ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রিসোর্টের ‘৫০১’ ঘটনা ছিল ফ্যাসিবাদী হাসিনার ব্যর্থ প্রজেক্ট: মামুনুল হক Logo ‘আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত হোন’: খুলনার সমাবেশে জামায়াত আমির Logo বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থনকে বিশ্বব্যাপী প্রচার করতে চায় আর্জেন্টিনা Logo বাংলাদেশের সামনে এখন তিনটি বড় লড়াই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo নেতানিয়াহুকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখতে মাঝেমধ্যে কঠিন হতে হয়: ট্রাম্প Logo সরকারের কাঁধে হাসিনা ও আওয়ামী লীগের ভূত সওয়ার হয়েছে: মামুনুল হক Logo ২৩ জুন উপলক্ষে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo দেশের স্বার্থে প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রে যাব, আমাদের কাউকে খুশি করার জন্য নাচতে হবে না Logo সব মন্ত্রণালয়ে তিনি আজান দেন একামতও দেন, মাঝেমধ্যে সংসদে ফতোয়াও দেন Logo নারীকে ‘আপনি কি সেই মাল’ বলা ওসি এনামুল প্রত্যাহার

বগুড়ায় ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, উদ্ধার বাকি ৫

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:০৬:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ৪৯ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ার সান্তাহার রেলওয়ে জংশনের অদূরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’ ট্রেনের কোচ লাইনচ্যুতির ঘটনায় উদ্ধারকাজ পুরোদমে চলছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ৮টা পর্যন্ত দুর্ঘটনা কবলিত ৯টি কোচের মধ্যে ৪টি উদ্ধার করে ঈশ্বরদীতে পাঠানো হয়েছে। রেললাইন থেকে বাকি ৫টি কোচ সরানোর কাজ এখনও চলমান রয়েছে।

সান্তাহার রেলওয়ে জংশনের ইনচার্জ খাতিজা খাতুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়া কোচের মধ্যে উদ্ধার হওয়া কোচগুলো পাবনার ঈশ্বরদীতে পাঠানো হয়েছে। বাকি কোচগুলো উদ্ধারে কাজ চলমান রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই কোচগুলো উদ্ধার হবে। একইসাথে লাইন মেরামতের কাজও চলমান রয়েছে।

এরআগে বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে সান্তাহার জংশন থেকে ছাড়ার কিছুক্ষণ পরই আদমদীঘি উপজেলার বাগবাড়ী এলাকায় ট্রেনটির ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও রেলওয়ে সূত্র জানায়, লাইনে সংস্কার কাজ চলায় সেখানে লাল পতাকা দিয়ে সতর্কতা সংকেত দেওয়া ছিল। তবে চালক সেই সংকেত না মেনে ট্রেনে নিয়ে যাওয়ায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৬৬ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতরা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল এবং আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

ঘটনার সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে পাবনার ঈশ্বরদী ও দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে দুটি উদ্ধারকারী ট্রেন (রিলিফ ট্রেন) ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই অভিযানে এখন পর্যন্ত ৪টি বগি লাইনে তুলে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে।

এ ঘটনায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন উত্তরবঙ্গের কয়েক হাজার যাত্রী। পরিস্থিতি সামাল দিতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ‘ট্রান্সশিপমেন্ট’ পদ্ধতি চালু করেছে। এ পদ্ধতিতে দুর্ঘটনাস্থলের একপাশে ট্রেন থেকে যাত্রীরা নেমে হেঁটে বা কোন যানবাহনে লাইনচ্যুত অংশ পার হয়ে অন্যপাশে অপেক্ষমান ট্রেনে গিয়ে উঠছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

রিসোর্টের ‘৫০১’ ঘটনা ছিল ফ্যাসিবাদী হাসিনার ব্যর্থ প্রজেক্ট: মামুনুল হক

বগুড়ায় ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত, উদ্ধার বাকি ৫

আপডেট সময় ১২:০৬:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

বগুড়ার সান্তাহার রেলওয়ে জংশনের অদূরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’ ট্রেনের কোচ লাইনচ্যুতির ঘটনায় উদ্ধারকাজ পুরোদমে চলছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ৮টা পর্যন্ত দুর্ঘটনা কবলিত ৯টি কোচের মধ্যে ৪টি উদ্ধার করে ঈশ্বরদীতে পাঠানো হয়েছে। রেললাইন থেকে বাকি ৫টি কোচ সরানোর কাজ এখনও চলমান রয়েছে।

সান্তাহার রেলওয়ে জংশনের ইনচার্জ খাতিজা খাতুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়া কোচের মধ্যে উদ্ধার হওয়া কোচগুলো পাবনার ঈশ্বরদীতে পাঠানো হয়েছে। বাকি কোচগুলো উদ্ধারে কাজ চলমান রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই কোচগুলো উদ্ধার হবে। একইসাথে লাইন মেরামতের কাজও চলমান রয়েছে।

এরআগে বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে সান্তাহার জংশন থেকে ছাড়ার কিছুক্ষণ পরই আদমদীঘি উপজেলার বাগবাড়ী এলাকায় ট্রেনটির ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও রেলওয়ে সূত্র জানায়, লাইনে সংস্কার কাজ চলায় সেখানে লাল পতাকা দিয়ে সতর্কতা সংকেত দেওয়া ছিল। তবে চালক সেই সংকেত না মেনে ট্রেনে নিয়ে যাওয়ায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৬৬ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতরা নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল এবং আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

ঘটনার সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে পাবনার ঈশ্বরদী ও দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে দুটি উদ্ধারকারী ট্রেন (রিলিফ ট্রেন) ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই অভিযানে এখন পর্যন্ত ৪টি বগি লাইনে তুলে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে।

এ ঘটনায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন উত্তরবঙ্গের কয়েক হাজার যাত্রী। পরিস্থিতি সামাল দিতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ‘ট্রান্সশিপমেন্ট’ পদ্ধতি চালু করেছে। এ পদ্ধতিতে দুর্ঘটনাস্থলের একপাশে ট্রেন থেকে যাত্রীরা নেমে হেঁটে বা কোন যানবাহনে লাইনচ্যুত অংশ পার হয়ে অন্যপাশে অপেক্ষমান ট্রেনে গিয়ে উঠছেন।