষকের কাছে আমরা ধীরে ধীরে পৌঁছাবো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকগুলো বিল পাস করেছি। যা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে, তা নিয়ে বিরোধী দলের সাথে বসবো। দেশের স্বার্থে সমাধান করবো।

তিনি বলেন, বিরোধী দলকে ডেপুটি স্পিকার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। তারা তাদের পলিসির কারণে নেননি। এই প্রস্তাব এখনো ওপেন আছে।

তারেক রহমান বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা এবং নাহিদ ইসলানের বাসায় যেয়ে দেশ পরিচালনায় সহযোগিতা চেয়েছি।

তিনি বলেন, সমগ্র বাংলাদেশ এই সংসদে একটি সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশের জন্য তাকিয়ে আছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলছি, একসঙ্গে কাজ করবো। বিভিন্ন সময় গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান বাধাগ্রস্ত হয়েছে। মানুষ শান্তি চায়, নিরাপদ রাস্তা চায়, কর্মসংস্থান চায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতিহাস নিয়ে অনেক ডিবেট করেছি। এই ডিবেট হামের অসুস্থ বাচ্চার মায়ের মন শান্ত করতে পারবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই চেয়ারটি মোটেও আরামদায়ক নয়। এখানে বসে মনে হয় আগুনের গরম আসছে। এই চেয়ার আমাকে বলে, আমি সবসময় পপুলার কথা বলতে পারি না। এই চেয়ার আমাকে প্রতিমুহূর্তে মনে করিয়ে দেয় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে, পপুলার সিদ্ধান্ত না।

তিনি বলেন, আগামী অধিবেশনে দ্রুত বিদ্যুতের সমস্যা সমাধানে আলোচনা করতে চাই। কর্মসংস্থান নিয়ে আলোচনা করতে চাই। শিক্ষা এবং চিকিৎসা সুবিধা নিয়ে আলোচনা করতে চাই।

তারেক রহমান বলেন, ৩০ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ মাথায় নিয়ে এই সংসদ শুরু করেছি। স্ট্যাবল সংসদ এবং সরকার প্রতিষ্ঠা না করতে পারলে এই দেশকে সামনে নিয়ে যেতে পারবো না। দেশকে সামনে নিয়ে উভয় পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে সরকারকে ব্যর্থ করার জন্য ১৭৩ দিন হরতাল ডাকা হয়েছিল। হয়তো সেই সরকার ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। কিন্তু দেশের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যা বছরের পর বছর যুগের পর যুগ টানতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা উভয় পক্ষ কেউ কাউকে ব্যর্থ করতে চাইবো না। আমরা যে কোনো একজন ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ ব্যর্থ হবে। আমরা এখানে কেউ ব্যর্থ বাংলাদেশ দেখতে চাই না।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481