ঢাকা ১১:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তায় নতুন প্ল্যাটফর্ম: একসঙ্গে তুরস্ক, সৌদি আরব, মিসর ও পাকিস্তান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৪৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
  • ৪৯ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে নতুন এক কৌশলগত নিরাপত্তা প্ল্যাটফর্ম গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে তুরস্ক, সৌদি আরব, মিসর এবং পাকিস্তান। গত বৃহস্পতিবার রিয়াদ-এ ইসলামি দেশগুলোর এক সম্মেলনের ফাঁকে চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠকে মিলিত হয়ে এই উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেন।

সূত্র জানায়, এটি ন্যাটো-এর মতো কোনো আনুষ্ঠানিক সামরিক জোট নয়; বরং প্রতিরক্ষা শিল্প, প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়াতে একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। বৈঠকে প্রথমবারের মতো সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত সক্ষমতা একীভূত করার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হয়।

এই উদ্যোগের পেছনে গত বছর থেকেই সক্রিয় ছিল তুরস্ক, যারা পাকিস্তান ও সৌদি আরব-এর সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছিল এবং পরবর্তীতে এতে মিসর-কে যুক্ত করার উদ্যোগ নেয়।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, আঞ্চলিক শক্তিগুলোর নিজেদের সমস্যার সমাধান নিজেরাই করা উচিত। তিনি সতর্ক করে বলেন, একজোট না হলে বাইরের শক্তি নিজেদের স্বার্থে সমাধান চাপিয়ে দিতে পারে। তিনি পারস্পরিক আস্থা, অভিন্ন অবস্থান এবং নির্দিষ্ট ইস্যুতে যৌথ কাজের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনা নিয়েও আলোচনা হয়, বিশেষ করে ইরান-কে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর হামলা এবং এর প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে। যদিও তুরস্ক ইসরায়েলকে উত্তেজনার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখে, যৌথ বিবৃতিতে উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের হামলার সমালোচনা করা হয়েছে।

এই সম্ভাব্য প্ল্যাটফর্মে চার দেশের ভিন্ন ভিন্ন শক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে— উন্নত ড্রোন ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে তুরস্ক, পারমাণবিক সক্ষমতায় পাকিস্তান, অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত বিনিয়োগে সৌদি আরব এবং বৃহৎ সামরিক উপস্থিতিতে মিসর।

সম্প্রতি রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান-এর কায়রো সফরে তুরস্ক ও মিসর-এর মধ্যে একটি সামরিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। একইসঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘মেকানিক্যাল অ্যান্ড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি করপোরেশন’ মিসরের সঙ্গে প্রায় ৩৫ কোটি ডলারের অস্ত্র রপ্তানি চুক্তি করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তায় নতুন প্ল্যাটফর্ম: একসঙ্গে তুরস্ক, সৌদি আরব, মিসর ও পাকিস্তান

আপডেট সময় ০৪:৪৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে নতুন এক কৌশলগত নিরাপত্তা প্ল্যাটফর্ম গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে তুরস্ক, সৌদি আরব, মিসর এবং পাকিস্তান। গত বৃহস্পতিবার রিয়াদ-এ ইসলামি দেশগুলোর এক সম্মেলনের ফাঁকে চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠকে মিলিত হয়ে এই উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেন।

সূত্র জানায়, এটি ন্যাটো-এর মতো কোনো আনুষ্ঠানিক সামরিক জোট নয়; বরং প্রতিরক্ষা শিল্প, প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়াতে একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। বৈঠকে প্রথমবারের মতো সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত সক্ষমতা একীভূত করার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হয়।

এই উদ্যোগের পেছনে গত বছর থেকেই সক্রিয় ছিল তুরস্ক, যারা পাকিস্তান ও সৌদি আরব-এর সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছিল এবং পরবর্তীতে এতে মিসর-কে যুক্ত করার উদ্যোগ নেয়।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, আঞ্চলিক শক্তিগুলোর নিজেদের সমস্যার সমাধান নিজেরাই করা উচিত। তিনি সতর্ক করে বলেন, একজোট না হলে বাইরের শক্তি নিজেদের স্বার্থে সমাধান চাপিয়ে দিতে পারে। তিনি পারস্পরিক আস্থা, অভিন্ন অবস্থান এবং নির্দিষ্ট ইস্যুতে যৌথ কাজের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনা নিয়েও আলোচনা হয়, বিশেষ করে ইরান-কে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর হামলা এবং এর প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে। যদিও তুরস্ক ইসরায়েলকে উত্তেজনার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখে, যৌথ বিবৃতিতে উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের হামলার সমালোচনা করা হয়েছে।

এই সম্ভাব্য প্ল্যাটফর্মে চার দেশের ভিন্ন ভিন্ন শক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে— উন্নত ড্রোন ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে তুরস্ক, পারমাণবিক সক্ষমতায় পাকিস্তান, অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত বিনিয়োগে সৌদি আরব এবং বৃহৎ সামরিক উপস্থিতিতে মিসর।

সম্প্রতি রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান-এর কায়রো সফরে তুরস্ক ও মিসর-এর মধ্যে একটি সামরিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। একইসঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘মেকানিক্যাল অ্যান্ড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি করপোরেশন’ মিসরের সঙ্গে প্রায় ৩৫ কোটি ডলারের অস্ত্র রপ্তানি চুক্তি করেছে।