ঢাকা ০৫:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রোহিঙ্গাদের জন্য নতুন জমি বরাদ্দে জাতিসংঘের প্রস্তাবে বাংলাদেশের ‘না’ Logo ১৮ কোটি টাকার হাসপাতালে টিভি-এসি সবই আছে, নেই শুধু রোগী ও চিকিৎসক Logo প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫-১৭টি চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে: পররাষ্ট্র সচিব Logo নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ Logo ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে স্কুলছাত্রের মৃত্যু Logo মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, না হলে এলাকা ছাড়ুন : এমপি আবু তালিব Logo ইরান সংঘাতে না জড়াতে চীনকে অনুরোধ করেছিলেন ট্রাম্প Logo প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত

চলে গেলেন ভাষাসৈনিক আহমদ রফিক

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:২১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ৭৬ বার পড়া হয়েছে

আহমদ রফিক ১৯২৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার শাহবাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন ক্যাম্পাসের ছাত্রদের সঙ্গে মিলে আন্দোলনে গড়ে তোলেন।

ভাষাসৈনিক আহমদ রফিকের মৃত্যু হয়েছে, যার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর।

বার্ধক্যজনিত জটিলতায় বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১২ মিনিটে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

গত ১১ সেপ্টেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসকরা জানান, আহমদ রফিক ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ক্রনিক কিডনি ফেইলিওর, আলঝেইমার’স, পার্কিনসন’স, ইলেক্ট্রোলাইট ইমব্যালেন্স, শয্যা-ক্ষত ও ফুসফুসের সংক্রমণে ভুগছিলেন।

আহমদ রফিক ১৯২৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার শাহবাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন ক্যাম্পাসের ছাত্রদের সঙ্গে মিলে আন্দোলনে গড়ে তোলেন।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের একমাত্র ছাত্র হিসেবে ১৯৫৪ সালে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।

১৯৫৮ সালে তার প্রথম বই প্রকাশ হয়। তার রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা শতাধিক। সাহিত্য, সংস্কৃতি, রাজনীতি, সমাজ ভাবনার মতো বহুমাত্রিক বিষয়ে ব্যাপৃত ছিল তার লেখনী।

স্ত্রী মারা যাওয়ার পর ২০০৬ সালে আহমদ রফিক নিউ ইস্কাটনের গাউসনগরের একটি ভাড়া বাসায় একাই বসবাস করতেন।

২০১৯ সাল থেকে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পেতে থাকে আহমদ রফিকের। ২০২১ সালে পড়ে গিয়ে পা ভেঙে যাওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। ২০২৩ সাল নাগাদ প্রায় দৃষ্টিহীন হয়ে পড়েন তিনি।

আহমদ রফিক সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের জন্য একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও রবীন্দ্র সাহিত্য পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গাদের জন্য নতুন জমি বরাদ্দে জাতিসংঘের প্রস্তাবে বাংলাদেশের ‘না’

চলে গেলেন ভাষাসৈনিক আহমদ রফিক

আপডেট সময় ০৯:২১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

আহমদ রফিক ১৯২৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার শাহবাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন ক্যাম্পাসের ছাত্রদের সঙ্গে মিলে আন্দোলনে গড়ে তোলেন।

ভাষাসৈনিক আহমদ রফিকের মৃত্যু হয়েছে, যার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর।

বার্ধক্যজনিত জটিলতায় বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১২ মিনিটে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

গত ১১ সেপ্টেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসকরা জানান, আহমদ রফিক ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ক্রনিক কিডনি ফেইলিওর, আলঝেইমার’স, পার্কিনসন’স, ইলেক্ট্রোলাইট ইমব্যালেন্স, শয্যা-ক্ষত ও ফুসফুসের সংক্রমণে ভুগছিলেন।

আহমদ রফিক ১৯২৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার শাহবাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন ক্যাম্পাসের ছাত্রদের সঙ্গে মিলে আন্দোলনে গড়ে তোলেন।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের একমাত্র ছাত্র হিসেবে ১৯৫৪ সালে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।

১৯৫৮ সালে তার প্রথম বই প্রকাশ হয়। তার রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা শতাধিক। সাহিত্য, সংস্কৃতি, রাজনীতি, সমাজ ভাবনার মতো বহুমাত্রিক বিষয়ে ব্যাপৃত ছিল তার লেখনী।

স্ত্রী মারা যাওয়ার পর ২০০৬ সালে আহমদ রফিক নিউ ইস্কাটনের গাউসনগরের একটি ভাড়া বাসায় একাই বসবাস করতেন।

২০১৯ সাল থেকে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পেতে থাকে আহমদ রফিকের। ২০২১ সালে পড়ে গিয়ে পা ভেঙে যাওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। ২০২৩ সাল নাগাদ প্রায় দৃষ্টিহীন হয়ে পড়েন তিনি।

আহমদ রফিক সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের জন্য একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও রবীন্দ্র সাহিত্য পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেন।