ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ইউএসএর অভিষেক

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৩৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৩০ বার পড়া হয়েছে

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ইউএসএর ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান হয়েগেল ২রা নভেম্বর ২০২৫, রবিবার, নবান্ন পার্টি হল, জ্যাকসন হাইটসে। কার্যকরী কমিটির সদস্যবৃন্দ গন স্ব-পরিবারের সদস্যবৃন্দদের নিয়ে এক অনারম্ভর অনুষ্ঠানের মাত্রা যোগ করেন।

উপস্থিত ছিলেন কমুইনিটির অনেক গন্য মান্য ব্যাক্তিবর্গ।
বক্তব্যে উঠে আসে কমিউনিটির পিছিয়ে পরা মানুষদের কথা, ইমেগ্রেশন সমস্যা, শীত বস্র, চাকুরী বাজার সহায়তা, আর পারিবারিক সমস্যা সহ, অটিস্টিক বাচ্চাদের সাপর্ট, সেল্টার, বাসস্থান, আর শিশু শিক্ষার বিষয় সমুহ।

বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ইউএসএর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব তরিকুল হোসেন বাদল, ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব আমির হোসেন কামাল, জনাব আতিকুর রহমান, দীপক দাস, সেক্রেটারি জেনারেল ড. কামরুল ইসলাম, জয়েন্ট সেক্রেটারি তাপস সাহা, অরগানাইজিং সেক্রেটারি মিন্টু কুমার রয়, আন্তর্জাতিক সেক্রেটারি ডা: মোক্তার, এম্ভাসেডর চিত্র নায়িকা শাহনুর, জনাব লিটন, জনাব আব্দুস সালাম মিজি, জনাবা ঝুমুর, জনাব দেলোয়ার হোসেন, এডভোকেট জাকির, এডভোকেট রেদওয়ানা সেতু ও সোসাইটি একটিভেসট জনাব আব্দুল খালেক সহ আরো অনেকেই।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জনাব মিন্টু কুমার রয় ও তাপস সাহা।

জনাব আমির হোসেন কামালের জন্মদিন উপলক্ষে ও ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ইউএসএর চতুর্থ বছর উপলক্ষে কেক কেটে অনুষ্ঠানের বর্ধিত মাত্রা সংযুক্ত করা হয়। অন্যদিকে ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির সুস্থতার জন্য দোয়া চাওয়া হয়।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ইউএসএ র সভাপতি ড. রফিকুল ইসলাম

🌐 ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অভিষেক অনুষ্ঠান ২০২৫

সভাপতির ভাষণ

ড. রফিকুল ইসলাম
PhD., Human Rights Violation Researcher, Writer & Global Peace Advocate

সম্মানিত অতিথিবৃন্দ, মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং মানবতার প্রতি নিবেদিত সকল শুভানুধ্যায়ী, আজকের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে আপনাদের সামনে দাঁড়াতে পেরে আমি গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। এটি কেবল একটি অভিষেক অনুষ্ঠান নয়— এটি মানবতার এক নবজাগরণের প্রতীক, এক নতুন প্রতিশ্রুতির ঘোষণাপত্র।

মানবাধিকার শুধু আইনি নথির বিষয় নয়, এটি প্রতিটি মানুষের অস্তিত্ব, মর্যাদা ও স্বাধীনতার ভিত্তি। পৃথিবীর প্রতিটি শিশুর হাসি, প্রতিটি নারীর নিরাপত্তা, প্রতিটি শ্রমিকের সম্মান, প্রতিটি নাগরিকের ন্যায্য সুযোগ— এই সবই মানবাধিকারের বাস্তব প্রতিফলন।

আমরা যারা এখানে একত্রিত হয়েছি, তারা সবাই এক একটি আলোর কণিকা— সেই অন্ধকারকে ভেদ করতে এসেছি, যেখানে অন্যায়, বৈষম্য, সহিংসতা ও দারিদ্র্য এখনো মানবতার মুখে কালিমা ছড়িয়ে দেয়।

