ঢাকা ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘স্থানীয় সরকার বিল পাস না হলে আ. লীগের মেয়রদের চেয়ারে বসার সুযোগ দিতে হবে’: প্রতিমন্ত্রী Logo বিএনপি ফ্যাসিজমের পথে: বিরোধীদলীয় নেতা Logo অতীতের চেয়ে এবারের হজ ব্যবস্থাপনা আরো সুষ্ঠু করতে হবে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ Logo আমরা কি সরকারি দলকে জিজ্ঞাসা করে ওয়াকআউট করব: তিনবার ওয়াকআউটের পর বিরোধীদলীয় নেতা Logo পয়লা বৈশাখে ভিন্নধর্মী সংস্কৃতি কাম্য নয়: শায়খ আহমাদুল্লাহ Logo যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের বিক্ষোভ Logo ১ ডলারের বিয়ার কক্সবাজারে ১৪০০ টাকা, কেন আসবেন বিদেশি পর্যটক Logo হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায়ে চীনা মুদ্রা নিচ্ছে ইরান Logo স্টুডেন্ট ভিসায় ধাক্কা, অর্ধেকের বেশি প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশি আবেদন Logo আমার রায় অবৈধ হলে অন্তর্বর্তী সরকারের সবকিছুই অবৈধ: ইশরাক

প্রশাসক নিয়োগের বিধান রেখে স্থানীয় সরকারের ৫ বিল পাস

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:২৪:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ পরিস্থিতি বা জনস্বার্থে জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করে প্রশাসক নিয়োগের বিধান বহাল রেখে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের পাঁচটি সংশোধনী বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ।

বৃহস্পতিবার সংসদে ‘স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ সংশোধন বিল, ২০২৬’, ‘উপজেলা পরিষদ সংশোধন বিল, ২০২৬’, ‘জেলা পরিষদ সংশোধন বিল, ২০২৬’, ‘স্থানীয় সরকার পৌরসভা সংশোধন বিল, ২০২৬’ এবং ‘স্থানীয় সরকার সিটি করপোরেশন সংশোধন বিল, ২০২৬’ উত্থাপন, অবিলম্বে বিবেচনা এবং কণ্ঠভোটে পাস হয়।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অনুপস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বিলগুলো সংসদে তোলেন। জেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও উপজেলা পরিষদ বিলের ক্ষেত্রে বিরোধী সদস্যরা আপত্তি তোলেন। ইউনিয়ন পরিষদ বিলটি তুলনামূলক কম বিতর্কে পাস হয়।

পাঁচটি বিলেই প্রায় একই ব্যাখ্যা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সৃষ্ট পরিস্থিতিতে অনেক নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কর্মস্থলে অনুপস্থিত, পলাতক বা আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। সেই পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশ জারি করে প্রশাসক নিয়োগের সুযোগ তৈরি করেছিল, এখন সেগুলো আইনে রূপ দেওয়া হচ্ছে।

সংসদে আলোচনায় তিনি বলেন, আইনগুলো পাস হওয়ার পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিকে যাবে সরকার।

আলোচনায় প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, এসব আইনে ‘বিশেষ পরিস্থিতি বা জনস্বার্থে’ জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ এবং প্রশাসক নিয়োগের ক্ষমতা সরকারের হাতে রাখা হচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এই সুযোগ তৈরি করা হয়েছিল, কারণ তখন স্থানীয় সরকারের বহু জনপ্রতিনিধি অনুপস্থিত ছিলেন এবং স্থানীয় সেবা ব্যাহত হচ্ছিল। এখন সেই বিধানই আইনে রূপ দেওয়া হচ্ছে।

একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করার বিধানও বাদ দেওয়া হচ্ছে। এ অংশ নিয়ে বিরোধী দলের আপত্তি ছিল না।

প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, সংশোধনীগুলো স্থায়ীভাবে প্রশাসক বসিয়ে রাখার জন্য নয়, বরং নির্বাচন পর্যন্ত একটি অন্তর্বর্তী কাঠামো ধরে রাখার জন্য আনা হয়েছে।

জেলা পরিষদ ও পৌরসভা বিল পাসের পর বিরোধী দলের নেতা শফিকুর রহমান সংসদ থেকে ওয়াকআউটের ঘোষণা দেন।

তার ভাষায়, দুঃখ হলেও সত্য বিরোধী দলের যৌক্তিক বাধা সত্ত্বেও যে কয়টি গণবিরোধী বিল আজকে পাস হয়েছে আমরা তার দায় নিতে চাই না, এজন্য আমরা এখন সংসদ থেকে ওয়াকআউট করছি।

