ঢাকা ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

১১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:২৮:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২০৮ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের কাছে প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই ঘোষণায় বলা হয়েছে, প্যাকেজটিতে উন্নত রকেট লঞ্চার, স্ব-চালিত হাউইৎজার কামান এবং বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তবে এই অস্ত্র চুক্তিটি এখনও মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় হোয়াইট হাউসে ফেরার পর এটি হবে তাইওয়ানের সঙ্গে দ্বিতীয় অস্ত্র বিক্রি চুক্তি।

চীন তাইওয়ানকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন প্রদেশ বলে মনে করে এবং দ্বীপটির ওপর সামরিক চাপ বাড়িয়ে চলেছে। নিয়মিত সামরিক মহড়া, আকাশসীমা ও জলসীমায় অনুপ্রবেশের মাধ্যমে বেইজিং এই চাপ জারি রেখেছে।

তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছে, এই চুক্তি দ্বীপটির দ্রুত শক্তিশালী প্রতিরোধ সক্ষমতা গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকলেও, তাইওয়ানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের সবচেয়ে বড় অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ।

চীন এখনো এই সর্বশেষ ঘোষণার বিষয়ে মন্তব্য না করলেও, গত মাসে একটি ছোট অস্ত্র বিক্রির চুক্তিকে তারা তাদের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য “গুরুতর লঙ্ঘন” বলে আখ্যা দিয়েছিল।

এই নতুন প্যাকেজে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের HIMARS রকেট সিস্টেম এবং ৪ বিলিয়ন ডলারের স্বচালিত কামান রয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা নিরাপত্তা সহযোগিতা সংস্থা।

এই চুক্তি কার্যকর হলে, এটি জো বাইডেন প্রশাসনের সময়কার মোট অস্ত্র বিক্রির চেয়েও বড় হবে। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে তাইওয়ানের কাছে মোট ১৮.৩ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি অনুমোদিত হয়েছিল।

চীন বহুদিন ধরেই তাইওয়ানের সঙ্গে “পুনঃএকত্রীকরণের” কথা বলে আসছে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের হুমকিও দিয়ে রেখেছে। এই হুমকিকে গুরুত্ব দিয়ে তাইওয়ান আগামী বছর প্রতিরক্ষা ব্যয় জিডিপির ৩% এর বেশি এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৫% পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

১১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০৩:২৮:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের কাছে প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই ঘোষণায় বলা হয়েছে, প্যাকেজটিতে উন্নত রকেট লঞ্চার, স্ব-চালিত হাউইৎজার কামান এবং বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তবে এই অস্ত্র চুক্তিটি এখনও মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় হোয়াইট হাউসে ফেরার পর এটি হবে তাইওয়ানের সঙ্গে দ্বিতীয় অস্ত্র বিক্রি চুক্তি।

চীন তাইওয়ানকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন প্রদেশ বলে মনে করে এবং দ্বীপটির ওপর সামরিক চাপ বাড়িয়ে চলেছে। নিয়মিত সামরিক মহড়া, আকাশসীমা ও জলসীমায় অনুপ্রবেশের মাধ্যমে বেইজিং এই চাপ জারি রেখেছে।

তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছে, এই চুক্তি দ্বীপটির দ্রুত শক্তিশালী প্রতিরোধ সক্ষমতা গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকলেও, তাইওয়ানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের সবচেয়ে বড় অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ।

চীন এখনো এই সর্বশেষ ঘোষণার বিষয়ে মন্তব্য না করলেও, গত মাসে একটি ছোট অস্ত্র বিক্রির চুক্তিকে তারা তাদের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য “গুরুতর লঙ্ঘন” বলে আখ্যা দিয়েছিল।

এই নতুন প্যাকেজে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের HIMARS রকেট সিস্টেম এবং ৪ বিলিয়ন ডলারের স্বচালিত কামান রয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা নিরাপত্তা সহযোগিতা সংস্থা।

এই চুক্তি কার্যকর হলে, এটি জো বাইডেন প্রশাসনের সময়কার মোট অস্ত্র বিক্রির চেয়েও বড় হবে। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে তাইওয়ানের কাছে মোট ১৮.৩ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি অনুমোদিত হয়েছিল।

চীন বহুদিন ধরেই তাইওয়ানের সঙ্গে “পুনঃএকত্রীকরণের” কথা বলে আসছে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের হুমকিও দিয়ে রেখেছে। এই হুমকিকে গুরুত্ব দিয়ে তাইওয়ান আগামী বছর প্রতিরক্ষা ব্যয় জিডিপির ৩% এর বেশি এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৫% পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে।