ঢাকা ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

উপদেষ্টা রিজওয়ানার স্পর্ধা, ড. খলিলের বিতর্কিত ভূমিকা ও জামায়াতের প্রতিক্রিয়া

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:২১:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
  • ১০৭ বার পড়া হয়েছে

উপদেষ্টা রিজওয়ানা তার সাক্ষাৎকারে স্পষ্টভাবে বলেছিলেন—বিরোধীদলের একটি অংশকে তারা mainstream হতে দেননি।বক্তব্যটি ছিল পরিষ্কার, সরাসরি এবং দ্ব্যর্থহীন। কিন্তু বিতর্ক শুরু হতেই এখন বলা হচ্ছে—তিনি নাকি কোনো নির্দিষ্ট দলের কথা বলেননি, তিনি শুধু “উগ্রবাদীদের” কথা বলেছেন।

প্রশ্ন হলো—
যদি কোনো দলের কথা না বলেন, তাহলে “বিরোধীদলের একটি অংশ” শব্দটি কেন ব্যবহার করা হলো? কারণ এই শব্দচয়ন তো স্পষ্টভাবেই রাজনৈতিক শক্তি বা দলের দিকেই ইঙ্গিত করে। এখন বক্তব্য পাল্টানো কি কেবল রাজনৈতিক চাপ থেকে বাঁচার চেষ্টা? বরং এখন আরও গুরুতর কয়েকটি প্রশ্ন সামনে চলে এসেছে—
১. বিরোধীদলের মধ্যে কাদেরকে তিনি উগ্রবাদী বলছেন? কেন বলছেন?
২. কাদেরকে তিনি নারীবিদ্বেষী বলে চিহ্নিত করছেন এবং কেন ?
৩. যদি কোনো দলকে উদ্দেশ্য করে কথা না বলেন, তাহলে বিরোধীদলে এমন কারা আছেন যাদের কোনো রাজনৈতিক দলই নেই?
৪. উপদেষ্টারা যদি ঠিক করেন কে mainstream হবে আর কে হবে না, তাহলে জনগণের ভোট ও নির্বাচনের প্রয়োজন কী?
৫. এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার আপনাদের কে দিয়েছে? আপনাদেরকে বাংলাদেশের রাজনীতির গেটকিপার কে বানালো?

জামায়াত এখন দেশের প্রধান বিরোধীদল, নিজেদের দলের ও দেশের মানুষের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা থেকেই জামায়াতকে এইসব প্রশ্ন, প্রতিবাদ ও দাবি করতেই হবে । জামায়াতের জন্য এটা এখন আর দলীয় বিষয় না, এসব এখন বিরোধীদল হিসেবে দেশের সব দল ও মানুষের পক্ষে তাদের দায়িত্ব, এটা সবাইকে মানতে হবে। জামায়াত তাদের দলের বিষয় হলে প্রতিক্রিয়া দেখাবে আর অন্য কারো কথা বললে দেখাবে না, এটাতো হতে পারেনা । তাই যারা বলছেন রিজওয়ানা জামায়াতের নাম নেননি, তাহলে জামায়াত কেন প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে ? তাদের বুঝা উচিত জামায়াত নিজেদের ছাড়াও অন্য কোন দল বা গোষ্ঠীকে যদি উগ্রবাদী, নারী বিদ্বেষী বলা হয় তা জানার অধিকার যেমন জামায়াতের আছে, তেমনি কারা জনগণের রায়ের আগেই রায় ঠিক করেছিলেন, তাদেরকে ধরিয়ে দেওয়াও জামায়াতের দায়িত্ব। এটাই বিরোধীদলের সঠিক ভুমিকা।

