ফিলিস্তিনের অধিকৃত জেরুজালেমের পবিত্র মসজিদুল আকসায় মুসল্লিদের প্রবেশ বন্ধ রেখেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। ইরানে হামলার অজুহাতে টানা ২০ দিন বন্ধের পর আজ শুক্রবার পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনেও এ মসজিদে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পরে মুসল্লিরা আশপাশে বিভিন্ন সড়ক ও অলিগলিতে নামাজ আদায় করেন। ১৯৬৭ সালে জেরুজালেমের পশ্চিম নগরী দখলের পর ৫৯ বছরে এবারই প্রথম ঈদের নামাজে মুসল্লিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
তুর্কি সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, মুসল্লিদের মসজিদে প্রবেশ ও সেখানে নামাজ পড়তে বাধা দিতে জেরুজালেমের অলিগলিতে ব্যাপক সংখ্যক ইসরায়েলি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া মসজিদের প্রবেশপথগুলোতে ধাতব প্রতিবন্ধক স্থাপন করা হয়েছে।
এদিকে জেরুজালেমের অন্যতম প্রবেশপথ বাব আল-সাহিরায় ঈদের নামাজ আদায়ের চেষ্টাকারী মুসল্লিদের ওপর পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় পুলিশ অন্তত একজন ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করে।
তা ছাড়া পুরনো শহরের বাব আল-আমুদসহ পূর্ব জেরুজালেমের বিভিন্ন স্থানে নামাজ পড়তে বাধা দিতে দেখা গেছে।
অন্যদিকে এবার আল-আকসা মসজিদের ভেতরে অল্প কয়েকজন নামাজ পড়ার সুযোগ পেয়েছেন। মসজিদে শুধুমাত্র মসজিদের রক্ষী, তত্ত্বাবধায়ক ও জেরুজালেমের ইসলামিক ওয়াকফ বিভাগের কর্মচারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। অবশ্য কিছু প্রত্যক্ষদর্শী আল-আকসা মসজিদ চত্বরের ভেতর থেকে ঈদের তাকরির ধ্বনি শোনার কথা জানিয়েছেন।
তবে মুসল্লিদের কাউকে এতে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার শুরুর পর থেকে পবিত্র আল-আকসা মসজিদ পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে করে সেখানে রমজানের তিনটি জুমার নামাজে অংশ নিতে পারেন ফিলিস্তিনি মুসল্লিরা। ১৯৬৭ সালে জেরুজালেম নগর দখলের পর ৫৯ বছরে এবারই প্রথম রমজান ও ঈদের নামাজে মুসল্লিদের প্রবেশে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদ : 



























