ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

যে কোনো মূল্যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: তারেক রহমান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:০০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১১১ বার পড়া হয়েছে

যে কোনো মূল্যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভায় ১০১ জন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের সবাইকে সামনের দিনে গণতন্ত্রকে যে কোনো মূল্যে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে পারলেই কিন্তু জবাবদিহিতা হবে। গত ১৬-১৭ বছর ধরে যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করেছে, তার অন্যতম মূল কারণ ছিল দেশে কোনো জবাবদিহিতা ছিল না। যতক্ষণ জবাবদিহিতা তৈরি না হবে ততক্ষণ দেশে কোনো প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠা সম্ভব না এবং দেশে মানুষের ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে না। অর্থাৎ যেকোনো মূল্যে গণতন্ত্র অবস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।

অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে তিনি আরো বলেন, দেশের মানুষের সমর্থনে ভবিষ্যতে বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে আপনাদের মধ্যে কোয়ালিফাইড, এরকম মানুষগুলো আমরা দেশকে যাতে সার্ভিস দিতে পারেন, সেই মানুষগুলোকে আমরা খুঁজে বের করবো। তাদের আমরা সেই দায়িত্ব দেবো।

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার যোগ দেয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, চিকিৎসকরা বলেছিলেন, ম্যাডাম না গিয়ে বোধহয় ভালো হয়। কিন্তু ওই অসুস্থ শরীরেরও উনার মনের সর্বোচ্চ শক্তিকে এক করে উনি অনুষ্ঠানটিতে গিয়েছিলেন। উনি অনুষ্ঠান থেকে ফিরে আসার পরে আমাদের সঙ্গে কথা হয়েছিল, উনার সঙ্গে আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীও অনুষ্ঠানটিতে ছিল। আমরা যখন সবাই রাতে গল্প করেছিলাম, তখন ওর (সৈয়দা শামিলা রহমান) কাছ থেকে যেটা শুনেছি, আম্মা অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময়- অর্থাৎ যতক্ষণ ওখানে ছিলেন এবং আসার পরে উনার মনেই হচ্ছিল না যে, উনি একজন অসুস্থ মানুষ। এই কথার মধ্যে দিয়ে মনে হয় আর বুঝতে বাকি থাকে না যে, আপনাদের সঙ্গে জিয়া পরিবারের সম্পর্কটা কী, এই ছোট ঘটনার মধ্যে দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করলাম।

তিনি বলেন, এখানে মেজর রেজা সেটা বলেছেন অথবা মেজর মান্নান যেটা বলেছেন যে, অল্প কিছু মানুষের কিছু ঘটনার জন্য আমি যাতে ভুল না বুঝি। এই ধারণাটা সম্পূর্ণভাবে ভ্রান্ত। আমার মনের মধ্যে এরকম কিছুই নেই। এটি দয়া করে আপনারা ভুল বুঝবেন না। এইরকম একটি ধারণা স্বৈরাচার তৈরি করেছিল। একটা দূরত্ব তৈরি করার জন্য।

সভায় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল অব. ফাতেমী রুমির সঙ্গে অতীতে নিজের একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কথা উল্লেখ করে দুঃখ প্রকাশ করেন তারেক রহমান।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে এবং মেজর জেনারেল অব. ফজলে এলাহি আকবরের সঞ্চালনায় সভায় দলের স্থায়ী কমিটি সদস্য মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল অব. আলতাফ হোসেন চৌধুরী, লে. কর্নেল অব. শামসুজ্জোহা, মেজর অব. রেজা করিম, মেজর অব. সামসুজ্জোহা, মেজর অব. জামাল হায়দার, মেজর অব. আজিজুল হক, কর্নেল অব. হারুনুর রশিদ, এয়ার কমোডর অব. শফিক আহমেদ, রিয়ার অ্যাডমিরাল অব. মোস্তাফিজ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল অব. জয়নাল আবেদীন, কর্নেল অব. জগলুল, লে. অব. ইমরান কাজল, মেজর অব. গোলাম মান্নান চৌধুরী, ক্যাপ্টেন অব. রেজাউর রহমান, মেজর জেনারেল অব. জামিল ডি আহসান বীর প্রতীক, কর্নেল অব. হান্নান মৃধা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

