এর আগে শনিবার রাতে স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ বহনকারী একটি অ্যাম্বুলেন্স যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকে পৌঁছায়। স্বজনদের আবেদনের পর প্যারোলে মুক্তির অনুমতি না মিললেও, মানবিক বিবেচনায় কারা কর্তৃপক্ষ ছয়জন নিকট আত্মীয়সহ মরদেহ কারাগারের ভেতরে নেওয়ার অনুমতি দেয়।
কারাগারের ভেতরে ওই স্বল্প সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হয় জীবনের সবচেয়ে কঠিন বিদায়। পরে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় গ্রামের বাড়িতে। রাতের আঁধারে জানাজা শেষে পাশাপাশি দুটি কবর খুঁড়ে মা ও শিশুকে দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হন সাদ্দাম। বর্তমানে তিনি যশোর কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
গত শুক্রবার দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার কাড়াপাড়া ইউনিয়নের সাবেকডাঙ্গা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী নামে এক নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ ও সাদ্দামের পরিবারের দাবি, হতাশাগ্রস্ত হয়ে শিশু সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা করেন স্বর্ণালী।
পুলিশ জানায়, সুবর্ণা স্বর্ণালীকে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলে থাকা অবস্থায় এবং ছেলেকে মেঝে থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদ : 



























