ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেকেন্ডের ব্যবধানে বেঁচে যান মোজতবা খামেনি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান হামলা থেকে রক্ষা পেয়েছেন অনেকটা ভাগ্যের জোরে। তাঁর বাসভবনে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার মাত্র কয়েক মিনিট আগে তিনি বাগানে হাঁটতে বের হয়েছিলেন।

একটি অডিওর বরাত দিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আলি খামেনি ও অন্য শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মোজতবা খামেনিকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। সেদিন স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৩২ মিনিটে ইসরায়েলি ‘ব্লু স্প্যারো’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোজতবার বাসভবনে আঘাত হানে। ওই হামলার ঠিক কয়েক মুহূর্ত আগে তিনি কোনো এক কাজে ঘরের বাইরে বের হয়েছিলেন।

আলি খামেনির দপ্তরের প্রোটোকল প্রধান মাজহার হোসাইনি ১২ মার্চ তেহরানে শীর্ষ আলেম এবং বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডারদের এক সভায় ঘটনাটির বিস্তারিত বর্ণনা দেন। ওই সভার কথোপকথনের একটি অডিও পেয়েছে টেলিগ্রাফ। যা স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করেছে গণমাধ্যমটি।

সভায় হোসাইনি জানান, হামলায় মোজতবা খামেনির পায়ে আঘাত লাগে। তবে তাঁর স্ত্রী ও ছেলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খামেনির সামরিক দপ্তরের প্রধান মোহাম্মদ শিরাজির দেহ বিস্ফোরণে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। হোসাইনির ভাষায়, কেবল কয়েক খণ্ড মাংসপিণ্ড দেখে মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছিল।

ঘটনাস্থলটি এমন একটি জায়গা যেখানে আলি খামেনি ছাড়াও তাঁর সন্তানদের বাসভবন ছিল। ২৮ ফেব্রুয়ারির সকালে তেহরানের সেই প্রাঙ্গণে আলি খামেনি এবং নিরাপত্তা বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বৈঠকে বসেছিলেন। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সরাসরি সেখানে আঘাত হানে। এতে আলি খামেনি ছাড়াও আইআরজিসির প্রধান মোহাম্মদ পাকপুর ও ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদে নিহত হন।

ফাঁস হওয়া অডিওতে মাজহার হোসাইনি বলেন, ‘মোজতবা খামেনি বাইর থেকে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার সময় ভবনটিতে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। তাঁর স্ত্রী ঘটনাস্থলেই শহীদ হন।’ হোসাইনির মতে, খামেনি পরিবারের সবাইকে হত্যার উদ্দেশে দপ্তরের বিভিন্ন স্থানে একসঙ্গে হামলা চালানো হয়েছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নেতানিয়াহু কি আল-আকসা মসজিদের নিচে লুকিয়েছেন?

সেকেন্ডের ব্যবধানে বেঁচে যান মোজতবা খামেনি

আপডেট সময় ০৬:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান হামলা থেকে রক্ষা পেয়েছেন অনেকটা ভাগ্যের জোরে। তাঁর বাসভবনে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার মাত্র কয়েক মিনিট আগে তিনি বাগানে হাঁটতে বের হয়েছিলেন।

একটি অডিওর বরাত দিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আলি খামেনি ও অন্য শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মোজতবা খামেনিকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। সেদিন স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৩২ মিনিটে ইসরায়েলি ‘ব্লু স্প্যারো’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোজতবার বাসভবনে আঘাত হানে। ওই হামলার ঠিক কয়েক মুহূর্ত আগে তিনি কোনো এক কাজে ঘরের বাইরে বের হয়েছিলেন।

আলি খামেনির দপ্তরের প্রোটোকল প্রধান মাজহার হোসাইনি ১২ মার্চ তেহরানে শীর্ষ আলেম এবং বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডারদের এক সভায় ঘটনাটির বিস্তারিত বর্ণনা দেন। ওই সভার কথোপকথনের একটি অডিও পেয়েছে টেলিগ্রাফ। যা স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করেছে গণমাধ্যমটি।

সভায় হোসাইনি জানান, হামলায় মোজতবা খামেনির পায়ে আঘাত লাগে। তবে তাঁর স্ত্রী ও ছেলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খামেনির সামরিক দপ্তরের প্রধান মোহাম্মদ শিরাজির দেহ বিস্ফোরণে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। হোসাইনির ভাষায়, কেবল কয়েক খণ্ড মাংসপিণ্ড দেখে মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছিল।

ঘটনাস্থলটি এমন একটি জায়গা যেখানে আলি খামেনি ছাড়াও তাঁর সন্তানদের বাসভবন ছিল। ২৮ ফেব্রুয়ারির সকালে তেহরানের সেই প্রাঙ্গণে আলি খামেনি এবং নিরাপত্তা বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বৈঠকে বসেছিলেন। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সরাসরি সেখানে আঘাত হানে। এতে আলি খামেনি ছাড়াও আইআরজিসির প্রধান মোহাম্মদ পাকপুর ও ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদে নিহত হন।

ফাঁস হওয়া অডিওতে মাজহার হোসাইনি বলেন, ‘মোজতবা খামেনি বাইর থেকে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার সময় ভবনটিতে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। তাঁর স্ত্রী ঘটনাস্থলেই শহীদ হন।’ হোসাইনির মতে, খামেনি পরিবারের সবাইকে হত্যার উদ্দেশে দপ্তরের বিভিন্ন স্থানে একসঙ্গে হামলা চালানো হয়েছিল।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481