ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

নিউইয়র্কে মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনা: শেষ মুহূর্তে নিজেদের জীবন দিয়ে বহু যাত্রীর প্রাণ বাঁচালেন দুই পাইলট

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৪৬:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরে এয়ার কানাডার একটি ফ্লাইট ফায়ার ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে বিধ্বস্ত হওয়ার আগে ভয়াবহ “বিশৃঙ্খলার” মধ্যে পড়েছিল বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা। একই সঙ্গে তারা ধারণা করছেন, প্রাণ হারানো পাইলটরা শেষ মুহূর্তে অসাধারণ সাহসিকতা দেখিয়ে অসংখ্য যাত্রীর জীবন বাঁচিয়েছেন।
রবিবার রাত প্রায় ১১টা ৪০ মিনিটের কিছু আগে মন্ট্রিয়াল থেকে আসা বিমানটি অবতরণ করে। যাত্রী জ্যাক ক্যাবট ফক্স নিউজকে বলেন,“এটা একদম স্বাভাবিক ফ্লাইট ছিল। কিন্তু নামার সময় আমরা খুব জোরে মাটিতে আঘাত করি। হঠাৎই খুব দ্রুত থেমে যাই, আর মাত্র দুই সেকেন্ড পরেই একটা প্রচণ্ড ধাক্কা লাগে।”
তিনি জানান, দুর্ঘটনায় বিমানের সামনের অংশ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়।
দুর্ঘটনায় দুই পাইলট নিহত হন এবং অন্তত ৪১ জন যাত্রী ও ক্রুকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এই ভয়াবহ ঘটনার কারণে কুইন্সের লাগার্ডিয়া বিমানবন্দর সোমবারের বেশিরভাগ সময় বন্ধ রাখা হয়।
ক্যাবট আরও বলেন,“সবাই এদিক-সেদিক ছিটকে যাচ্ছিল। বিমানটা ডানে-বামে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুলছিল। পুরো পরিস্থিতিটা ছিল বিশৃঙ্খল। মনে হচ্ছিল কেউ যেন নিয়ন্ত্রণে নেই।”
আরেক যাত্রী ব্র্যাডি সেগো জানান, অবতরণের পর হঠাৎ একটি প্রবল ধাক্কা অনুভূত হয় এবং বিমানটি রানওয়েতে পাশের দিকে স্লাইড করতে থাকে। তিনি রেডিটে লেখেন, “আমরা অবতরণ করার প্রায় ৩০ সেকেন্ড পর হঠাৎ সামনে ধাক্কা অনুভব করি, তারপর একটি জোরে শব্দ—এরপর মনে হচ্ছিল আমরা রানওয়েতে পাশ দিয়ে স্লাইড করছি।”
তিনি আরও জানান,“কেউ বলছিল, শেষ মুহূর্তে পাইলট রিভার্স থ্রাস্ট ব্যবহার করার চেষ্টা করেছিলেন। সত্যি বলতে, তারা হয়তো আমাদের জীবনই বাঁচিয়েছেন। আমি যদি তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে পারতাম, বলতাম আমরা কতটা কৃতজ্ঞ। তারা সত্যিকারের নায়ক।”
এখনো পর্যন্ত নিহত দুই পাইলটের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
সোমবার সকালে তোলা হৃদয়বিদারক ছবিতে দেখা যায়, রানওয়ের ওপর ভোরের আলো ফুটতেই বিমানের ককপিট সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

নিউইয়র্কে মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনা: শেষ মুহূর্তে নিজেদের জীবন দিয়ে বহু যাত্রীর প্রাণ বাঁচালেন দুই পাইলট

আপডেট সময় ০৮:৪৬:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরে এয়ার কানাডার একটি ফ্লাইট ফায়ার ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে বিধ্বস্ত হওয়ার আগে ভয়াবহ “বিশৃঙ্খলার” মধ্যে পড়েছিল বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা। একই সঙ্গে তারা ধারণা করছেন, প্রাণ হারানো পাইলটরা শেষ মুহূর্তে অসাধারণ সাহসিকতা দেখিয়ে অসংখ্য যাত্রীর জীবন বাঁচিয়েছেন।
রবিবার রাত প্রায় ১১টা ৪০ মিনিটের কিছু আগে মন্ট্রিয়াল থেকে আসা বিমানটি অবতরণ করে। যাত্রী জ্যাক ক্যাবট ফক্স নিউজকে বলেন,“এটা একদম স্বাভাবিক ফ্লাইট ছিল। কিন্তু নামার সময় আমরা খুব জোরে মাটিতে আঘাত করি। হঠাৎই খুব দ্রুত থেমে যাই, আর মাত্র দুই সেকেন্ড পরেই একটা প্রচণ্ড ধাক্কা লাগে।”
তিনি জানান, দুর্ঘটনায় বিমানের সামনের অংশ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়।
দুর্ঘটনায় দুই পাইলট নিহত হন এবং অন্তত ৪১ জন যাত্রী ও ক্রুকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এই ভয়াবহ ঘটনার কারণে কুইন্সের লাগার্ডিয়া বিমানবন্দর সোমবারের বেশিরভাগ সময় বন্ধ রাখা হয়।
ক্যাবট আরও বলেন,“সবাই এদিক-সেদিক ছিটকে যাচ্ছিল। বিমানটা ডানে-বামে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুলছিল। পুরো পরিস্থিতিটা ছিল বিশৃঙ্খল। মনে হচ্ছিল কেউ যেন নিয়ন্ত্রণে নেই।”
আরেক যাত্রী ব্র্যাডি সেগো জানান, অবতরণের পর হঠাৎ একটি প্রবল ধাক্কা অনুভূত হয় এবং বিমানটি রানওয়েতে পাশের দিকে স্লাইড করতে থাকে। তিনি রেডিটে লেখেন, “আমরা অবতরণ করার প্রায় ৩০ সেকেন্ড পর হঠাৎ সামনে ধাক্কা অনুভব করি, তারপর একটি জোরে শব্দ—এরপর মনে হচ্ছিল আমরা রানওয়েতে পাশ দিয়ে স্লাইড করছি।”
তিনি আরও জানান,“কেউ বলছিল, শেষ মুহূর্তে পাইলট রিভার্স থ্রাস্ট ব্যবহার করার চেষ্টা করেছিলেন। সত্যি বলতে, তারা হয়তো আমাদের জীবনই বাঁচিয়েছেন। আমি যদি তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে পারতাম, বলতাম আমরা কতটা কৃতজ্ঞ। তারা সত্যিকারের নায়ক।”
এখনো পর্যন্ত নিহত দুই পাইলটের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
সোমবার সকালে তোলা হৃদয়বিদারক ছবিতে দেখা যায়, রানওয়ের ওপর ভোরের আলো ফুটতেই বিমানের ককপিট সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত অবস্থায় পড়ে আছে।