ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘ইরানের সঙ্গে চুক্তি তখনই হবে, যখন তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য লাভজনক হবে’ Logo এনসিপির তিন নেতার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ Logo এটাই কি গণতন্ত্র, এটাই কি বাংলাদেশ—সাদিক কায়েমের প্রশ্ন Logo সংসদে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানালেন জামায়াতের এমপি Logo দুর্গাপুরের উন্নয়নে পরিকল্পনা ঘোষণা করলেন ডেপুটি স্পিকার Logo ছাত্রদলের লাঠিয়াল বাহিনীর হাতে রামদা, চাপাতি দিয়ে মাঠে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে: সাদিক কায়েম Logo প্রধানমন্ত্রী ও তার কন্যাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, জবি ছাত্রদলের প্রতিবাদ Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাটা গ্রুপের গ্লোবাল সিইওর সাক্ষাৎ Logo ফকিরহাটে অসদুপায় অবলম্বনে এসএসসি পরীক্ষার্থী বহিষ্কার Logo শুক্রবার এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন যুবদলের সাবেক নেতা ইসহাক সরকার

লগি-বৈঠার হত্যাযজ্ঞ দেশের গণতন্ত্র ধ্বংসের পথ উন্মুক্ত করেছিল: জামায়াত নেতা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:২৮:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর পল্টনে লগি-বৈঠা দিয়ে চালানো হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা ধ্বংসের পথ উন্মুক্ত করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মা’ছুম।

তিনি বলেন, ‘পল্টন হত্যাযজ্ঞ নিছক কোনো হত্যাকাণ্ড ছিল না। ২৮ অক্টোবরের এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড ছিল দেশ ও জাতিসত্তাবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ। সেদিন খুনিরা শুধু হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, বরং লাশের ওপর নৃত্য করে দানবীয় উল্লাসে মেতে উঠেছিল। আইয়্যামে জাহেলিয়াতেও এ ধরনের নির্মমতা লক্ষ্য করা যায়নি। কিন্তু আওয়ামী লীগের দ্বারাই তা সম্ভব হয়েছিল। দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হলেও এসব খুনিকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা যায়নি।’

ওই হত্যাকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে সোমবার ( ২৭ অক্টোবর) বিকেলে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াত নেতা মা’ছুম এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তিনি নিহতদের গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন। রাজধানীর আল ফালাহ মিলনায়তনে এর আয়োজন করে ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াত।

এ টি এম মা’ছুম বলেন, ‘২৮ অক্টোবরের হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে আওয়ামী বাকশালীরা দেশে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা করেছিল। সেদিন ছিল চারদলীয় জোট সরকারের মেয়াদ পূর্তির দিন। তখন সংবিধান অনুযায়ী একটি নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের মাধ্যমে এর অধীনে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অতি তুচ্ছ অজুহাতে আওয়ামী লীগ সাংবিধানিক সে সরকারকে মেনে নিতে রাজি হয়নি, বরং কথিত আন্দোলনের নামে সারাদেশেই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল। পরে বিএনপি মহাসচিব আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল সংকট নিরসনে দফায় দফায় বৈঠক করে কোনো সমাধানে উপনীত হতে পারেননি।’

জামায়াতের এ জ্যেষ্ঠ নেতা আরও বলেন, ‘এটি ছিল সে সময়ের দেশের বৃহত্তম দুই দলের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা। ফলে ২৮ অক্টোবর নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটে। তারপর রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দীনের নেতৃত্বে একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়। কিন্তু আওয়ামী নৈরাজ্য থেমে থাকেনি। একসময় সরকারের উপদেষ্টারা পদত্যাগ করা শুরু করেন। সে সুযোগেই ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দীনরা ১/১১-এর অভ্যুত্থান ঘটাতে সক্ষম হয়। ১/১১-এর কথিত জরুরি সরকারের কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি ছিল না, বরং সে সরকার অদ্ভূত প্রকৃতির বেআইনি সরকার। ১/১১ সরকারের কাজই ছিল আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

‘ইরানের সঙ্গে চুক্তি তখনই হবে, যখন তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য লাভজনক হবে’

লগি-বৈঠার হত্যাযজ্ঞ দেশের গণতন্ত্র ধ্বংসের পথ উন্মুক্ত করেছিল: জামায়াত নেতা

আপডেট সময় ০১:২৮:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর পল্টনে লগি-বৈঠা দিয়ে চালানো হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা ধ্বংসের পথ উন্মুক্ত করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম মা’ছুম।

তিনি বলেন, ‘পল্টন হত্যাযজ্ঞ নিছক কোনো হত্যাকাণ্ড ছিল না। ২৮ অক্টোবরের এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড ছিল দেশ ও জাতিসত্তাবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ। সেদিন খুনিরা শুধু হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, বরং লাশের ওপর নৃত্য করে দানবীয় উল্লাসে মেতে উঠেছিল। আইয়্যামে জাহেলিয়াতেও এ ধরনের নির্মমতা লক্ষ্য করা যায়নি। কিন্তু আওয়ামী লীগের দ্বারাই তা সম্ভব হয়েছিল। দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হলেও এসব খুনিকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা যায়নি।’

ওই হত্যাকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে সোমবার ( ২৭ অক্টোবর) বিকেলে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াত নেতা মা’ছুম এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তিনি নিহতদের গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন। রাজধানীর আল ফালাহ মিলনায়তনে এর আয়োজন করে ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াত।

এ টি এম মা’ছুম বলেন, ‘২৮ অক্টোবরের হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে আওয়ামী বাকশালীরা দেশে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা করেছিল। সেদিন ছিল চারদলীয় জোট সরকারের মেয়াদ পূর্তির দিন। তখন সংবিধান অনুযায়ী একটি নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের মাধ্যমে এর অধীনে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অতি তুচ্ছ অজুহাতে আওয়ামী লীগ সাংবিধানিক সে সরকারকে মেনে নিতে রাজি হয়নি, বরং কথিত আন্দোলনের নামে সারাদেশেই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল। পরে বিএনপি মহাসচিব আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল সংকট নিরসনে দফায় দফায় বৈঠক করে কোনো সমাধানে উপনীত হতে পারেননি।’

জামায়াতের এ জ্যেষ্ঠ নেতা আরও বলেন, ‘এটি ছিল সে সময়ের দেশের বৃহত্তম দুই দলের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা। ফলে ২৮ অক্টোবর নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটে। তারপর রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দীনের নেতৃত্বে একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়। কিন্তু আওয়ামী নৈরাজ্য থেমে থাকেনি। একসময় সরকারের উপদেষ্টারা পদত্যাগ করা শুরু করেন। সে সুযোগেই ফখরুদ্দীন-মঈনুদ্দীনরা ১/১১-এর অভ্যুত্থান ঘটাতে সক্ষম হয়। ১/১১-এর কথিত জরুরি সরকারের কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি ছিল না, বরং সে সরকার অদ্ভূত প্রকৃতির বেআইনি সরকার। ১/১১ সরকারের কাজই ছিল আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন।’


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481