ঢাকা ০৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ভোলায় যুবদল-শ্রমিক দলের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১৫

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৫২:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
ভোলার তজুমদ্দিনে বিএনপির দু’গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়। আহতদের ৪জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। তবে উভয় গ্রুপ একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ আনেন।

আহত ও হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন ও যুবদলনেতা গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার, মিজান গ্রুপের মধ্যে শশীগঞ্জ দক্ষিণ বাজার হাসপাতালের সামনে সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘন্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আহতদের ৪জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনের অবস্থা আশংকজনক হওয়ায় ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। আহতরা হলেন, মো. নোমান (২৫), আব্দুল গফুর (৩৫), মিরাজ (২৫), আল-আমীন (২৫), রুবেল (৩৫)। আহদের মধ্যে আল-আমীনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শ্রমিকদল সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন বলেন, ২০১৭ সালে আ’লীগ ক্যাডাররা আমার বাজার দোকান ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। আমাকে মারপিট করে উলঙ্গ করে ফেলে সন্ত্রাসীরা। পরে ২০১৮ সালে স্লুইজঘাটে সাবেক যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সবুজ তালুকদারের তালুকদার মার্কেটে একটি দোকান দেই। ২০১৯ সালে বিস্ফোরক আইনে দায়ের মামলার হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় দোকনের চাবি সবুজ তালুকদারের নিকটে গচ্ছিত রেখে যাই। আদালত আমাকে জামিন না দিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করলে আমি ১মাসেরও বেশি সময় জেল খেটে এসে দেখি আমার দোকানের সকল মালামাল সবুজ ও তার ভাই রিয়াজ মিলে লুট করে নিয়ে যায়।

পরে ৫আগষ্টের পরে আমি আমার পাওনা বুঝে নিতে গেলে যুবদলের একনেতা নেতৃত্বে গিয়াস ও মিজান প্রতিবন্ধকতা তৈরী করা আ’লীগ ক্যাডার সবুজর নিকট থেকে আমি আমার লুট করা মালামালের হিসাব বুঝে নিতে পারিনি। গতকাল ৬ জানুয়ারী সবুজ তালুদারকে ধরতে শশীগঞ্জ বাজারের দক্ষিণ মাথায় গেলে গিয়াস ও মিজানের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী আমাদের উপর হামলা করে।

যুবদল নেতা গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার জানান, ৬ জানুয়ারী মঙ্গলবার দুপুরে ইকবাল হোসেন লিটন দক্ষিণ বাজারের ব্যবসায়ীদেরকে গালিগালাজ করে মারপিট করে। এ সময় রুবেল বাধা দিলে তারা রুবেলকে মারপিট করলে দক্ষিণ বাজারের লোকজন তাদেরকে প্রতিহত করলে সংঘর্ষ বাজে। এতে আমাদের রুবেল, ইলিয়াছ ও আবু সাইদসহ কয়েকজন আহত হয়।

তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, মারামারির ঘটনায় কোন পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ভোলায় যুবদল-শ্রমিক দলের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১৫

আপডেট সময় ০৬:৫২:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
ভোলার তজুমদ্দিনে বিএনপির দু’গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়। আহতদের ৪জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। তবে উভয় গ্রুপ একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ আনেন।

আহত ও হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন ও যুবদলনেতা গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার, মিজান গ্রুপের মধ্যে শশীগঞ্জ দক্ষিণ বাজার হাসপাতালের সামনে সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘন্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আহতদের ৪জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনের অবস্থা আশংকজনক হওয়ায় ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। আহতরা হলেন, মো. নোমান (২৫), আব্দুল গফুর (৩৫), মিরাজ (২৫), আল-আমীন (২৫), রুবেল (৩৫)। আহদের মধ্যে আল-আমীনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শ্রমিকদল সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন বলেন, ২০১৭ সালে আ’লীগ ক্যাডাররা আমার বাজার দোকান ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। আমাকে মারপিট করে উলঙ্গ করে ফেলে সন্ত্রাসীরা। পরে ২০১৮ সালে স্লুইজঘাটে সাবেক যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সবুজ তালুকদারের তালুকদার মার্কেটে একটি দোকান দেই। ২০১৯ সালে বিস্ফোরক আইনে দায়ের মামলার হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় দোকনের চাবি সবুজ তালুকদারের নিকটে গচ্ছিত রেখে যাই। আদালত আমাকে জামিন না দিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করলে আমি ১মাসেরও বেশি সময় জেল খেটে এসে দেখি আমার দোকানের সকল মালামাল সবুজ ও তার ভাই রিয়াজ মিলে লুট করে নিয়ে যায়।

পরে ৫আগষ্টের পরে আমি আমার পাওনা বুঝে নিতে গেলে যুবদলের একনেতা নেতৃত্বে গিয়াস ও মিজান প্রতিবন্ধকতা তৈরী করা আ’লীগ ক্যাডার সবুজর নিকট থেকে আমি আমার লুট করা মালামালের হিসাব বুঝে নিতে পারিনি। গতকাল ৬ জানুয়ারী সবুজ তালুদারকে ধরতে শশীগঞ্জ বাজারের দক্ষিণ মাথায় গেলে গিয়াস ও মিজানের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী আমাদের উপর হামলা করে।

যুবদল নেতা গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার জানান, ৬ জানুয়ারী মঙ্গলবার দুপুরে ইকবাল হোসেন লিটন দক্ষিণ বাজারের ব্যবসায়ীদেরকে গালিগালাজ করে মারপিট করে। এ সময় রুবেল বাধা দিলে তারা রুবেলকে মারপিট করলে দক্ষিণ বাজারের লোকজন তাদেরকে প্রতিহত করলে সংঘর্ষ বাজে। এতে আমাদের রুবেল, ইলিয়াছ ও আবু সাইদসহ কয়েকজন আহত হয়।

তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, মারামারির ঘটনায় কোন পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।