ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

মামুনকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চান জামালপুর সদরবাসী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:২৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

নিরঙ্কুশ সমর্থন ও রেকর্ডসংখ্যক ভোটে বিজয় অর্জনের পর এবার মামুনকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চান জামালপুর সদরের সর্বস্তরের মানুষ। এলাকার সাধারণ মানুষ মনে করেন, মামুন মন্ত্রিসভায় স্থান পেলে জাতীয় পর্যায়ে সদরবাসীর প্রতিনিধিত্ব করাসহ জেলার উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবেন।

অ্যাডভোকেট শাহ্‌ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির টানা চারবারের সাধারণ সম্পাদক। ক্লিন ইমেজের কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জামালপুর পৌরসভায় দুইবার মেয়র নির্বাচিত হন মামুন। সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জামালপুর-৫ (সদর) আসন থেকে প্রায় দ্বিগুণ ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ওয়ারেছ আলী মামুন। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই জামালপুরে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের ঢেউ বয়ে যাচ্ছে। অনেকেই এই বিজয়কে গণমানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও পরিবর্তনের প্রতিফলন হিসেবে মনে করছেন।

সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন মিলন বলেন, ওয়ারেছ আলী মামুন দীর্ঘ ১৭ বছর নিজের নির্বাচনী এলাকা কিংবা জেলার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকেননি। দলের দুঃসময়ে তিনি ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। আন্দোলন-সংগ্রামসহ দল পুনর্গঠন এবং নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করতে তাঁর ধারাবাহিক উপস্থিতি তৃণমূল রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করে। তাঁর ভাষ্য, জেলা সদরের সাধারণ মানুষের মুখে এখন একটাই কথা জনপ্রিয় ও মানবিক নেতা ওয়ারেছ আলী মামুনকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান তারা। তাদের বিশ্বাস, মন্ত্রী পরিষদে দায়িত্ব পেলে জামালপুর সদরসহ পুরো জেলার উন্নয়নকে আরও গতিশীল করতে সক্ষম হবেন তিনি।

সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সফিউর রহমান জানান, দীর্ঘ তিন দশক আওয়ামী লীগের দখলে থাকা গুরুত্বপূর্ণ আসনটি পুনরুদ্ধার করে ওয়ারেছ আলী মামুন জেলায় এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে জনমানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে উঠে আসা এই মানবিক নেতাকে এবার মন্ত্রী হিসেবে দেখার প্রত্যাশা করছেন সর্বস্তরের মানুষ।

জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, ওয়ারেছ আলী মামুনের এই বিজয় কেবল একটি নির্বাচনী সাফল্য নয়, এটি জনপ্রিয় নেতার প্রতি মানুষের গভীর আস্থা ও ভবিষ্যৎ স্বপ্নের প্রতিচ্ছবির ইঙ্গিত বহন করে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-৫ সদর আসনে ওয়ারেছ আলী মামুন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৩৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী পেয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ২০১ ভোট।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

মামুনকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চান জামালপুর সদরবাসী

আপডেট সময় ০১:২৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিরঙ্কুশ সমর্থন ও রেকর্ডসংখ্যক ভোটে বিজয় অর্জনের পর এবার মামুনকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চান জামালপুর সদরের সর্বস্তরের মানুষ। এলাকার সাধারণ মানুষ মনে করেন, মামুন মন্ত্রিসভায় স্থান পেলে জাতীয় পর্যায়ে সদরবাসীর প্রতিনিধিত্ব করাসহ জেলার উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবেন।

অ্যাডভোকেট শাহ্‌ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির টানা চারবারের সাধারণ সম্পাদক। ক্লিন ইমেজের কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জামালপুর পৌরসভায় দুইবার মেয়র নির্বাচিত হন মামুন। সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জামালপুর-৫ (সদর) আসন থেকে প্রায় দ্বিগুণ ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ওয়ারেছ আলী মামুন। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই জামালপুরে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের ঢেউ বয়ে যাচ্ছে। অনেকেই এই বিজয়কে গণমানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও পরিবর্তনের প্রতিফলন হিসেবে মনে করছেন।

সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন মিলন বলেন, ওয়ারেছ আলী মামুন দীর্ঘ ১৭ বছর নিজের নির্বাচনী এলাকা কিংবা জেলার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকেননি। দলের দুঃসময়ে তিনি ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। আন্দোলন-সংগ্রামসহ দল পুনর্গঠন এবং নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করতে তাঁর ধারাবাহিক উপস্থিতি তৃণমূল রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করে। তাঁর ভাষ্য, জেলা সদরের সাধারণ মানুষের মুখে এখন একটাই কথা জনপ্রিয় ও মানবিক নেতা ওয়ারেছ আলী মামুনকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান তারা। তাদের বিশ্বাস, মন্ত্রী পরিষদে দায়িত্ব পেলে জামালপুর সদরসহ পুরো জেলার উন্নয়নকে আরও গতিশীল করতে সক্ষম হবেন তিনি।

সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সফিউর রহমান জানান, দীর্ঘ তিন দশক আওয়ামী লীগের দখলে থাকা গুরুত্বপূর্ণ আসনটি পুনরুদ্ধার করে ওয়ারেছ আলী মামুন জেলায় এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে জনমানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে উঠে আসা এই মানবিক নেতাকে এবার মন্ত্রী হিসেবে দেখার প্রত্যাশা করছেন সর্বস্তরের মানুষ।

জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, ওয়ারেছ আলী মামুনের এই বিজয় কেবল একটি নির্বাচনী সাফল্য নয়, এটি জনপ্রিয় নেতার প্রতি মানুষের গভীর আস্থা ও ভবিষ্যৎ স্বপ্নের প্রতিচ্ছবির ইঙ্গিত বহন করে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-৫ সদর আসনে ওয়ারেছ আলী মামুন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৩৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী পেয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ২০১ ভোট।