ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘স্থানীয় সরকার বিল পাস না হলে আ. লীগের মেয়রদের চেয়ারে বসার সুযোগ দিতে হবে’: প্রতিমন্ত্রী Logo বিএনপি ফ্যাসিজমের পথে: বিরোধীদলীয় নেতা Logo অতীতের চেয়ে এবারের হজ ব্যবস্থাপনা আরো সুষ্ঠু করতে হবে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ Logo আমরা কি সরকারি দলকে জিজ্ঞাসা করে ওয়াকআউট করব: তিনবার ওয়াকআউটের পর বিরোধীদলীয় নেতা Logo পয়লা বৈশাখে ভিন্নধর্মী সংস্কৃতি কাম্য নয়: শায়খ আহমাদুল্লাহ Logo যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের বিক্ষোভ Logo ১ ডলারের বিয়ার কক্সবাজারে ১৪০০ টাকা, কেন আসবেন বিদেশি পর্যটক Logo হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায়ে চীনা মুদ্রা নিচ্ছে ইরান Logo স্টুডেন্ট ভিসায় ধাক্কা, অর্ধেকের বেশি প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশি আবেদন Logo আমার রায় অবৈধ হলে অন্তর্বর্তী সরকারের সবকিছুই অবৈধ: ইশরাক

‘স্থানীয় সরকার বিল পাস না হলে আ. লীগের মেয়রদের চেয়ারে বসার সুযোগ দিতে হবে’: প্রতিমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৫২:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাস না হলে আবার দলীয় প্রতীকে ফিরে যেতে হবে এবং আবার বিনা ভোটে যারা আওয়ামী লীগের মেয়র কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিল তাদেরকে সাত দিনের মধ্যে চেয়ারে বসার সুযোগ করে দিতে হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

বৃহস্পতিবার( ৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১২তম দিনে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) বিল, ২০২৬ উপস্থাপনের পর এই বিলের বিরোধিতা করে বক্তব্য দেন এনসিপির সংসদ সদস্য হান্নান মাসুদ। এরপর স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, “আমার সহকর্মী বন্ধু এই বিলের বিরোধিতা করতে গিয়ে কয়েকটি বিষয় উত্থাপন করেছেন। তিনি বলেছেন এমন কি বিশেষ পরিস্থিতি এখন তৈরি হয়েছে— যে পরিস্থিতির কারণে আমরা এসব সিটি করপোরেশনগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ করেছি। এক নম্বর বিশেষ পরিস্থিতি এটাই— এই আইন এখনও পাস হয়নি। আইন পাস না হওয়া পর্যন্ত যেহেতু নির্বাচন দেওয়া যাচ্ছে না, এটি একটি বিশেষ পরিস্থিতি। এই কারণেই আমরা প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছি। দ্বিতীয় বিষয়— অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় এমনকি বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে বিশেষ পরিস্থিতিতে উত্তর সিটি করপোরেশনে এজাজ আহমেদকে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল? এমন কি বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে তারা হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্টকে অবমাননা করে আমাদের সহকর্মী মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক (ইশরাক হোসেন) মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং নির্বাচন কমিশন থেকে তার গেজেট হয়েছিল, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে শপথের জন্য নির্দেশনা দেওয়া ছিল। আজকে বিরোধী চিফ হুইপ সেই সরকারের মন্ত্রিসভায় ছিলেন। কি বিশেষ পরিস্থিতিতে সেইদিন তাকে শপথ করানো হয়নি? আজকে তারা বিরোধিতার খাতিরে যদি বিরোধিতা করে সেটি অন্য কথা। এই বিলের মধ্যে এই আইনটি যদি পাস না হয় তাহলে পুরাতন জুলুমবাজরা আবার ওই চেয়ারে ফিরে আসবে। দ্বিতীয়ত, এই আইনে বলা আছে দলীয় প্রতীকে ধানের শীষসহ জাতীয় প্রতীক যেগুলো রয়েছে এই প্রতীকে আর স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে না। এই আইনেও রয়েছে। তাহলে এই আইনটি যদি পাস না হয় তাহলে আমাদের আবার দলীয় প্রতীকে ফিরে যেতে হবে। আমাদেরকে আবার ওই যে বিনা ভোটে যারা আওয়ামী লীগের মেয়র কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিল তাদেরকে সাত দিনের মধ্যে ওই চেয়ারে বসার সুযোগ করে দিতে হবে।”

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, “আমার বন্ধু তার বক্তব্যে একটি ইঙ্গিত করেছেন আজ দুটি উপনির্বাচন হয়েছে বগুড়া এবং শেরপুর। সংসদ সদস্য ইঙ্গিত করেছেন যে, সেখানে নাকি ভোট কারচুপি হয়েছে। আমি বলতে চাই বিকাল চারটার পরে আপনারা বুঝলেন— ভোট কারচুপি হয়েছে? ভোট প্রত্যাখ্যান করেছেন আপনারা বিকাল চারটার পর যখন আপনারা নিশ্চিত হয়েছেন আপনাদের পরাজয় নিশ্চিত, তারপরে আপনার সংবাদ সম্মেলন করে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। আমি বিরোধী দলের বন্ধুদের বলতে চাই গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখার স্বার্থে নির্বাচন বয়কটের পুরান রেওয়াজ থেকে সরে আসুন। যেহেতু অবাধ-সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন এই বিএনপি সরকারের সময় হচ্ছে। ৪৫ দিনের মাথায় বিএনপির একটা টেস্ট ম্যাচ ছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এটি টেস্ট ম্যাচ যে ৪৫ দিনের ফলাফল কী? এই ফলাফল বাংলাদেশের জনগণ যখন ধানের শীষের পক্ষে দিচ্ছিল তখন তারা ঠিক বিকাল চারটার পরে নির্বাচন বর্জন করে কি প্রমাণ করতে চাইছে? এটা আমার জানা নেই।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

