ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের বিষয়েও মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় কাজ করছে: আযম খান Logo বিয়ের গহনা বহনে নিরাপত্তা দেবে পুলিশ: ডিবিপ্রধান Logo ‘এখন অন্তত মানুষ নির্ভয়ে কথা বলতে পারছে’ Logo বিজয় অর্জনে যুদ্ধ চালিয়ে যেতেই হবে: ইসরায়েলি নিরাপত্তামন্ত্রী Logo ইরানের ভয়াবহ হামলায় হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে জানালো ইসরায়েল Logo মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা শাহ আমানত বিমানবন্দরে ফ্লাইট বিপর্যয়, একদিনেই বাতিল ৭টি Logo জ্বালানি নিরাপত্তায় স্বস্তি: ২২ দিনে খালাস ২৫ জাহাজ, পথে আরও দুই Logo ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কীভাবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করছে, জরুরি তদন্তে ইসরায়েল Logo একসঙ্গে নাটোরের চার এমপি, উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রত্যয় Logo ‘শত্রুদের জাহাজ’ বাদে সবার জন্য হরমুজ প্রণালী খোলা: বড় ঘোষণা দিলো ইরান

জ্বালানি নিরাপত্তায় স্বস্তি: ২২ দিনে খালাস ২৫ জাহাজ, পথে আরও দুই

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১৭:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত ও শিল্প-বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে পুরোদমে চলছে তেল ও এলপিজি খালাসের কার্যক্রম। চলতি মার্চ মাসের প্রথম ২২ দিনেই ২৫টি জ্বালানিবাহী জাহাজ (ভেসেল) সফলভাবে খালাস করা হয়েছে। বর্তমানে বন্দরে একটি জাহাজের খালাস চলছে এবং বহির্নোঙরে অপেক্ষমাণ আছে আরও একটি। এছাড়া সমুদ্রপথে দেশের দিকে আরও দুটি বড় জাহাজ অগ্রসর হচ্ছে বলে বন্দর সূত্রে জানা গেছে।

সচল থাকছে শিল্প ও পরিবহন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ট্রাফিক ও মেরিন বিভাগের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১ থেকে ২২ মার্চের মধ্যে খালাস হওয়া ২৫টি জাহাজে মূলত ডিজেল, ফার্নেস অয়েল, জেট ফুয়েল ও অকটেন আনা হয়েছে। সেচ মৌসুম এবং কলকারখানার চাকা সচল রাখতে এই জ্বালানিগুলো মূল ভূমিকা পালন করছে।

শিপিং সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি আমদানিকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে বন্দরে কোনো ধরনের জাহাজ জট বা খালাসে স্থবিরতা নেই।

গ্যাস ও বেস অয়েলের সরবরাহ বর্তমানে জেটি ও বহির্নোঙরে দুটি গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ অবস্থান করছে। এর মধ্যে ওমান থেকে আসা ‘LPG SEVAN’ জাহাজটি বর্তমানে খালাস পর্যায়ে রয়েছে, যা গৃহস্থালি গ্যাসের চাহিদা মেটাতে সহায়ক হবে।

অন্যদিকে, থাইল্যান্ড থেকে বেস অয়েল নিয়ে আসা ‘AB OLIVIA’ জাহাজটি বহির্নোঙরের ‘ব্রাভো’ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা দেশের লুব্রিকেন্ট খাতের চাহিদা পূরণ করবে।

