ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

বন্ধ কারখানা চালু করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১৩:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা পুনরায় চালুর লক্ষ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, উৎপাদন বৃদ্ধি, রপ্তানি সম্প্রসারণ, বেসরকারি খাতের উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

শনিবার (২৩ মে) ঢাকার মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে গভর্নর ড. মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এই প্যাকেজের আওতায় মোট ৬০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ৪১ হাজার কোটি টাকা বন্ধ ও আংশিক সচল কারখানা পুনঃচালুর জন্য পুনঃঅর্থায়ন হিসেবে ব্যবহার করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক নিজস্ব তহবিল থেকে আরও ১৯ হাজার কোটি টাকা সরবরাহ করবে।

গভর্নর আরও জানান, গ্রাহক পর্যায়ে বড় শিল্পের ক্ষেত্রে ঋণের সুদের হার ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের ক্ষেত্রে সুদের হার কিছুটা বেশি হতে পারে।

এই তহবিল থেকে বৃহৎ শিল্পের পাশাপাশি কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) এবং কৃষিখাতেও অর্থায়ন করা হবে।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রায় ২৫ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, এই প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়িত হলে বন্ধ কারখানা পুনরায় চালু হবে, নতুন উৎপাদন সক্ষমতা তৈরি হবে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং রেমিট্যান্স প্রবাহও বাড়বে। পাশাপাশি সবুজ বিনিয়োগ ও গ্রামীণ অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্প্রসারিত হবে, যা জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কোভিড-পরবর্তী সংকট, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের অস্থিরতার কারণে যেসব প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলো এই সুবিধার আওতায় আসবে।

তিনি আরও জানান, যেসব প্রতিষ্ঠানের বাজারে চাহিদা ও নিশ্চিত ক্রয়াদেশ রয়েছে, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে বাণিজ্য সংগঠন ও ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে ১ হাজার ২০০টির বেশি বন্ধ ও আংশিক চালু শিল্প ইউনিট চিহ্নিত করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

বন্ধ কারখানা চালু করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা বাংলাদেশ ব্যাংকের

আপডেট সময় ০৬:১৩:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:

বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা পুনরায় চালুর লক্ষ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, উৎপাদন বৃদ্ধি, রপ্তানি সম্প্রসারণ, বেসরকারি খাতের উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

শনিবার (২৩ মে) ঢাকার মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে গভর্নর ড. মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এই প্যাকেজের আওতায় মোট ৬০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ৪১ হাজার কোটি টাকা বন্ধ ও আংশিক সচল কারখানা পুনঃচালুর জন্য পুনঃঅর্থায়ন হিসেবে ব্যবহার করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক নিজস্ব তহবিল থেকে আরও ১৯ হাজার কোটি টাকা সরবরাহ করবে।

গভর্নর আরও জানান, গ্রাহক পর্যায়ে বড় শিল্পের ক্ষেত্রে ঋণের সুদের হার ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের ক্ষেত্রে সুদের হার কিছুটা বেশি হতে পারে।

এই তহবিল থেকে বৃহৎ শিল্পের পাশাপাশি কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) এবং কৃষিখাতেও অর্থায়ন করা হবে।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রায় ২৫ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, এই প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়িত হলে বন্ধ কারখানা পুনরায় চালু হবে, নতুন উৎপাদন সক্ষমতা তৈরি হবে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং রেমিট্যান্স প্রবাহও বাড়বে। পাশাপাশি সবুজ বিনিয়োগ ও গ্রামীণ অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্প্রসারিত হবে, যা জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কোভিড-পরবর্তী সংকট, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের অস্থিরতার কারণে যেসব প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলো এই সুবিধার আওতায় আসবে।

তিনি আরও জানান, যেসব প্রতিষ্ঠানের বাজারে চাহিদা ও নিশ্চিত ক্রয়াদেশ রয়েছে, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে বাণিজ্য সংগঠন ও ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে ১ হাজার ২০০টির বেশি বন্ধ ও আংশিক চালু শিল্প ইউনিট চিহ্নিত করেছে।