নিউজ ডেস্ক:
চীনের সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক সুদীর্ঘ ৫০ বছরের। ১৯৭৬ সালে চীন বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় এবং তখন থেকে শুরু করে চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আন্তরিক উন্নয়ন অংশীদার। চীনের অংশীদারত্বে বাংলাদেশে অনেক বড় বড় নিদর্শন গড়ে উঠেছে- এমনটাই মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর মিরপুরে স্থানীয় দুঃস্থ পরিবারের মধ্যে ফুড প্যাকেট বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের নাম পরিবর্তনের উদাহরণ টেনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে আমাদের (বাংলাদেশ ও চীন) এই বন্ধুত্বের নিদর্শনটা হাইজ্যাক হয়ে গিয়েছিল। একটা দেশ ভালোবাসার জায়গা থেকে আমাদেরকে উপহার দিয়েছে, আর তাদের নাম-নিশানাই মিটিয়ে দেওয়া হলো!’
তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশের কান্না-উত্তরাঞ্চলের কান্না উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা এই কান্নার অবসান চাই। অতীতে এটা (তিস্তা প্রকল্প) কেন বাস্তবায়ন হয় নাই, এটা সবাই বোঝে। শিশুও বোঝে। আমরা ওই লিগ্যাসি আর বহন করতে চাই না। আমরা এই অপসংস্কৃতি থেকে বের হয়ে জানিয়ে দিতে চাই, আমরাও স্বাধীন দেশের নাগরিক, আমাদের নিজস্ব পররাষ্ট্রনীতি আছে।’
আমরা সারা দুনিয়ার সভ্য সমস্ত দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রক্ষা করতে চাই জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কিন্তু একটা কথা খুবই পরিষ্কার, আমাদের ঘাড়ের ওপর আমরা কারও আধিপত্য মেনে নেব না। অতীতে নেওয়া হয়েছে, এই বোঝা আমরা ফেলে দিয়েছি। এই বোঝা জাতি আর নিজের ঘাড়ে উঠাবে না। আমাদের যুবসমাজ একদম এটা সহ্য করবে না। তারা বুক উঁচু করে বাঁচতে চায়। বিশ্বের বুকে পরিচয় দিতে চায়, আমি একজন গর্বিত বাংলাদেশি।
তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করবো, আমাদের অন্যান্য বন্ধু রাষ্ট্র এভাবে এগিয়ে আসবে এবং যার যার কর্মকাণ্ডই প্রমাণ করবে কে আমাদের সত্যিকারের বন্ধু।’

নিজস্ব সংবাদ : 




























