ঢাকা ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

স্বামীর নাম ধরে ডাকা কি জায়েজ?

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:২৬:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৬৬ বার পড়া হয়েছে

প্রশ্ন : স্বামীর নাম ধরে ডাকা কি জায়েজ?

উত্তর : স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক সম্পর্ক ভালোবাসা, সম্মান ও ভদ্রতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। স্বামীর নাম ধরে ডাকার ব্যাপারে শরিয়তে স্পষ্ট কোনো নিষেধ নেই; বরং এটি সমাজের রীতি, শ্রদ্ধা ও সংস্কৃতির বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল। যে সমাজে স্বামীর নাম ধরে ডাকা অসম্মানজনক বলে গণ্য নয়, সেখানে এতে কোনো আপত্তি নেই। কারণ ইসলাম দাম্পত্য জীবনে স্বাভাবিকতা, সহজতা ও পারস্পরিক খুশিকে গুরুত্ব দেয়।

কিন্তু ভারত উপমহাদেশের সমাজে সাধারণত স্বামীকে সরাসরি নাম ধরে ডাকা অসম্মানজনক ও অশোভন হিসাবে বিবেচিত হয়। তাই স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখতে এবং দাম্পত্য জীবনে অযথা মনোমালিন্য এড়াতে এখানকার নারীদের জন্য স্বামীকে নাম ধরে না ডাকাই উত্তম। বুখারির একটি হাদিসে এসেছে, যখন আল্লাহর বন্ধু ইবরাহিম (আ.) তার স্ত্রী হাজেরা ও ছোট সন্তান ইসমাইলকে (আ.) মক্কার জনমানবহীন প্রান্তরে রেখে যাচ্ছিলেন, তখন স্ত্রী তাকে এভাবে ডাকলেন-‘হে ইবরাহিম! তুমি আমাদের এ জনমানবহীন উপত্যকায় রেখে কোথায় যাচ্ছ?’ (সহি বুখারি) এটি প্রমাণ করে যে, কিছু সমাজে স্ত্রীর স্বামীকে নাম ধরে ডাকায় কোনো সমস্যা ছিল না। তবে আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর কোনো স্ত্রী কখনো তাকে সম্বোধন করে ‘হে মুহাম্মদ’ বলে ডাকেননি। তারা সবসময় বলেছেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল’ ‘হে আল্লাহর নবী’। তারা অবশ্য বিভিন্ন প্রসঙ্গে তার নাম উচ্চারণ করেছেন কিন্তু সম্বোধন হিসাবে কখনো নাম ব্যবহার করেননি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

স্বামীর নাম ধরে ডাকা কি জায়েজ?

আপডেট সময় ১০:২৬:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

প্রশ্ন : স্বামীর নাম ধরে ডাকা কি জায়েজ?

উত্তর : স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক সম্পর্ক ভালোবাসা, সম্মান ও ভদ্রতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। স্বামীর নাম ধরে ডাকার ব্যাপারে শরিয়তে স্পষ্ট কোনো নিষেধ নেই; বরং এটি সমাজের রীতি, শ্রদ্ধা ও সংস্কৃতির বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল। যে সমাজে স্বামীর নাম ধরে ডাকা অসম্মানজনক বলে গণ্য নয়, সেখানে এতে কোনো আপত্তি নেই। কারণ ইসলাম দাম্পত্য জীবনে স্বাভাবিকতা, সহজতা ও পারস্পরিক খুশিকে গুরুত্ব দেয়।

কিন্তু ভারত উপমহাদেশের সমাজে সাধারণত স্বামীকে সরাসরি নাম ধরে ডাকা অসম্মানজনক ও অশোভন হিসাবে বিবেচিত হয়। তাই স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখতে এবং দাম্পত্য জীবনে অযথা মনোমালিন্য এড়াতে এখানকার নারীদের জন্য স্বামীকে নাম ধরে না ডাকাই উত্তম। বুখারির একটি হাদিসে এসেছে, যখন আল্লাহর বন্ধু ইবরাহিম (আ.) তার স্ত্রী হাজেরা ও ছোট সন্তান ইসমাইলকে (আ.) মক্কার জনমানবহীন প্রান্তরে রেখে যাচ্ছিলেন, তখন স্ত্রী তাকে এভাবে ডাকলেন-‘হে ইবরাহিম! তুমি আমাদের এ জনমানবহীন উপত্যকায় রেখে কোথায় যাচ্ছ?’ (সহি বুখারি) এটি প্রমাণ করে যে, কিছু সমাজে স্ত্রীর স্বামীকে নাম ধরে ডাকায় কোনো সমস্যা ছিল না। তবে আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর কোনো স্ত্রী কখনো তাকে সম্বোধন করে ‘হে মুহাম্মদ’ বলে ডাকেননি। তারা সবসময় বলেছেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল’ ‘হে আল্লাহর নবী’। তারা অবশ্য বিভিন্ন প্রসঙ্গে তার নাম উচ্চারণ করেছেন কিন্তু সম্বোধন হিসাবে কখনো নাম ব্যবহার করেননি।