ঢাকা ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

বান্দরবানে ৬ এতিম শিশুর লেখাপড়ার দায়িত্ব নিল সেনাবাহিনী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:০৭:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৪০ বার পড়া হয়েছে

বান্দরবানে পাহাড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছয়জন এতিম শিশুর লেখাপড়ার দায়িত্ব নিয়েছে সেনাবাহিনীসশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হাতে রুমা, রোয়াংছড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব এতিম শিশুদের অভিভাবকরা নিহত হয়েছেনএছাড়াও অসুস্থ হয়েও কারও কারও অভিভাবকের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (৫ নভেম্বর) সকালে জেলা সেনানিবাসে শিশুদের অভিভাবকদের হাতে এক বছরের লেখাপড়ার খরচ ও শিক্ষা সামগ্রী তুলে দেয়া হয়।

সেনাবাহিনী জানায়, বুধবার সকালে বান্দরবান সেনানিবাসে ছয় শিশুর অভিভাবকদের হাতে এক বছরের লেখাপড়ার খরচ ও শিক্ষা সামগ্রী তুলে দেয়া হয়েছে। এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান সেনা রিজিয়নের কর্মকর্তা (জিএসও ২) মেজর পারভেজ রহমান।

২০২৩ সালে বান্দরবানের রোয়াংছড়ির পাইক্ষ্যং পাড়ায় সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হন ক্রীস্টিনা বমের পিতা লাললক লিয়ান বম। আর্থিক সংকটের কারণে চার বছরের শিশুর পড়ালেখা করার কোনো উপায় ছিল না। অন্যদিকে রুমা উপজেলার রনিন পাড়ায় পাঁচ বছর আগে অসুস্থ হয়ে মারা যান লালরাউ সাং-এর পিতা। শিশুটির মায়ের অন্যত্র বিয়ে হয়ে গেছে। শিশুটি এখন এতিম। তার পড়ালেখাও বন্ধ।

স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি সেনাবাহিনী বান্দরবানের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাকিব ইবনে রেজোয়ান এলাকা পরিদর্শনে গেলে এতিম শিশুদের দেখা পান। তিনি তাদের খোঁজখবর নেন এবং পড়াশোনার দায়িত্ব নেন।

মেজর পারভেজ রহমান বলেন, এই এতিম শিশুরা যাতে পড়ালেখা চালিয়ে যেতে পারে সে জন্য তাদের প্রাথমিকভাবে এক বছরের খরচ ও শিক্ষা সামগ্রী দেওয়া হয়েছে। এ সহায়তা অব্যাহত থাকবে। শুধু এতিম শিশুদেরই নয় দুর্গম এলাকায় যেসব লোকজন ক্ষতিগ্রস্ত তাদেরও নানাভাবে সহায়তা করছে সেনাবাহিনী। এদিকে অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে গরিব অসহায় দুঃস্থদের মাঝে সেলাই মেশিন, ঢেউটিন ও অর্থ সহায়তাও দেওয়া হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

বান্দরবানে ৬ এতিম শিশুর লেখাপড়ার দায়িত্ব নিল সেনাবাহিনী

আপডেট সময় ০৪:০৭:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

বান্দরবানে পাহাড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছয়জন এতিম শিশুর লেখাপড়ার দায়িত্ব নিয়েছে সেনাবাহিনীসশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হাতে রুমা, রোয়াংছড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব এতিম শিশুদের অভিভাবকরা নিহত হয়েছেনএছাড়াও অসুস্থ হয়েও কারও কারও অভিভাবকের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (৫ নভেম্বর) সকালে জেলা সেনানিবাসে শিশুদের অভিভাবকদের হাতে এক বছরের লেখাপড়ার খরচ ও শিক্ষা সামগ্রী তুলে দেয়া হয়।

সেনাবাহিনী জানায়, বুধবার সকালে বান্দরবান সেনানিবাসে ছয় শিশুর অভিভাবকদের হাতে এক বছরের লেখাপড়ার খরচ ও শিক্ষা সামগ্রী তুলে দেয়া হয়েছে। এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান সেনা রিজিয়নের কর্মকর্তা (জিএসও ২) মেজর পারভেজ রহমান।

২০২৩ সালে বান্দরবানের রোয়াংছড়ির পাইক্ষ্যং পাড়ায় সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হন ক্রীস্টিনা বমের পিতা লাললক লিয়ান বম। আর্থিক সংকটের কারণে চার বছরের শিশুর পড়ালেখা করার কোনো উপায় ছিল না। অন্যদিকে রুমা উপজেলার রনিন পাড়ায় পাঁচ বছর আগে অসুস্থ হয়ে মারা যান লালরাউ সাং-এর পিতা। শিশুটির মায়ের অন্যত্র বিয়ে হয়ে গেছে। শিশুটি এখন এতিম। তার পড়ালেখাও বন্ধ।

স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি সেনাবাহিনী বান্দরবানের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাকিব ইবনে রেজোয়ান এলাকা পরিদর্শনে গেলে এতিম শিশুদের দেখা পান। তিনি তাদের খোঁজখবর নেন এবং পড়াশোনার দায়িত্ব নেন।

মেজর পারভেজ রহমান বলেন, এই এতিম শিশুরা যাতে পড়ালেখা চালিয়ে যেতে পারে সে জন্য তাদের প্রাথমিকভাবে এক বছরের খরচ ও শিক্ষা সামগ্রী দেওয়া হয়েছে। এ সহায়তা অব্যাহত থাকবে। শুধু এতিম শিশুদেরই নয় দুর্গম এলাকায় যেসব লোকজন ক্ষতিগ্রস্ত তাদেরও নানাভাবে সহায়তা করছে সেনাবাহিনী। এদিকে অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে গরিব অসহায় দুঃস্থদের মাঝে সেলাই মেশিন, ঢেউটিন ও অর্থ সহায়তাও দেওয়া হয়।