ঢাকা ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

আদিবাসীদের বাইরে থেকে নিয়োগ পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহারের আহ্বান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৪৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১২৩ বার পড়া হয়েছে

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাহাড়ি আদিবাসীদের বাইরে থেকে নিয়োগ পাওয়া প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহারের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলন। সংগঠনটির যুগ্ম সমন্বয়কারী জাকির হোসেন ও অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম চৌধুরী গতকাল এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান। দাবি মেনে নিয়ে অবিলম্বে মন্ত্রণালয়ের দপ্তর পুনর্বণ্টনের কথাও বলেছেন তারা।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন প্রাধান্য পাবে বলে আমরা আশা করি। পাশাপাশি জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকারসহ সব প্রান্তিক জাতিগোষ্ঠীর অধিকারের বিষয়সমূহ সরকার গুরুত্ব দেবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, নবগঠিত মন্ত্রিসভায় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাহাড়ের সুপরিচিত দীপেন দেওয়ান এমপিকে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিভাগের অপাহাড়ি এমপি মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যা পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

বিএনপি তাদের ৩১ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে বহুজাতির ‘রেইনবো নেশন’ বিনির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অথচ রেইনবো নেশনের বুনিয়াদ মজবুত করার লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ পাহাড়ি আদিবাসীদের বাইরে থেকে প্রতিমন্ত্রী দেওয়া হয়েছে। তাঁকে প্রত্যাহার করে দপ্তর পুনর্বণ্টন করার জোর দাবি জানানো হয়।

১৯৯০ সালে স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে জনসংহতি সমিতির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সংলাপ শুরু করে বিএনপি সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

আদিবাসীদের বাইরে থেকে নিয়োগ পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহারের আহ্বান

আপডেট সময় ০১:৪৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাহাড়ি আদিবাসীদের বাইরে থেকে নিয়োগ পাওয়া প্রতিমন্ত্রীকে প্রত্যাহারের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলন। সংগঠনটির যুগ্ম সমন্বয়কারী জাকির হোসেন ও অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম চৌধুরী গতকাল এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান। দাবি মেনে নিয়ে অবিলম্বে মন্ত্রণালয়ের দপ্তর পুনর্বণ্টনের কথাও বলেছেন তারা।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন প্রাধান্য পাবে বলে আমরা আশা করি। পাশাপাশি জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকারসহ সব প্রান্তিক জাতিগোষ্ঠীর অধিকারের বিষয়সমূহ সরকার গুরুত্ব দেবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, নবগঠিত মন্ত্রিসভায় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাহাড়ের সুপরিচিত দীপেন দেওয়ান এমপিকে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিভাগের অপাহাড়ি এমপি মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যা পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

বিএনপি তাদের ৩১ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে বহুজাতির ‘রেইনবো নেশন’ বিনির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অথচ রেইনবো নেশনের বুনিয়াদ মজবুত করার লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ পাহাড়ি আদিবাসীদের বাইরে থেকে প্রতিমন্ত্রী দেওয়া হয়েছে। তাঁকে প্রত্যাহার করে দপ্তর পুনর্বণ্টন করার জোর দাবি জানানো হয়।

১৯৯০ সালে স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার পর পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে জনসংহতি সমিতির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সংলাপ শুরু করে বিএনপি সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখে।