ঢাকা ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo যুক্তরাষ্ট্রের চার অঙ্গরাজ্যে সন্ত্রাসী হামলার হুমকি ঠেকাতে সফল এফবিআই Logo ‘ঘরমুখী ও কর্মজীবী যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন নৌযাত্রা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর’ Logo শীর্ষ নেতাদের হত্যা করলেও রাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে পড়বে না: আব্বাস আরাঘচি Logo ‘জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে চীনের ঈদ উপহার’ বিভ্রান্তির ব্যাখ্যা দিল দূতাবাস Logo ইরানে সেনা পাঠাতে ভীত নই, যদি স্থল হামলা হয় তাহলে ভিয়েতনামের মতো অবস্থা হতে পারে: ট্রাম্প Logo ইরানে সেনা পাঠাতে ভীত নই, যদি স্থল হামলা হয় তাহলে ভিয়েতনামের মতো অবস্থা হতে পারে: ট্রাম্প Logo হরমুজ প্রণালী মুক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দিতে পারে আমিরাত Logo চা বিক্রেতা সেই নানি-নাতনির কাছে ‘ঈদ উপহার’ পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী Logo শাহ আমানত বিমানবন্দরে বাতিল ফ্লাইটের সংখ্যা বেড়ে ১৩৭ Logo ইসরাইলের স্বপ্নভঙ্গ হবে আর আমেরিকা পালাবে: ইরান

সালমান শাহর মৃত্যুর দিন ফ্ল্যাটে কী করছিলেন রুবি সুলতানা?

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ৮৩ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ ২৯ বছর পর আবারও আলোচনায় অভিনেতা সালমান শাহর মৃত্যুর রহস্য। একে একে সামনে আসছে নতুন নতুন তথ্য। এখন অপমৃত্যুর মামলা রূপ নিয়েছে হত্যা মামলায়। আর এ হত্যা মামলায় ৮ নম্বর আসামি একটি বিউটি পার্লারের স্বত্তাধিকারী রুবি সুলতানা।

অভিযুক্ত রুবি মেফিয়ার বিউটি পার্লারের স্বত্তাধিকারী। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যুর দিন নায়কের ‘ইস্কাটন প্লাজার’ ফ্ল্যাটে পার্লারের দুই কর্মীকে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী সংবাদমাধ্যমে জানান, নিউ ইস্কাটন রোডে সালমানের বাসার সামনেই মেফিয়ার নামের একটি বিউটি পার্লার ছিল। রুবি ও তার চীনা সাবেক স্বামী এটি পরিচালনা করতেন।

নীলা চৌধুরী আরও জানান, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যুর খবর পেয়ে সে ফ্ল্যাটে ছুটে যান তারা। প্রথমদিকে সামিরার জন্য ফ্ল্যাটে ঢুকতে পারছিলেন না। পরে যখন সবাই ঢোকেন, দেখেন সালমান শাহর নিথর দেহে তেল মালিশ করছেন রুবির পার্লারের ২ কর্মচারী। ওই রুমে তখন সামিরার সাথে রুবিও উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে কয়েক বছর আগে ফেসবুক লাইভে বিউটিশিয়ান রুবি প্রকাশ্যে স্বীকারক্তি দেন, তিনি সালমান শাহর প্রতিবেশি। ২০১৭ সালের ওই ভিডিওতে রুবি দাবি করেন, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেননি, তাকে খুন করা হয়েছে।

রুবির বর্ণনায়, ঘটনার রাতে মাফিয়া ডনের জন্য দরজা খুলে দেন রুবি। শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাইও সামিল হন এই হত্যাকাণ্ডে। সালমান শাহকে সামিরা ও তার পরিবার হত্যা করেছে বলে দাবি করেন রুবি। তিনি আরও দাবি করেন, তার ছোট ভাই রুমিকে দিয়ে সালমান শাহ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। এরপর তাকেও মেরে ফেলা হয়েছে।

রুবি ওই ভিডিওতে অনুরোধ করে বলেন, আমি নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। যেকোনো সময় আমাকে মেরে ফেলা হতে পারে। আমি শুধু এটুকু বলতে চাই, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেনি। তাকে খুন করা হয়েছে। আপনারা আমাকে সহযোগিতা করলে আমি প্রমাণ করতে পারবো এটি আত্মহত্যা নয় খুন।