‘স্থানীয় সরকার বিল পাস না হলে আ. লীগের মেয়রদের চেয়ারে বসার সুযোগ দিতে হবে’: প্রতিমন্ত্রী

‘স্থানীয় সরকার বিল পাস না হলে আ. লীগের মেয়রদের চেয়ারে বসার সুযোগ দিতে হবে’: প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:৫২:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাস না হলে আবার দলীয় প্রতীকে ফিরে যেতে হবে এবং আবার বিনা ভোটে যারা আওয়ামী লীগের মেয়র কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিল তাদেরকে সাত দিনের মধ্যে চেয়ারে বসার সুযোগ করে দিতে হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

বৃহস্পতিবার( ৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১২তম দিনে স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) বিল, ২০২৬ উপস্থাপনের পর এই বিলের বিরোধিতা করে বক্তব্য দেন এনসিপির সংসদ সদস্য হান্নান মাসুদ। এরপর স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, “আমার সহকর্মী বন্ধু এই বিলের বিরোধিতা করতে গিয়ে কয়েকটি বিষয় উত্থাপন করেছেন। তিনি বলেছেন এমন কি বিশেষ পরিস্থিতি এখন তৈরি হয়েছে— যে পরিস্থিতির কারণে আমরা এসব সিটি করপোরেশনগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ করেছি। এক নম্বর বিশেষ পরিস্থিতি এটাই— এই আইন এখনও পাস হয়নি। আইন পাস না হওয়া পর্যন্ত যেহেতু নির্বাচন দেওয়া যাচ্ছে না, এটি একটি বিশেষ পরিস্থিতি। এই কারণেই আমরা প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছি। দ্বিতীয় বিষয়— অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় এমনকি বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে বিশেষ পরিস্থিতিতে উত্তর সিটি করপোরেশনে এজাজ আহমেদকে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল? এমন কি বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে তারা হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্টকে অবমাননা করে আমাদের সহকর্মী মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক (ইশরাক হোসেন) মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং নির্বাচন কমিশন থেকে তার গেজেট হয়েছিল, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে শপথের জন্য নির্দেশনা দেওয়া ছিল। আজকে বিরোধী চিফ হুইপ সেই সরকারের মন্ত্রিসভায় ছিলেন। কি বিশেষ পরিস্থিতিতে সেইদিন তাকে শপথ করানো হয়নি? আজকে তারা বিরোধিতার খাতিরে যদি বিরোধিতা করে সেটি অন্য কথা। এই বিলের মধ্যে এই আইনটি যদি পাস না হয় তাহলে পুরাতন জুলুমবাজরা আবার ওই চেয়ারে ফিরে আসবে। দ্বিতীয়ত, এই আইনে বলা আছে দলীয় প্রতীকে ধানের শীষসহ জাতীয় প্রতীক যেগুলো রয়েছে এই প্রতীকে আর স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে না। এই আইনেও রয়েছে। তাহলে এই আইনটি যদি পাস না হয় তাহলে আমাদের আবার দলীয় প্রতীকে ফিরে যেতে হবে। আমাদেরকে আবার ওই যে বিনা ভোটে যারা আওয়ামী লীগের মেয়র কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিল তাদেরকে সাত দিনের মধ্যে ওই চেয়ারে বসার সুযোগ করে দিতে হবে।”

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, “আমার বন্ধু তার বক্তব্যে একটি ইঙ্গিত করেছেন আজ দুটি উপনির্বাচন হয়েছে বগুড়া এবং শেরপুর। সংসদ সদস্য ইঙ্গিত করেছেন যে, সেখানে নাকি ভোট কারচুপি হয়েছে। আমি বলতে চাই বিকাল চারটার পরে আপনারা বুঝলেন— ভোট কারচুপি হয়েছে? ভোট প্রত্যাখ্যান করেছেন আপনারা বিকাল চারটার পর যখন আপনারা নিশ্চিত হয়েছেন আপনাদের পরাজয় নিশ্চিত, তারপরে আপনার সংবাদ সম্মেলন করে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। আমি বিরোধী দলের বন্ধুদের বলতে চাই গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখার স্বার্থে নির্বাচন বয়কটের পুরান রেওয়াজ থেকে সরে আসুন। যেহেতু অবাধ-সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন এই বিএনপি সরকারের সময় হচ্ছে। ৪৫ দিনের মাথায় বিএনপির একটা টেস্ট ম্যাচ ছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এটি টেস্ট ম্যাচ যে ৪৫ দিনের ফলাফল কী? এই ফলাফল বাংলাদেশের জনগণ যখন ধানের শীষের পক্ষে দিচ্ছিল তখন তারা ঠিক বিকাল চারটার পরে নির্বাচন বর্জন করে কি প্রমাণ করতে চাইছে? এটা আমার জানা নেই।”


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481