আসছে আরও বিপুল জ্বালানি শিপিং এজেন্টদের তথ্যমতে, আগামী ২৫ মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে ‘BWEK BORNHOLM’ ও ‘MORNING JANE’ নামের আরও দুটি বড় ভেসেল। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই জাহাজগুলোর জ্বালানি জাতীয় গ্রিড ও মজুতে যুক্ত হলে চলমান সেচ মৌসুমে বা বিদ্যুৎ উৎপাদনে কোনো ধরনের সংকটের আশঙ্কা থাকবে না।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, একটি জাহাজ সময়মতো খালাস হওয়া মানে দেশের বড় অঙ্কের অর্থ সাশ্রয় এবং বাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষা। মাত্র ২২ দিনে ২৫টি জাহাজ খালাস করা আমাদের লজিস্টিক সক্ষমতারই প্রমাণ। আমদানির এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, এক মাসের কম সময়ে এতগুলো জাহাজের খালাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনার জন্য একটি বড় ইতিবাচক দিক। এর ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির সুযোগ অনেকাংশেই কমে আসবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের বিষয়েও মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় কাজ করছে: আযম খান

জ্বালানি নিরাপত্তায় স্বস্তি: ২২ দিনে খালাস ২৫ জাহাজ, পথে আরও দুই

আপডেট সময় ০৬:১৭:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত ও শিল্প-বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে পুরোদমে চলছে তেল ও এলপিজি খালাসের কার্যক্রম। চলতি মার্চ মাসের প্রথম ২২ দিনেই ২৫টি জ্বালানিবাহী জাহাজ (ভেসেল) সফলভাবে খালাস করা হয়েছে। বর্তমানে বন্দরে একটি জাহাজের খালাস চলছে এবং বহির্নোঙরে অপেক্ষমাণ আছে আরও একটি। এছাড়া সমুদ্রপথে দেশের দিকে আরও দুটি বড় জাহাজ অগ্রসর হচ্ছে বলে বন্দর সূত্রে জানা গেছে।

সচল থাকছে শিল্প ও পরিবহন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ট্রাফিক ও মেরিন বিভাগের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১ থেকে ২২ মার্চের মধ্যে খালাস হওয়া ২৫টি জাহাজে মূলত ডিজেল, ফার্নেস অয়েল, জেট ফুয়েল ও অকটেন আনা হয়েছে। সেচ মৌসুম এবং কলকারখানার চাকা সচল রাখতে এই জ্বালানিগুলো মূল ভূমিকা পালন করছে।

শিপিং সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি আমদানিকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে বন্দরে কোনো ধরনের জাহাজ জট বা খালাসে স্থবিরতা নেই।

গ্যাস ও বেস অয়েলের সরবরাহ বর্তমানে জেটি ও বহির্নোঙরে দুটি গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ অবস্থান করছে। এর মধ্যে ওমান থেকে আসা ‘LPG SEVAN’ জাহাজটি বর্তমানে খালাস পর্যায়ে রয়েছে, যা গৃহস্থালি গ্যাসের চাহিদা মেটাতে সহায়ক হবে।

অন্যদিকে, থাইল্যান্ড থেকে বেস অয়েল নিয়ে আসা ‘AB OLIVIA’ জাহাজটি বহির্নোঙরের ‘ব্রাভো’ পয়েন্টে অবস্থান করছে, যা দেশের লুব্রিকেন্ট খাতের চাহিদা পূরণ করবে।

আসছে আরও বিপুল জ্বালানি শিপিং এজেন্টদের তথ্যমতে, আগামী ২৫ মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে ‘BWEK BORNHOLM’ ও ‘MORNING JANE’ নামের আরও দুটি বড় ভেসেল। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই জাহাজগুলোর জ্বালানি জাতীয় গ্রিড ও মজুতে যুক্ত হলে চলমান সেচ মৌসুমে বা বিদ্যুৎ উৎপাদনে কোনো ধরনের সংকটের আশঙ্কা থাকবে না।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, একটি জাহাজ সময়মতো খালাস হওয়া মানে দেশের বড় অঙ্কের অর্থ সাশ্রয় এবং বাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষা। মাত্র ২২ দিনে ২৫টি জাহাজ খালাস করা আমাদের লজিস্টিক সক্ষমতারই প্রমাণ। আমদানির এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, এক মাসের কম সময়ে এতগুলো জাহাজের খালাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনার জন্য একটি বড় ইতিবাচক দিক। এর ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির সুযোগ অনেকাংশেই কমে আসবে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481