ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

হাদি হত্যাকারীদের ফেরত পাঠানো প্রসঙ্গে যা বলছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৫১:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ৬৭ বার পড়া হয়েছে

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। তার সঙ্গে আলমগীর হোসেন নামে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।

ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশের অভিযোগে রাজ্য পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে।

এদিকে হাদি হত্যা মামলার আসামিদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন গণমাধ্যমকর্মীরা। তবে রাজ্য পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া রাজ্য পুলিশের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না; এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ভারত সরকার।

কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশের উপদূতাবাস জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ভারত সরকারের কাছে কনস্যুলার এক্সেস চাওয়া হয়েছে। কনস্যুলার এক্সেসের মাধ্যমে বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশের কূটনীতিকরা যোগাযোগ করতে পারেন।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, হাদি হত্যাকাণ্ডের পর ফয়সাল মাসুদ ও আলমগীর হোসেন বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে বৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন।

পরবর্তীতে তারা ভারতের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। পুলিশের দাবি, সীমান্ত পেরিয়ে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের।

এর আগে কিছু বাংলাদেশি গণমাধ্যমে তাদের গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশিত হলেও সে সময় ভারতীয় পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ তা নাকচ করেছিল।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার বিজয়নগরে জুমার নামাজের পর রিক্সায় হাদি গুলিবিদ্ধ হন। বেশ কিছুদিন দেশে চিকিৎসা নেওয়ার পর গত ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। তার মৃত্যুর পর তার হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জোরালো হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

হাদি হত্যাকারীদের ফেরত পাঠানো প্রসঙ্গে যা বলছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ

আপডেট সময় ০৮:৫১:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। তার সঙ্গে আলমগীর হোসেন নামে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।

ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশের অভিযোগে রাজ্য পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে।

এদিকে হাদি হত্যা মামলার আসামিদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন গণমাধ্যমকর্মীরা। তবে রাজ্য পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের বাংলাদেশে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া রাজ্য পুলিশের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না; এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ভারত সরকার।

কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশের উপদূতাবাস জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ভারত সরকারের কাছে কনস্যুলার এক্সেস চাওয়া হয়েছে। কনস্যুলার এক্সেসের মাধ্যমে বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশের কূটনীতিকরা যোগাযোগ করতে পারেন।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, হাদি হত্যাকাণ্ডের পর ফয়সাল মাসুদ ও আলমগীর হোসেন বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে বৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন।

পরবর্তীতে তারা ভারতের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। পুলিশের দাবি, সীমান্ত পেরিয়ে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের।

এর আগে কিছু বাংলাদেশি গণমাধ্যমে তাদের গ্রেপ্তারের খবর প্রকাশিত হলেও সে সময় ভারতীয় পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ তা নাকচ করেছিল।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার বিজয়নগরে জুমার নামাজের পর রিক্সায় হাদি গুলিবিদ্ধ হন। বেশ কিছুদিন দেশে চিকিৎসা নেওয়ার পর গত ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। তার মৃত্যুর পর তার হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জোরালো হয়।