আমরা সবাই জুলাই প্রোডাক্ট— ডা. শফিকুর রহমান

যে কোনো মূল্যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: তারেক রহমান

আপডেট সময় ০১:০০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

যে কোনো মূল্যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভায় ১০১ জন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের সবাইকে সামনের দিনে গণতন্ত্রকে যে কোনো মূল্যে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে পারলেই কিন্তু জবাবদিহিতা হবে। গত ১৬-১৭ বছর ধরে যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করেছে, তার অন্যতম মূল কারণ ছিল দেশে কোনো জবাবদিহিতা ছিল না। যতক্ষণ জবাবদিহিতা তৈরি না হবে ততক্ষণ দেশে কোনো প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠা সম্ভব না এবং দেশে মানুষের ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে না। অর্থাৎ যেকোনো মূল্যে গণতন্ত্র অবস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।

অবসরপ্রাপ্ত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে তিনি আরো বলেন, দেশের মানুষের সমর্থনে ভবিষ্যতে বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে আপনাদের মধ্যে কোয়ালিফাইড, এরকম মানুষগুলো আমরা দেশকে যাতে সার্ভিস দিতে পারেন, সেই মানুষগুলোকে আমরা খুঁজে বের করবো। তাদের আমরা সেই দায়িত্ব দেবো।

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার যোগ দেয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, চিকিৎসকরা বলেছিলেন, ম্যাডাম না গিয়ে বোধহয় ভালো হয়। কিন্তু ওই অসুস্থ শরীরেরও উনার মনের সর্বোচ্চ শক্তিকে এক করে উনি অনুষ্ঠানটিতে গিয়েছিলেন। উনি অনুষ্ঠান থেকে ফিরে আসার পরে আমাদের সঙ্গে কথা হয়েছিল, উনার সঙ্গে আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীও অনুষ্ঠানটিতে ছিল। আমরা যখন সবাই রাতে গল্প করেছিলাম, তখন ওর (সৈয়দা শামিলা রহমান) কাছ থেকে যেটা শুনেছি, আম্মা অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময়- অর্থাৎ যতক্ষণ ওখানে ছিলেন এবং আসার পরে উনার মনেই হচ্ছিল না যে, উনি একজন অসুস্থ মানুষ। এই কথার মধ্যে দিয়ে মনে হয় আর বুঝতে বাকি থাকে না যে, আপনাদের সঙ্গে জিয়া পরিবারের সম্পর্কটা কী, এই ছোট ঘটনার মধ্যে দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করলাম।

তিনি বলেন, এখানে মেজর রেজা সেটা বলেছেন অথবা মেজর মান্নান যেটা বলেছেন যে, অল্প কিছু মানুষের কিছু ঘটনার জন্য আমি যাতে ভুল না বুঝি। এই ধারণাটা সম্পূর্ণভাবে ভ্রান্ত। আমার মনের মধ্যে এরকম কিছুই নেই। এটি দয়া করে আপনারা ভুল বুঝবেন না। এইরকম একটি ধারণা স্বৈরাচার তৈরি করেছিল। একটা দূরত্ব তৈরি করার জন্য।

সভায় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল অব. ফাতেমী রুমির সঙ্গে অতীতে নিজের একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কথা উল্লেখ করে দুঃখ প্রকাশ করেন তারেক রহমান।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে এবং মেজর জেনারেল অব. ফজলে এলাহি আকবরের সঞ্চালনায় সভায় দলের স্থায়ী কমিটি সদস্য মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল অব. আলতাফ হোসেন চৌধুরী, লে. কর্নেল অব. শামসুজ্জোহা, মেজর অব. রেজা করিম, মেজর অব. সামসুজ্জোহা, মেজর অব. জামাল হায়দার, মেজর অব. আজিজুল হক, কর্নেল অব. হারুনুর রশিদ, এয়ার কমোডর অব. শফিক আহমেদ, রিয়ার অ্যাডমিরাল অব. মোস্তাফিজ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল অব. জয়নাল আবেদীন, কর্নেল অব. জগলুল, লে. অব. ইমরান কাজল, মেজর অব. গোলাম মান্নান চৌধুরী, ক্যাপ্টেন অব. রেজাউর রহমান, মেজর জেনারেল অব. জামিল ডি আহসান বীর প্রতীক, কর্নেল অব. হান্নান মৃধা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481