কিন্তু রিজওয়ানার বক্তব্যে এমন এক ষড়যন্ত্রের উন্মোচন হলো, যেখানে কিছু অনির্বাচিত ব্যক্তি দেশের রাজনীতির অঘোষিত গেটকিপার হয়ে গিয়েছিলেন, যে তারা জনগণের রায়কে বদলে দিয়েছেন ।
রিজওয়ানার মতো বা তার চেয়ে বড় আরেক কুশীলব ড. খলিল। লন্ডনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে হোটেলে রিসিভ করা থেকে শুরু করে সবকিছুতে ড. খলিলের অতি ছোটাছুটি ও লজ্জাজনক তোষামোদী আমি নিজে দেখেছি, ড. ইউনুস ও তারেক রহমানের লন্ডন মিটিংয়ের সময় । কারন আমি নিজে ঐ সময় ডরচেস্টার হোটেলে ছিলাম । ঐ মিটিং এর পরপরই ড. ইউনুসের সাথে আমাদের মিটিং হয়। ড. খলিলের অতিমাত্রার চলচাতুরি ও মাতব্বরির কারনেই মিটিংয়ের আগে জনাব তারেক রহমানকে রীতি বহির্ভূতভাবে এস এস এফ স‍্যালুট করে, নির্বাচন এপ্রিল থেকে ফেব্রুয়ারি তে নিয়ে আসা হয়, আরো কত কি যে উনি এবং উনারা করেছেন যার পুরষ্কার হিসেবে তিনি এখন বিএনপির পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ড. খলিলের সাথে আমি নিজে অনেকক্ষন কথা বলেছি উনার অফিসে যখন তিনি বসতেন প্রধান উপদেষ্টার অফিসের পাশেই । তার সাথে কথা বলে আমার মনে হয়েছে উনি খুবই ভদ্রতার মুখোশ পরা এক ঠাণ্ডা মাথার

ড. খলিল ও রিজওয়ানাদের এইসব ভুমিকা শুধু বিতর্কিত নয়—এগুলো সরাসরি গণতন্ত্রের উপর মারাত্মক হস্তক্ষেপ। এখন তাই জানতে হবে, আর কারা কারা ছিলেন এদের সাথে জড়িত যারা নির্বাচনের আগেই ফলাফল নির্ধারণ করে দিয়েছেন?

তাদেরকে অবশ্যই জিঙ্গাসাবাদ ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে, এটাই জাতির বর্তমান প্রত্যাশা । আর প্রধান বিরোধীদল হিসেবে জামায়াতকেই এখানে মূল ভূমিকা রাখতে হবে ॥

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

উপদেষ্টা রিজওয়ানার স্পর্ধা, ড. খলিলের বিতর্কিত ভূমিকা ও জামায়াতের প্রতিক্রিয়া

আপডেট সময় ০৪:২১:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

উপদেষ্টা রিজওয়ানা তার সাক্ষাৎকারে স্পষ্টভাবে বলেছিলেন—বিরোধীদলের একটি অংশকে তারা mainstream হতে দেননি।বক্তব্যটি ছিল পরিষ্কার, সরাসরি এবং দ্ব্যর্থহীন। কিন্তু বিতর্ক শুরু হতেই এখন বলা হচ্ছে—তিনি নাকি কোনো নির্দিষ্ট দলের কথা বলেননি, তিনি শুধু “উগ্রবাদীদের” কথা বলেছেন।

প্রশ্ন হলো—
যদি কোনো দলের কথা না বলেন, তাহলে “বিরোধীদলের একটি অংশ” শব্দটি কেন ব্যবহার করা হলো? কারণ এই শব্দচয়ন তো স্পষ্টভাবেই রাজনৈতিক শক্তি বা দলের দিকেই ইঙ্গিত করে। এখন বক্তব্য পাল্টানো কি কেবল রাজনৈতিক চাপ থেকে বাঁচার চেষ্টা? বরং এখন আরও গুরুতর কয়েকটি প্রশ্ন সামনে চলে এসেছে—
১. বিরোধীদলের মধ্যে কাদেরকে তিনি উগ্রবাদী বলছেন? কেন বলছেন?
২. কাদেরকে তিনি নারীবিদ্বেষী বলে চিহ্নিত করছেন এবং কেন ?
৩. যদি কোনো দলকে উদ্দেশ্য করে কথা না বলেন, তাহলে বিরোধীদলে এমন কারা আছেন যাদের কোনো রাজনৈতিক দলই নেই?
৪. উপদেষ্টারা যদি ঠিক করেন কে mainstream হবে আর কে হবে না, তাহলে জনগণের ভোট ও নির্বাচনের প্রয়োজন কী?
৫. এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার আপনাদের কে দিয়েছে? আপনাদেরকে বাংলাদেশের রাজনীতির গেটকিপার কে বানালো?

