ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

থানায় ঘুমন্ত পুলিশের সঙ্গে গ্রেফতার হওয়া ছাত্রলীগ নেতার সেলফি!

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৫৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১২৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রেফতারের পরও থানা হেফাজতে থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় থাকতে দেখা গেছে। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড় চলছে।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তি হলেন মো. শোয়াইব-উল ইসলাম মহিম (২১)। সে পটিয়া উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবুল বশরের ছেলে এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে পরিচিত।

জানা গেছে, বুধবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে পটিয়া পৌর সদরের কাগজীপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, বিজয় দিবস উপলক্ষে নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের একটি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করায় তাকে আটক করা হয়েছে।

তবে গ্রেফতারের পরপরই শোয়াইবের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। পুলিশ হেফাজতে থাকার পরও তাকে ফেসবুকে নিয়মিত পোস্ট দিতে দেখা যায়। এক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন—“আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমি পটিয়া থানায়। দেখা হবে আবারো, ফিরবো বীরের বেশে কোন একদিন। জয় বাংলা।”

পরবর্তীতে থানা পুলিশের অফিস কক্ষে হাতকড়া পরা একটি ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন—“এইদিন দিন নয়, দিন আরও আছে।”

এছাড়াও ডিউটিরত অবস্থায় ঘুমন্ত এক পুলিশ সদস্যের সঙ্গে সেলফি তুলে তা ফেসবুকে পোস্ট করেন শোয়াইব। ছবিটির ক্যাপশনে তিনি লেখেন—“ঘুম ভালোবাসিরে এএএ… জীবন যেমনই হোক বিনোদন মিস করা যাবে না।”

সর্বশেষে আরেকটি ছবিতে তাকে ছাত্রলীগ নেতা ও বন্ধু মহিমের সঙ্গে ভিডিও কলে যোগাযোগ করতে দেখা যায়। ওই ছবির ক্যাপশনে বন্ধু মহিম লেখেন “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আপোষহীন লড়াইয়ে দখলদার বাহিনীর হাতে অন্যায়ভাবে গ্রেফতারকৃত পটিয়া উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ কর্মী মো. শোয়াইব-উল ইসলাম মহিমের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।”

পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় কীভাবে একজন গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি মোবাইল ফোন ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় থাকতে পারেন—এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, গ্রেফতারকৃত ছাত্রলীগ নেতা শোয়াইব-উল ইসলাম কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে সে ছবি তুলে ফেইসবুকে দিয়েছিল মনে হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

থানায় ঘুমন্ত পুলিশের সঙ্গে গ্রেফতার হওয়া ছাত্রলীগ নেতার সেলফি!

আপডেট সময় ০৪:৫৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

নিউজ ডেস্ক:
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রেফতারের পরও থানা হেফাজতে থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় থাকতে দেখা গেছে। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড় চলছে।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তি হলেন মো. শোয়াইব-উল ইসলাম মহিম (২১)। সে পটিয়া উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবুল বশরের ছেলে এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে পরিচিত।

জানা গেছে, বুধবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে পটিয়া পৌর সদরের কাগজীপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, বিজয় দিবস উপলক্ষে নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের একটি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করায় তাকে আটক করা হয়েছে।

তবে গ্রেফতারের পরপরই শোয়াইবের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। পুলিশ হেফাজতে থাকার পরও তাকে ফেসবুকে নিয়মিত পোস্ট দিতে দেখা যায়। এক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন—“আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমি পটিয়া থানায়। দেখা হবে আবারো, ফিরবো বীরের বেশে কোন একদিন। জয় বাংলা।”

পরবর্তীতে থানা পুলিশের অফিস কক্ষে হাতকড়া পরা একটি ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন—“এইদিন দিন নয়, দিন আরও আছে।”

এছাড়াও ডিউটিরত অবস্থায় ঘুমন্ত এক পুলিশ সদস্যের সঙ্গে সেলফি তুলে তা ফেসবুকে পোস্ট করেন শোয়াইব। ছবিটির ক্যাপশনে তিনি লেখেন—“ঘুম ভালোবাসিরে এএএ… জীবন যেমনই হোক বিনোদন মিস করা যাবে না।”

সর্বশেষে আরেকটি ছবিতে তাকে ছাত্রলীগ নেতা ও বন্ধু মহিমের সঙ্গে ভিডিও কলে যোগাযোগ করতে দেখা যায়। ওই ছবির ক্যাপশনে বন্ধু মহিম লেখেন “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আপোষহীন লড়াইয়ে দখলদার বাহিনীর হাতে অন্যায়ভাবে গ্রেফতারকৃত পটিয়া উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ কর্মী মো. শোয়াইব-উল ইসলাম মহিমের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।”

পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় কীভাবে একজন গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি মোবাইল ফোন ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় থাকতে পারেন—এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।

পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, গ্রেফতারকৃত ছাত্রলীগ নেতা শোয়াইব-উল ইসলাম কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে সে ছবি তুলে ফেইসবুকে দিয়েছিল মনে হয়।