ঢাকা ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ভৈরবে ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৩

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:২২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ৮৯ বার পড়া হয়েছে

Hands of the prisoner in jail

ভৈরবকে জেলা ঘোষণা করার দাবিতে সোমবার (২৭ অক্টোবর) ছাত্র-জনতা রেলস্টেশনে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। অবরোধ চলাকালে একটি ট্রেনে আন্দোলনকারীরা পাথর নিক্ষেপ করলে ট্রেনের ইঞ্জিন ও দুটি বগির কিছুটা ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার ইউছুফ বাদী হয়ে সোমবার রাতে একটি মামলা করেছেন রেলওয়ে থানায়।

মামলায় অজ্ঞাত ১০০-১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। সন্দেহজনক তিন যুবককে রেলওয়ে পুলিশ রাতেই গ্রেফতার করে। এরা হলেন- ফাহিম (১৬), আরমান (১৫) ও সাজন (১৭)।

মামলার এজাহারে বলা হয়, সোমবার সকালে ভৈরবকে ৬৫তম জেলা করার দাবিতে ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে ‘পল্লী জাগরণী সংঘ’ নামের একটি স্থানীয় সংগঠনের সদস্যরা ২০০/২৫০ জন অজ্ঞাতনামা লোকজন নিয়ে রেলস্টেশন অবরোধ করে। এ সময় আন্দোলনকারীরা সকাল সাড়ে দশটায় ঢাকাগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি লাল সালু কাপড় দেখিয়ে স্টেশনে আটকে দেয়। ট্রেনটির কোনো বিরতি ছিল না ভৈরব রেলস্টেশনে। খবর পেয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি হাজি শাহিন রেলস্টেশন পৌঁছে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে ট্রেনটি ছাড়ার ব্যবস্থা করেন।

কিন্তু ট্রেনটি বেলা ১১টা ৪২ মিনিটে ছাড়ার আগমুহূর্তে ১০০-১৫০ অবরোধকারী লোকজন দলবদ্ধভাবে ট্রেনের ইঞ্জিন ও বগিতে পাথর নিক্ষেপ করতে থাকে। এ সময় স্টেশনে অবস্থানরত যাত্রীরাসহ ট্রেনের যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। ঘটনার সময় পাথর নিক্ষেপে ট্রেনের ইঞ্জিন কোচের লুকিং গ্লাস, একটি হেডলাইট, একটি সাইড গ্লাস, গার্ডরুমের একটি গ্লাস, খাবার বগির একটি গ্লাসের ক্ষতি হয়।

মামলায় স্বাক্ষী করা হয়- ট্রেনের গার্ড সজিব চন্দ্র দাস, সহকারী গার্ড শফিকুল ইসলাম, ট্রেনের এলএম আবদুল লতিফ ও কবির হোসেনকে।

ভৈরব রেলস্টেশন মাস্টার মো. ইউছুফ বলেন, আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের নির্দেশ মোতাবেক মামলাটি করেছি। ট্রেন রাষ্ট্রীয় সম্পদ। আন্দোলনকারীরা ট্রেনটি আটকের পর পাথর ছুঁড়ে ক্ষতিসাধন করেছে, যা রাষ্ট্রীয় অপরাধ।

ভৈরব রেলওয়ে থানার ওসি মো. সাইদ আহমেদ জানান, রেলস্টেশনে ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় স্টেশন মাস্টার সোমবার রাতে বাদী হয়ে ১০০-১৫০ অজ্ঞাত লোককে আসামি করে থানায় একটি মামলা করে। ওই মামলায় সোমবার রাতেই পুলিশ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকি অপরাধীদেরকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করতে পুলিশ চেষ্টা করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ভৈরবে ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৩

আপডেট সময় ০৩:২২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

ভৈরবকে জেলা ঘোষণা করার দাবিতে সোমবার (২৭ অক্টোবর) ছাত্র-জনতা রেলস্টেশনে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। অবরোধ চলাকালে একটি ট্রেনে আন্দোলনকারীরা পাথর নিক্ষেপ করলে ট্রেনের ইঞ্জিন ও দুটি বগির কিছুটা ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার ইউছুফ বাদী হয়ে সোমবার রাতে একটি মামলা করেছেন রেলওয়ে থানায়।

মামলায় অজ্ঞাত ১০০-১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। সন্দেহজনক তিন যুবককে রেলওয়ে পুলিশ রাতেই গ্রেফতার করে। এরা হলেন- ফাহিম (১৬), আরমান (১৫) ও সাজন (১৭)।

মামলার এজাহারে বলা হয়, সোমবার সকালে ভৈরবকে ৬৫তম জেলা করার দাবিতে ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে ‘পল্লী জাগরণী সংঘ’ নামের একটি স্থানীয় সংগঠনের সদস্যরা ২০০/২৫০ জন অজ্ঞাতনামা লোকজন নিয়ে রেলস্টেশন অবরোধ করে। এ সময় আন্দোলনকারীরা সকাল সাড়ে দশটায় ঢাকাগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি লাল সালু কাপড় দেখিয়ে স্টেশনে আটকে দেয়। ট্রেনটির কোনো বিরতি ছিল না ভৈরব রেলস্টেশনে। খবর পেয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি হাজি শাহিন রেলস্টেশন পৌঁছে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে ট্রেনটি ছাড়ার ব্যবস্থা করেন।

কিন্তু ট্রেনটি বেলা ১১টা ৪২ মিনিটে ছাড়ার আগমুহূর্তে ১০০-১৫০ অবরোধকারী লোকজন দলবদ্ধভাবে ট্রেনের ইঞ্জিন ও বগিতে পাথর নিক্ষেপ করতে থাকে। এ সময় স্টেশনে অবস্থানরত যাত্রীরাসহ ট্রেনের যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। ঘটনার সময় পাথর নিক্ষেপে ট্রেনের ইঞ্জিন কোচের লুকিং গ্লাস, একটি হেডলাইট, একটি সাইড গ্লাস, গার্ডরুমের একটি গ্লাস, খাবার বগির একটি গ্লাসের ক্ষতি হয়।

মামলায় স্বাক্ষী করা হয়- ট্রেনের গার্ড সজিব চন্দ্র দাস, সহকারী গার্ড শফিকুল ইসলাম, ট্রেনের এলএম আবদুল লতিফ ও কবির হোসেনকে।

ভৈরব রেলস্টেশন মাস্টার মো. ইউছুফ বলেন, আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের নির্দেশ মোতাবেক মামলাটি করেছি। ট্রেন রাষ্ট্রীয় সম্পদ। আন্দোলনকারীরা ট্রেনটি আটকের পর পাথর ছুঁড়ে ক্ষতিসাধন করেছে, যা রাষ্ট্রীয় অপরাধ।

ভৈরব রেলওয়ে থানার ওসি মো. সাইদ আহমেদ জানান, রেলস্টেশনে ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় স্টেশন মাস্টার সোমবার রাতে বাদী হয়ে ১০০-১৫০ অজ্ঞাত লোককে আসামি করে থানায় একটি মামলা করে। ওই মামলায় সোমবার রাতেই পুলিশ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকি অপরাধীদেরকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করতে পুলিশ চেষ্টা করছে।