পরে অধিবেশনে ফিরে এসে তিনি বলেন, আমরা যেটা যৌক্তিক মনে করব সেটাতে আমরা একমত হব, সহযোগিতাও করব। যেটা আমাদের যুক্তিতে ধরবে না, এটার আমরা বিরোধিতা করব। এটা আমাদের দায়িত্ব এবং অধিকার।

ডেপুটি স্পিকার জবাবে বলেন, ওয়াকআউট করা ডেমোক্রেটিক রাইটস অ্যান্ড প্র্যাকটিস।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

‘স্থানীয় সরকার বিল পাস না হলে আ. লীগের মেয়রদের চেয়ারে বসার সুযোগ দিতে হবে’: প্রতিমন্ত্রী

প্রশাসক নিয়োগের বিধান রেখে স্থানীয় সরকারের ৫ বিল পাস

আপডেট সময় ১২:২৪:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

বিশেষ পরিস্থিতি বা জনস্বার্থে জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করে প্রশাসক নিয়োগের বিধান বহাল রেখে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের পাঁচটি সংশোধনী বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ।

বৃহস্পতিবার সংসদে ‘স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ সংশোধন বিল, ২০২৬’, ‘উপজেলা পরিষদ সংশোধন বিল, ২০২৬’, ‘জেলা পরিষদ সংশোধন বিল, ২০২৬’, ‘স্থানীয় সরকার পৌরসভা সংশোধন বিল, ২০২৬’ এবং ‘স্থানীয় সরকার সিটি করপোরেশন সংশোধন বিল, ২০২৬’ উত্থাপন, অবিলম্বে বিবেচনা এবং কণ্ঠভোটে পাস হয়।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অনুপস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বিলগুলো সংসদে তোলেন। জেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও উপজেলা পরিষদ বিলের ক্ষেত্রে বিরোধী সদস্যরা আপত্তি তোলেন। ইউনিয়ন পরিষদ বিলটি তুলনামূলক কম বিতর্কে পাস হয়।

পাঁচটি বিলেই প্রায় একই ব্যাখ্যা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সৃষ্ট পরিস্থিতিতে অনেক নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কর্মস্থলে অনুপস্থিত, পলাতক বা আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। সেই পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশ জারি করে প্রশাসক নিয়োগের সুযোগ তৈরি করেছিল, এখন সেগুলো আইনে রূপ দেওয়া হচ্ছে।

সংসদে আলোচনায় তিনি বলেন, আইনগুলো পাস হওয়ার পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিকে যাবে সরকার।

আলোচনায় প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, এসব আইনে ‘বিশেষ পরিস্থিতি বা জনস্বার্থে’ জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ এবং প্রশাসক নিয়োগের ক্ষমতা সরকারের হাতে রাখা হচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এই সুযোগ তৈরি করা হয়েছিল, কারণ তখন স্থানীয় সরকারের বহু জনপ্রতিনিধি অনুপস্থিত ছিলেন এবং স্থানীয় সেবা ব্যাহত হচ্ছিল। এখন সেই বিধানই আইনে রূপ দেওয়া হচ্ছে।

একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করার বিধানও বাদ দেওয়া হচ্ছে। এ অংশ নিয়ে বিরোধী দলের আপত্তি ছিল না।

প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, সংশোধনীগুলো স্থায়ীভাবে প্রশাসক বসিয়ে রাখার জন্য নয়, বরং নির্বাচন পর্যন্ত একটি অন্তর্বর্তী কাঠামো ধরে রাখার জন্য আনা হয়েছে।

জেলা পরিষদ ও পৌরসভা বিল পাসের পর বিরোধী দলের নেতা শফিকুর রহমান সংসদ থেকে ওয়াকআউটের ঘোষণা দেন।

তার ভাষায়, দুঃখ হলেও সত্য বিরোধী দলের যৌক্তিক বাধা সত্ত্বেও যে কয়টি গণবিরোধী বিল আজকে পাস হয়েছে আমরা তার দায় নিতে চাই না, এজন্য আমরা এখন সংসদ থেকে ওয়াকআউট করছি।

পরে অধিবেশনে ফিরে এসে তিনি বলেন, আমরা যেটা যৌক্তিক মনে করব সেটাতে আমরা একমত হব, সহযোগিতাও করব। যেটা আমাদের যুক্তিতে ধরবে না, এটার আমরা বিরোধিতা করব। এটা আমাদের দায়িত্ব এবং অধিকার।

ডেপুটি স্পিকার জবাবে বলেন, ওয়াকআউট করা ডেমোক্রেটিক রাইটস অ্যান্ড প্র্যাকটিস।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481