ঢাকা ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

সালমান শাহর মৃত্যুর দিন ফ্ল্যাটে কী করছিলেন রুবি সুলতানা?

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ১০৪ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ ২৯ বছর পর আবারও আলোচনায় অভিনেতা সালমান শাহর মৃত্যুর রহস্য। একে একে সামনে আসছে নতুন নতুন তথ্য। এখন অপমৃত্যুর মামলা রূপ নিয়েছে হত্যা মামলায়। আর এ হত্যা মামলায় ৮ নম্বর আসামি একটি বিউটি পার্লারের স্বত্তাধিকারী রুবি সুলতানা।

অভিযুক্ত রুবি মেফিয়ার বিউটি পার্লারের স্বত্তাধিকারী। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যুর দিন নায়কের ‘ইস্কাটন প্লাজার’ ফ্ল্যাটে পার্লারের দুই কর্মীকে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী সংবাদমাধ্যমে জানান, নিউ ইস্কাটন রোডে সালমানের বাসার সামনেই মেফিয়ার নামের একটি বিউটি পার্লার ছিল। রুবি ও তার চীনা সাবেক স্বামী এটি পরিচালনা করতেন।

নীলা চৌধুরী আরও জানান, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যুর খবর পেয়ে সে ফ্ল্যাটে ছুটে যান তারা। প্রথমদিকে সামিরার জন্য ফ্ল্যাটে ঢুকতে পারছিলেন না। পরে যখন সবাই ঢোকেন, দেখেন সালমান শাহর নিথর দেহে তেল মালিশ করছেন রুবির পার্লারের ২ কর্মচারী। ওই রুমে তখন সামিরার সাথে রুবিও উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে কয়েক বছর আগে ফেসবুক লাইভে বিউটিশিয়ান রুবি প্রকাশ্যে স্বীকারক্তি দেন, তিনি সালমান শাহর প্রতিবেশি। ২০১৭ সালের ওই ভিডিওতে রুবি দাবি করেন, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেননি, তাকে খুন করা হয়েছে।

রুবির বর্ণনায়, ঘটনার রাতে মাফিয়া ডনের জন্য দরজা খুলে দেন রুবি। শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাইও সামিল হন এই হত্যাকাণ্ডে। সালমান শাহকে সামিরা ও তার পরিবার হত্যা করেছে বলে দাবি করেন রুবি। তিনি আরও দাবি করেন, তার ছোট ভাই রুমিকে দিয়ে সালমান শাহ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। এরপর তাকেও মেরে ফেলা হয়েছে।

রুবি ওই ভিডিওতে অনুরোধ করে বলেন, আমি নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। যেকোনো সময় আমাকে মেরে ফেলা হতে পারে। আমি শুধু এটুকু বলতে চাই, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেনি। তাকে খুন করা হয়েছে। আপনারা আমাকে সহযোগিতা করলে আমি প্রমাণ করতে পারবো এটি আত্মহত্যা নয় খুন।

গত ২০ অক্টোবর সালমান শাহর অপমৃত্যু মামলাকে হত্যা মামলায় রূপান্তরের নির্দেশ দেন আদালত। মহানগর দায়রা জজ আদালতের দেয়া নির্দেশের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম। এরপরই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। শুরু হয় তদন্ত।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় সর্বমোট ১১ জনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হত্যা মামলায় প্রধান আসামি নায়কের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। অন্য ১০ আসামিরা হলেন প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মেফিয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রিজভী আহমেদ ফরহাদ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

সালমান শাহর মৃত্যুর দিন ফ্ল্যাটে কী করছিলেন রুবি সুলতানা?

আপডেট সময় ০৩:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

দীর্ঘ ২৯ বছর পর আবারও আলোচনায় অভিনেতা সালমান শাহর মৃত্যুর রহস্য। একে একে সামনে আসছে নতুন নতুন তথ্য। এখন অপমৃত্যুর মামলা রূপ নিয়েছে হত্যা মামলায়। আর এ হত্যা মামলায় ৮ নম্বর আসামি একটি বিউটি পার্লারের স্বত্তাধিকারী রুবি সুলতানা।

অভিযুক্ত রুবি মেফিয়ার বিউটি পার্লারের স্বত্তাধিকারী। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যুর দিন নায়কের ‘ইস্কাটন প্লাজার’ ফ্ল্যাটে পার্লারের দুই কর্মীকে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী সংবাদমাধ্যমে জানান, নিউ ইস্কাটন রোডে সালমানের বাসার সামনেই মেফিয়ার নামের একটি বিউটি পার্লার ছিল। রুবি ও তার চীনা সাবেক স্বামী এটি পরিচালনা করতেন।

নীলা চৌধুরী আরও জানান, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যুর খবর পেয়ে সে ফ্ল্যাটে ছুটে যান তারা। প্রথমদিকে সামিরার জন্য ফ্ল্যাটে ঢুকতে পারছিলেন না। পরে যখন সবাই ঢোকেন, দেখেন সালমান শাহর নিথর দেহে তেল মালিশ করছেন রুবির পার্লারের ২ কর্মচারী। ওই রুমে তখন সামিরার সাথে রুবিও উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে কয়েক বছর আগে ফেসবুক লাইভে বিউটিশিয়ান রুবি প্রকাশ্যে স্বীকারক্তি দেন, তিনি সালমান শাহর প্রতিবেশি। ২০১৭ সালের ওই ভিডিওতে রুবি দাবি করেন, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেননি, তাকে খুন করা হয়েছে।

রুবির বর্ণনায়, ঘটনার রাতে মাফিয়া ডনের জন্য দরজা খুলে দেন রুবি। শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাইও সামিল হন এই হত্যাকাণ্ডে। সালমান শাহকে সামিরা ও তার পরিবার হত্যা করেছে বলে দাবি করেন রুবি। তিনি আরও দাবি করেন, তার ছোট ভাই রুমিকে দিয়ে সালমান শাহ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। এরপর তাকেও মেরে ফেলা হয়েছে।

রুবি ওই ভিডিওতে অনুরোধ করে বলেন, আমি নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। যেকোনো সময় আমাকে মেরে ফেলা হতে পারে। আমি শুধু এটুকু বলতে চাই, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেনি। তাকে খুন করা হয়েছে। আপনারা আমাকে সহযোগিতা করলে আমি প্রমাণ করতে পারবো এটি আত্মহত্যা নয় খুন।

গত ২০ অক্টোবর সালমান শাহর অপমৃত্যু মামলাকে হত্যা মামলায় রূপান্তরের নির্দেশ দেন আদালত। মহানগর দায়রা জজ আদালতের দেয়া নির্দেশের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম। এরপরই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। শুরু হয় তদন্ত।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় সর্বমোট ১১ জনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হত্যা মামলায় প্রধান আসামি নায়কের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। অন্য ১০ আসামিরা হলেন প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মেফিয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রিজভী আহমেদ ফরহাদ।