জামায়াত এখন দেশের প্রধান বিরোধীদল, নিজেদের দলের ও দেশের মানুষের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা থেকেই জামায়াতকে এইসব প্রশ্ন, প্রতিবাদ ও দাবি করতেই হবে । জামায়াতের জন্য এটা এখন আর দলীয় বিষয় না, এসব এখন বিরোধীদল হিসেবে দেশের সব দল ও মানুষের পক্ষে তাদের দায়িত্ব, এটা সবাইকে মানতে হবে। জামায়াত তাদের দলের বিষয় হলে প্রতিক্রিয়া দেখাবে আর অন্য কারো কথা বললে দেখাবে না, এটাতো হতে পারেনা । তাই যারা বলছেন রিজওয়ানা জামায়াতের নাম নেননি, তাহলে জামায়াত কেন প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে ? তাদের বুঝা উচিত জামায়াত নিজেদের ছাড়াও অন্য কোন দল বা গোষ্ঠীকে যদি উগ্রবাদী, নারী বিদ্বেষী বলা হয় তা জানার অধিকার যেমন জামায়াতের আছে, তেমনি কারা জনগণের রায়ের আগেই রায় ঠিক করেছিলেন, তাদেরকে ধরিয়ে দেওয়াও জামায়াতের দায়িত্ব। এটাই বিরোধীদলের সঠিক ভুমিকা।

কিন্তু রিজওয়ানার বক্তব্যে এমন এক ষড়যন্ত্রের উন্মোচন হলো, যেখানে কিছু অনির্বাচিত ব্যক্তি দেশের রাজনীতির অঘোষিত গেটকিপার হয়ে গিয়েছিলেন, যে তারা জনগণের রায়কে বদলে দিয়েছেন ।
রিজওয়ানার মতো বা তার চেয়ে বড় আরেক কুশীলব ড. খলিল। লন্ডনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে হোটেলে রিসিভ করা থেকে শুরু করে সবকিছুতে ড. খলিলের অতি ছোটাছুটি ও লজ্জাজনক তোষামোদী আমি নিজে দেখেছি, ড. ইউনুস ও তারেক রহমানের লন্ডন মিটিংয়ের সময় । কারন আমি নিজে ঐ সময় ডরচেস্টার হোটেলে ছিলাম । ঐ মিটিং এর পরপরই ড. ইউনুসের সাথে আমাদের মিটিং হয়। ড. খলিলের অতিমাত্রার চলচাতুরি ও মাতব্বরির কারনেই মিটিংয়ের আগে জনাব তারেক রহমানকে রীতি বহির্ভূতভাবে এস এস এফ স‍্যালুট করে, নির্বাচন এপ্রিল থেকে ফেব্রুয়ারি তে নিয়ে আসা হয়, আরো কত কি যে উনি এবং উনারা করেছেন যার পুরষ্কার হিসেবে তিনি এখন বিএনপির পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ড. খলিলের সাথে আমি নিজে অনেকক্ষন কথা বলেছি উনার অফিসে যখন তিনি বসতেন প্রধান উপদেষ্টার অফিসের পাশেই । তার সাথে কথা বলে আমার মনে হয়েছে উনি খুবই ভদ্রতার মুখোশ পরা এক ঠাণ্ডা মাথার

ড. খলিল ও রিজওয়ানাদের এইসব ভুমিকা শুধু বিতর্কিত নয়—এগুলো সরাসরি গণতন্ত্রের উপর মারাত্মক হস্তক্ষেপ। এখন তাই জানতে হবে, আর কারা কারা ছিলেন এদের সাথে জড়িত যারা নির্বাচনের আগেই ফলাফল নির্ধারণ করে দিয়েছেন?

তাদেরকে অবশ্যই জিঙ্গাসাবাদ ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে, এটাই জাতির বর্তমান প্রত্যাশা । আর প্রধান বিরোধীদল হিসেবে জামায়াতকেই এখানে মূল ভূমিকা রাখতে হবে ॥