ঢাকা ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

মানি লন্ডারিং এবং অবৈধভাবে বিপুল সম্পদ অর্জন এস আলমের ১৪২২ বিঘা জমি জব্দের আদেশ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:২২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ৭১ বার পড়া হয়েছে

মানি লন্ডারিং এবং অবৈধভাবে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চলমান অনুসন্ধানের জেরে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্টদের নামে থাকা ১৪২২ বিঘা জমি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ আজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। জমিগুলো অন্যত্র হস্তান্তর বা বেহাত হওয়ার আশঙ্কা থাকায় অনুসন্ধান চলাকালীন সময়ে দ্রুত এ পদক্ষেপ নিল দুদক।

এদিন দুদকের উপ-পরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক জমি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন।

শুনানি শেষে গাজীপুর সদরে ৮ দশমিক ৫৮ একর, শ্রীপুরে ৪ দশমিক ৮৬ একর, কক্সবাজারের পেকুয়ায় ২৭২ দশমিক ৬৮ একর, মহেশখালীতে ১৮০ দশমিক ২৮২১ একর, কক্সবাজার সদরে ২ দশমিক ১২০০ একর এবং চকরিয়া সদর এলাকায় দশমিক ৯৬৭৫ একর জমি জব্দ করা হয়।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, সাইফুল আলম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সত্তা ও সত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং সংগঠনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানকালে দেখা যায়, মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সত্তা ও সত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিভিন্ন ব্যাংক থেকে নামে বেনামে বিধিবহির্ভূতভাবে ঋণ নিয়ে তা আত্মসাত করে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছেন।

অনুসন্ধানকালে বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, তিনি (সাইফুল আলম) এবং তার পরিবারের সদস্যরা এসব স্থাবর সম্পদসমূহ অন্যত্র হাস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান নিষ্পত্তির পূর্বে এসব সম্পদ হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে পরবর্তীতে এসব টাকা উদ্ধার করা দুরুহ হয়ে পরবে।

এজন্য সাইফুল আলম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সত্তা ও সত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বার্থসংশ্লিষ্টদের এসব স্থাবর সম্পদসমূহ জরুরি ভিত্তিতে জব্দ করা প্রয়োজন।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, সাইফুল আলম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সত্তা ও সত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং সংগঠনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানকালে দেখা যায়, মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সত্তা ও সত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিভিন্ন ব্যাংক থেকে নামে বেনামে বিধিবহির্ভূতভাবে ঋণ নিয়ে তা আত্মসাত করে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছেন।

অনুসন্ধানকালে বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, তিনি (সাইফুল আলম) এবং তার পরিবারের সদস্যরা এসব স্থাবর সম্পদসমূহ অন্যত্র হাস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান নিষ্পত্তির পূর্বে এসব সম্পদ হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে পরবর্তীতে এসব টাকা উদ্ধার করা দুরুহ হয়ে পরবে।

এজন্য সাইফুল আলম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সত্তা ও সত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বার্থসংশ্লিষ্টদের এসব স্থাবর সম্পদসমূহ জরুরি ভিত্তিতে জব্দ করা প্রয়োজন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

মানি লন্ডারিং এবং অবৈধভাবে বিপুল সম্পদ অর্জন এস আলমের ১৪২২ বিঘা জমি জব্দের আদেশ

আপডেট সময় ০৯:২২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

মানি লন্ডারিং এবং অবৈধভাবে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চলমান অনুসন্ধানের জেরে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্টদের নামে থাকা ১৪২২ বিঘা জমি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ আজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। জমিগুলো অন্যত্র হস্তান্তর বা বেহাত হওয়ার আশঙ্কা থাকায় অনুসন্ধান চলাকালীন সময়ে দ্রুত এ পদক্ষেপ নিল দুদক।

এদিন দুদকের উপ-পরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক জমি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন।

শুনানি শেষে গাজীপুর সদরে ৮ দশমিক ৫৮ একর, শ্রীপুরে ৪ দশমিক ৮৬ একর, কক্সবাজারের পেকুয়ায় ২৭২ দশমিক ৬৮ একর, মহেশখালীতে ১৮০ দশমিক ২৮২১ একর, কক্সবাজার সদরে ২ দশমিক ১২০০ একর এবং চকরিয়া সদর এলাকায় দশমিক ৯৬৭৫ একর জমি জব্দ করা হয়।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, সাইফুল আলম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সত্তা ও সত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং সংগঠনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানকালে দেখা যায়, মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সত্তা ও সত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিভিন্ন ব্যাংক থেকে নামে বেনামে বিধিবহির্ভূতভাবে ঋণ নিয়ে তা আত্মসাত করে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছেন।

অনুসন্ধানকালে বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, তিনি (সাইফুল আলম) এবং তার পরিবারের সদস্যরা এসব স্থাবর সম্পদসমূহ অন্যত্র হাস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান নিষ্পত্তির পূর্বে এসব সম্পদ হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে পরবর্তীতে এসব টাকা উদ্ধার করা দুরুহ হয়ে পরবে।

এজন্য সাইফুল আলম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সত্তা ও সত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বার্থসংশ্লিষ্টদের এসব স্থাবর সম্পদসমূহ জরুরি ভিত্তিতে জব্দ করা প্রয়োজন।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, সাইফুল আলম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সত্তা ও সত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং সংগঠনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানকালে দেখা যায়, মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সত্তা ও সত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিভিন্ন ব্যাংক থেকে নামে বেনামে বিধিবহির্ভূতভাবে ঋণ নিয়ে তা আত্মসাত করে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছেন।

অনুসন্ধানকালে বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, তিনি (সাইফুল আলম) এবং তার পরিবারের সদস্যরা এসব স্থাবর সম্পদসমূহ অন্যত্র হাস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান নিষ্পত্তির পূর্বে এসব সম্পদ হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে পরবর্তীতে এসব টাকা উদ্ধার করা দুরুহ হয়ে পরবে।

এজন্য সাইফুল আলম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সত্তা ও সত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বার্থসংশ্লিষ্টদের এসব স্থাবর সম্পদসমূহ জরুরি ভিত্তিতে জব্দ করা প্রয়োজন।