আজ আমরা প্রতিজ্ঞা করছি—
যে কোনো প্রান্তে যখন মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে, আমরা নীরব থাকব না। আমরা প্রতিবাদ করব, আমরা কথা বলব, আমরা দাঁড়াব অন্যায়ের বিপরীতে— যুক্তি, ভালোবাসা ও ন্যায়ের শক্তি দিয়ে।

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা মানে কেবল আইন প্রণয়ন নয়, বরং মানবিক চেতনার পুনর্জাগরণ।
শিক্ষা, সংস্কৃতি, গণমাধ্যম, প্রযুক্তি— এই সবই হতে পারে মানবাধিকারের রক্ষাকবচ, যদি আমরা তা ব্যবহার করি ন্যায়ের পথে।

আজ এই অভিষেক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমি আহ্বান জানাচ্ছি—
আসুন আমরা সবাই মিলে একসাথে কাজ করি এমন এক পৃথিবীর জন্য, যেখানে মানুষের মূল্য নির্ধারিত হবে না তার বর্ণ, ধর্ম, লিঙ্গ বা অর্থনৈতিক অবস্থায়; বরং তার মানবতার শক্তি দিয়ে।

এই সংগঠনের প্রতিটি সদস্য, প্রতিটি স্বেচ্ছাসেবক যেন মনে রাখেন—
আমরা কেবল মানবাধিকার রক্ষাকারী নই, আমরা মানবতার দূত। আমাদের দায়িত্ব কেবল আজকের নয়, আগামী প্রজন্মের কাছেও আমাদের দায়বদ্ধতা রয়ে গেছে।

শেষে আমি বলতে চাই—
“যে দিন পৃথিবীর শেষ শিশুটিও নিরাপদে ঘুমাবে,
সেই দিনই মানবাধিকারের সত্যিকারের বিজয় হবে।”

সবাইকে ধন্যবাদ।
Long Live Human Rights. Long Live.

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নেতানিয়াহু কি আল-আকসা মসজিদের নিচে লুকিয়েছেন?

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ইউএসএর অভিষেক

আপডেট সময় ১২:৩৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ইউএসএর ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান হয়েগেল ২রা নভেম্বর ২০২৫, রবিবার, নবান্ন পার্টি হল, জ্যাকসন হাইটসে। কার্যকরী কমিটির সদস্যবৃন্দ গন স্ব-পরিবারের সদস্যবৃন্দদের নিয়ে এক অনারম্ভর অনুষ্ঠানের মাত্রা যোগ করেন।

উপস্থিত ছিলেন কমুইনিটির অনেক গন্য মান্য ব্যাক্তিবর্গ।
বক্তব্যে উঠে আসে কমিউনিটির পিছিয়ে পরা মানুষদের কথা, ইমেগ্রেশন সমস্যা, শীত বস্র, চাকুরী বাজার সহায়তা, আর পারিবারিক সমস্যা সহ, অটিস্টিক বাচ্চাদের সাপর্ট, সেল্টার, বাসস্থান, আর শিশু শিক্ষার বিষয় সমুহ।

বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ইউএসএর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব তরিকুল হোসেন বাদল, ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব আমির হোসেন কামাল, জনাব আতিকুর রহমান, দীপক দাস, সেক্রেটারি জেনারেল ড. কামরুল ইসলাম, জয়েন্ট সেক্রেটারি তাপস সাহা, অরগানাইজিং সেক্রেটারি মিন্টু কুমার রয়, আন্তর্জাতিক সেক্রেটারি ডা: মোক্তার, এম্ভাসেডর চিত্র নায়িকা শাহনুর, জনাব লিটন, জনাব আব্দুস সালাম মিজি, জনাবা ঝুমুর, জনাব দেলোয়ার হোসেন, এডভোকেট জাকির, এডভোকেট রেদওয়ানা সেতু ও সোসাইটি একটিভেসট জনাব আব্দুল খালেক সহ আরো অনেকেই।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জনাব মিন্টু কুমার রয় ও তাপস সাহা।

