ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনায় যুবদল নেতার পায়ের রগ কেটে হত্যা, অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৪৬:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭৪ বার পড়া হয়েছে

খুলনার দিঘ‌লিয়া উপজেলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে যুবদল নেতা মো. মুরাদ খাঁকে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নের বকশি বাড়ি কবরস্থানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

মো. মুরাদ খাঁ উপজেলা সেনহা‌টি ইউনিয়ন যুবদলের সি‌নিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি ওই এলাকার মুনসুর খাঁ-এর ছেলে। হত্যাকাণ্ডে দিঘলিয়া থানা ছাত্রদলের সি‌নিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেনসহ তার অনুসারীরা জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।

খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আবির সিদ্দিকী শুভ্র জানান, মুরাদ খার সঙ্গে দিঘলিয়া থানা ছাত্রদলের সি‌নিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেনের বাগবিতণ্ডা হয়। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দিঘলিয়া থানা ছাত্রদলের সি‌নিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেনসহ ৪/৫ জন মুরাদের ওপর হামলা চালায়। আত্মরক্ষার জন্য মুরাদ বক্সিবা‌ড়ি মস‌জিদ সংলগ্ন এক‌টি দোকানে আশ্রয় নেয়। দুর্বৃত্তরা ওই দোকানের তালা ভেঙে দোকানের ভেতরই পুনরায় হামলা করে। এসময় তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মুরাদের দুই পায়ের রগ কেটে দেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে খুলনা মে‌ডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে মুরাদকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। মুরাদের দুই পায়ের রগ কেটে দেওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনা অত্যন্ত ন্যাক্করজনক। রগ কেটে তাকে আটকে রাখায় শরীর থেকে সমস্ত রক্ত বের হয়ে সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

তিনি বলেন, হত্যাকারী যেই হোক, তার রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, আমরা প্রশাসনের কাছে জানাব, অবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। এখানে হত্যাকারীর রাজনৈতিক পরিচয় দেখার প্রয়োজন নেই এবং কার সঙ্গে কি সম্পর্ক রয়েছে এটাও বিবেচ্য বিষয় নয়। আমাদের একজন রাজনৈতিক কর্মী শুধু নয়, একজন মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীরা যেন গ্রেপ্তার হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

ইরানের সঙ্গে চুক্তির সম্ভাবনায় আশাবাদী হোয়াইট হাউস

খুলনায় যুবদল নেতার পায়ের রগ কেটে হত্যা, অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ০১:৪৬:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

খুলনার দিঘ‌লিয়া উপজেলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে যুবদল নেতা মো. মুরাদ খাঁকে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নের বকশি বাড়ি কবরস্থানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

মো. মুরাদ খাঁ উপজেলা সেনহা‌টি ইউনিয়ন যুবদলের সি‌নিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি ওই এলাকার মুনসুর খাঁ-এর ছেলে। হত্যাকাণ্ডে দিঘলিয়া থানা ছাত্রদলের সি‌নিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেনসহ তার অনুসারীরা জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।

খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আবির সিদ্দিকী শুভ্র জানান, মুরাদ খার সঙ্গে দিঘলিয়া থানা ছাত্রদলের সি‌নিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেনের বাগবিতণ্ডা হয়। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দিঘলিয়া থানা ছাত্রদলের সি‌নিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেনসহ ৪/৫ জন মুরাদের ওপর হামলা চালায়। আত্মরক্ষার জন্য মুরাদ বক্সিবা‌ড়ি মস‌জিদ সংলগ্ন এক‌টি দোকানে আশ্রয় নেয়। দুর্বৃত্তরা ওই দোকানের তালা ভেঙে দোকানের ভেতরই পুনরায় হামলা করে। এসময় তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে মুরাদের দুই পায়ের রগ কেটে দেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে খুলনা মে‌ডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে মুরাদকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। মুরাদের দুই পায়ের রগ কেটে দেওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনা অত্যন্ত ন্যাক্করজনক। রগ কেটে তাকে আটকে রাখায় শরীর থেকে সমস্ত রক্ত বের হয়ে সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

তিনি বলেন, হত্যাকারী যেই হোক, তার রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, আমরা প্রশাসনের কাছে জানাব, অবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। এখানে হত্যাকারীর রাজনৈতিক পরিচয় দেখার প্রয়োজন নেই এবং কার সঙ্গে কি সম্পর্ক রয়েছে এটাও বিবেচ্য বিষয় নয়। আমাদের একজন রাজনৈতিক কর্মী শুধু নয়, একজন মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীরা যেন গ্রেপ্তার হয়।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481