ঢাকা ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

খেলাফত মজলিস নেতার পরিবারের ৫ জন নিহত, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল আবরার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৩৩:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চার সদস্যসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে প্রাইভেটকারের চালকও রয়েছেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমেদের ভগ্নিপতি মুফতি আব্দুল মমিন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নোয়াখালী থেকে ঢাকার মোহাম্মদপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। পথিমধ্যে তারা বুড়িচংয়ের কালাকচুয়া এলাকায় অবস্থিত ‘হোটেল মিয়ামি’তে রাতের খাবার খেতে থামেন।

খাবার শেষে পুনরায় মহাসড়কে ওঠার মুহূর্তেই ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী ‘স্টারলাইট পরিবহন’-এর একটি দ্রুতগামী বাস তাদের প্রাইভেটকারটিকে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটির এক পাশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন মুফতি আব্দুল মমিন, তার স্ত্রী ঝর্ণা বেগম, দুই ছেলে আবরার ও এরশাদ এবং মেয়ে লাবিবা। স্থানীয়রা তাদের দ্রুত উদ্ধার করে ময়নামতি আর্মি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ভয়ংকর দুর্ঘটনা থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছে ১২ বছরের শিশু আবরার। সামান্য আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আবরার জানায়, মিয়ামি হোটেলে খাবার শেষ করে তারা মাত্রই সড়কে উঠেছিল, ঠিক তখনই বাসটি তাদের গাড়িকে পিষে দেয়। পরিবারের সবাইকে হারিয়ে শিশুটি এখন নিস্তব্ধ।

ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মমিন জানান, দুর্ঘটনার পরপরই ঘাতক বাসের চালক পালিয়ে গেছে। পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও প্রাইভেটকারটি জব্দ করেছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং নিহতদের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

খেলাফত মজলিস নেতার পরিবারের ৫ জন নিহত, অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল আবরার

আপডেট সময় ১২:৩৩:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চার সদস্যসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে প্রাইভেটকারের চালকও রয়েছেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমেদের ভগ্নিপতি মুফতি আব্দুল মমিন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নোয়াখালী থেকে ঢাকার মোহাম্মদপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। পথিমধ্যে তারা বুড়িচংয়ের কালাকচুয়া এলাকায় অবস্থিত ‘হোটেল মিয়ামি’তে রাতের খাবার খেতে থামেন।

খাবার শেষে পুনরায় মহাসড়কে ওঠার মুহূর্তেই ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী ‘স্টারলাইট পরিবহন’-এর একটি দ্রুতগামী বাস তাদের প্রাইভেটকারটিকে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটির এক পাশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন মুফতি আব্দুল মমিন, তার স্ত্রী ঝর্ণা বেগম, দুই ছেলে আবরার ও এরশাদ এবং মেয়ে লাবিবা। স্থানীয়রা তাদের দ্রুত উদ্ধার করে ময়নামতি আর্মি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ভয়ংকর দুর্ঘটনা থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছে ১২ বছরের শিশু আবরার। সামান্য আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আবরার জানায়, মিয়ামি হোটেলে খাবার শেষ করে তারা মাত্রই সড়কে উঠেছিল, ঠিক তখনই বাসটি তাদের গাড়িকে পিষে দেয়। পরিবারের সবাইকে হারিয়ে শিশুটি এখন নিস্তব্ধ।

ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মমিন জানান, দুর্ঘটনার পরপরই ঘাতক বাসের চালক পালিয়ে গেছে। পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও প্রাইভেটকারটি জব্দ করেছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং নিহতদের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।