ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

জঙ্গল সলিমপুরে আর থাকবে না সন্ত্রাসীদের রাজত্ব, যৌথ অভিযানের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:০২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

জাহাঙ্গীর আলম বিশেষ প্রতিনিধি।

​চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরসহ আশপাশের পাহাড়ি এলাকাকে আর কোনো বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অভয়ারণ্য হতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ রোববার (৩১ মে) সকালে চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

​স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আলীনগর ও জঙ্গল সলিমপুরের পাশাপাশি বেতুয়া ও চা বাগান নামক পাহাড়ি এলাকাগুলোতেও সন্ত্রাসীদের আনাগোনার সুনির্দিষ্ট তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে। অত্যন্ত সুপরিকল্পিত যৌথ ও সাঁড়াশি অভিযানের মাধ্যমে খুব দ্রুতই এদের উচ্ছেদ করা হবে।”
​মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া এবং চাঁদাবাজিকে দেশের প্রধান চারটি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে মন্ত্রী বলেন, এই চার অপরাধকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মোকাবিলা করবে। তবে অপরাধ দমনে বিদ্যমান কিছু আইনের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “১৮৬৭ সালের জুয়া আইনটি বর্তমান যুগের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। এখন অনলাইন-অফলাইন বেটিং ও জুয়া ছড়িয়ে পড়েছে, যা পুরোনো আইন দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। তাই আগামী সংসদ অধিবেশনেই একটি নতুন ও যুগোপযোগী আইন পাসের চেষ্টা করা হচ্ছে।”

​মাদকের বিস্তার রোধে সরকারের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “মাদক সংক্রান্ত হাজার হাজার মামলা বছরের পর বছর ঝুলে আছে। এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান আনা হবে।”
​”কিশোর গ্যাংয়ের আইনি সুযোগ-সুবিধার অপব্যবহার রুখতে আইনের প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হবে।”
— স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

​দেশে কিশোর গ্যাংয়ের ক্রমবর্ধমান তৎপরতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান আইনের কিছু ফাঁকফোকর ও সুযোগ-সুবিধা অপব্যবহার করে কিশোররা গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে এবং পরবর্তীতে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীতে পরিণত হচ্ছে। কিশোর অপরাধ দমনেও আইনি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।
​পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং র‌্যাব ও এলজিইডিসহ বিভিন্ন সংস্থার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

জঙ্গল সলিমপুরে আর থাকবে না সন্ত্রাসীদের রাজত্ব, যৌথ অভিযানের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।

আপডেট সময় ০১:০২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

জাহাঙ্গীর আলম বিশেষ প্রতিনিধি।

​চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরসহ আশপাশের পাহাড়ি এলাকাকে আর কোনো বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অভয়ারণ্য হতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ রোববার (৩১ মে) সকালে চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

​স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আলীনগর ও জঙ্গল সলিমপুরের পাশাপাশি বেতুয়া ও চা বাগান নামক পাহাড়ি এলাকাগুলোতেও সন্ত্রাসীদের আনাগোনার সুনির্দিষ্ট তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে। অত্যন্ত সুপরিকল্পিত যৌথ ও সাঁড়াশি অভিযানের মাধ্যমে খুব দ্রুতই এদের উচ্ছেদ করা হবে।”
​মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া এবং চাঁদাবাজিকে দেশের প্রধান চারটি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে মন্ত্রী বলেন, এই চার অপরাধকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মোকাবিলা করবে। তবে অপরাধ দমনে বিদ্যমান কিছু আইনের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “১৮৬৭ সালের জুয়া আইনটি বর্তমান যুগের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। এখন অনলাইন-অফলাইন বেটিং ও জুয়া ছড়িয়ে পড়েছে, যা পুরোনো আইন দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। তাই আগামী সংসদ অধিবেশনেই একটি নতুন ও যুগোপযোগী আইন পাসের চেষ্টা করা হচ্ছে।”

​মাদকের বিস্তার রোধে সরকারের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “মাদক সংক্রান্ত হাজার হাজার মামলা বছরের পর বছর ঝুলে আছে। এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান আনা হবে।”
​”কিশোর গ্যাংয়ের আইনি সুযোগ-সুবিধার অপব্যবহার রুখতে আইনের প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হবে।”
— স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

​দেশে কিশোর গ্যাংয়ের ক্রমবর্ধমান তৎপরতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান আইনের কিছু ফাঁকফোকর ও সুযোগ-সুবিধা অপব্যবহার করে কিশোররা গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে এবং পরবর্তীতে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীতে পরিণত হচ্ছে। কিশোর অপরাধ দমনেও আইনি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।
​পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং র‌্যাব ও এলজিইডিসহ বিভিন্ন সংস্থার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।