জনাব আমির হোসেন কামালের জন্মদিন উপলক্ষে ও ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ইউএসএর চতুর্থ বছর উপলক্ষে কেক কেটে অনুষ্ঠানের বর্ধিত মাত্রা সংযুক্ত করা হয়। অন্যদিকে ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির সুস্থতার জন্য দোয়া চাওয়া হয়।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ইউএসএ র সভাপতি ড. রফিকুল ইসলাম

🌐 ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অভিষেক অনুষ্ঠান ২০২৫

সভাপতির ভাষণ

ড. রফিকুল ইসলাম
PhD., Human Rights Violation Researcher, Writer & Global Peace Advocate

সম্মানিত অতিথিবৃন্দ, মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং মানবতার প্রতি নিবেদিত সকল শুভানুধ্যায়ী, আজকের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে আপনাদের সামনে দাঁড়াতে পেরে আমি গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। এটি কেবল একটি অভিষেক অনুষ্ঠান নয়— এটি মানবতার এক নবজাগরণের প্রতীক, এক নতুন প্রতিশ্রুতির ঘোষণাপত্র।

মানবাধিকার শুধু আইনি নথির বিষয় নয়, এটি প্রতিটি মানুষের অস্তিত্ব, মর্যাদা ও স্বাধীনতার ভিত্তি। পৃথিবীর প্রতিটি শিশুর হাসি, প্রতিটি নারীর নিরাপত্তা, প্রতিটি শ্রমিকের সম্মান, প্রতিটি নাগরিকের ন্যায্য সুযোগ— এই সবই মানবাধিকারের বাস্তব প্রতিফলন।

আমরা যারা এখানে একত্রিত হয়েছি, তারা সবাই এক একটি আলোর কণিকা— সেই অন্ধকারকে ভেদ করতে এসেছি, যেখানে অন্যায়, বৈষম্য, সহিংসতা ও দারিদ্র্য এখনো মানবতার মুখে কালিমা ছড়িয়ে দেয়।

আজ আমরা প্রতিজ্ঞা করছি—
যে কোনো প্রান্তে যখন মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে, আমরা নীরব থাকব না। আমরা প্রতিবাদ করব, আমরা কথা বলব, আমরা দাঁড়াব অন্যায়ের বিপরীতে— যুক্তি, ভালোবাসা ও ন্যায়ের শক্তি দিয়ে।

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা মানে কেবল আইন প্রণয়ন নয়, বরং মানবিক চেতনার পুনর্জাগরণ।
শিক্ষা, সংস্কৃতি, গণমাধ্যম, প্রযুক্তি— এই সবই হতে পারে মানবাধিকারের রক্ষাকবচ, যদি আমরা তা ব্যবহার করি ন্যায়ের পথে।

আজ এই অভিষেক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমি আহ্বান জানাচ্ছি—
আসুন আমরা সবাই মিলে একসাথে কাজ করি এমন এক পৃথিবীর জন্য, যেখানে মানুষের মূল্য নির্ধারিত হবে না তার বর্ণ, ধর্ম, লিঙ্গ বা অর্থনৈতিক অবস্থায়; বরং তার মানবতার শক্তি দিয়ে।

এই সংগঠনের প্রতিটি সদস্য, প্রতিটি স্বেচ্ছাসেবক যেন মনে রাখেন—
আমরা কেবল মানবাধিকার রক্ষাকারী নই, আমরা মানবতার দূত। আমাদের দায়িত্ব কেবল আজকের নয়, আগামী প্রজন্মের কাছেও আমাদের দায়বদ্ধতা রয়ে গেছে।

শেষে আমি বলতে চাই—
“যে দিন পৃথিবীর শেষ শিশুটিও নিরাপদে ঘুমাবে,
সেই দিনই মানবাধিকারের সত্যিকারের বিজয় হবে।”

সবাইকে ধন্যবাদ।
Long Live Human Rights. Long Live.


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481