গত ২০ অক্টোবর সালমান শাহর অপমৃত্যু মামলাকে হত্যা মামলায় রূপান্তরের নির্দেশ দেন আদালত। মহানগর দায়রা জজ আদালতের দেয়া নির্দেশের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম। এরপরই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। শুরু হয় তদন্ত।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় সর্বমোট ১১ জনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হত্যা মামলায় প্রধান আসামি নায়কের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। অন্য ১০ আসামিরা হলেন প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মেফিয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রিজভী আহমেদ ফরহাদ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের চার অঙ্গরাজ্যে সন্ত্রাসী হামলার হুমকি ঠেকাতে সফল এফবিআই

সালমান শাহর মৃত্যুর দিন ফ্ল্যাটে কী করছিলেন রুবি সুলতানা?

আপডেট সময় ০৩:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

দীর্ঘ ২৯ বছর পর আবারও আলোচনায় অভিনেতা সালমান শাহর মৃত্যুর রহস্য। একে একে সামনে আসছে নতুন নতুন তথ্য। এখন অপমৃত্যুর মামলা রূপ নিয়েছে হত্যা মামলায়। আর এ হত্যা মামলায় ৮ নম্বর আসামি একটি বিউটি পার্লারের স্বত্তাধিকারী রুবি সুলতানা।

অভিযুক্ত রুবি মেফিয়ার বিউটি পার্লারের স্বত্তাধিকারী। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যুর দিন নায়কের ‘ইস্কাটন প্লাজার’ ফ্ল্যাটে পার্লারের দুই কর্মীকে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী সংবাদমাধ্যমে জানান, নিউ ইস্কাটন রোডে সালমানের বাসার সামনেই মেফিয়ার নামের একটি বিউটি পার্লার ছিল। রুবি ও তার চীনা সাবেক স্বামী এটি পরিচালনা করতেন।

নীলা চৌধুরী আরও জানান, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যুর খবর পেয়ে সে ফ্ল্যাটে ছুটে যান তারা। প্রথমদিকে সামিরার জন্য ফ্ল্যাটে ঢুকতে পারছিলেন না। পরে যখন সবাই ঢোকেন, দেখেন সালমান শাহর নিথর দেহে তেল মালিশ করছেন রুবির পার্লারের ২ কর্মচারী। ওই রুমে তখন সামিরার সাথে রুবিও উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে কয়েক বছর আগে ফেসবুক লাইভে বিউটিশিয়ান রুবি প্রকাশ্যে স্বীকারক্তি দেন, তিনি সালমান শাহর প্রতিবেশি। ২০১৭ সালের ওই ভিডিওতে রুবি দাবি করেন, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেননি, তাকে খুন করা হয়েছে।

রুবির বর্ণনায়, ঘটনার রাতে মাফিয়া ডনের জন্য দরজা খুলে দেন রুবি। শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাইও সামিল হন এই হত্যাকাণ্ডে। সালমান শাহকে সামিরা ও তার পরিবার হত্যা করেছে বলে দাবি করেন রুবি। তিনি আরও দাবি করেন, তার ছোট ভাই রুমিকে দিয়ে সালমান শাহ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। এরপর তাকেও মেরে ফেলা হয়েছে।

রুবি ওই ভিডিওতে অনুরোধ করে বলেন, আমি নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। যেকোনো সময় আমাকে মেরে ফেলা হতে পারে। আমি শুধু এটুকু বলতে চাই, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেনি। তাকে খুন করা হয়েছে। আপনারা আমাকে সহযোগিতা করলে আমি প্রমাণ করতে পারবো এটি আত্মহত্যা নয় খুন।

গত ২০ অক্টোবর সালমান শাহর অপমৃত্যু মামলাকে হত্যা মামলায় রূপান্তরের নির্দেশ দেন আদালত। মহানগর দায়রা জজ আদালতের দেয়া নির্দেশের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম। এরপরই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। শুরু হয় তদন্ত।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় সর্বমোট ১১ জনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হত্যা মামলায় প্রধান আসামি নায়কের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। অন্য ১০ আসামিরা হলেন প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মেফিয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রিজভী আহমেদ ফরহাদ।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481