ঢাকা ০৭:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo আর্জেন্টিনা জিতলেই আবারও বিয়ে করার ঘোষণা দিয়ে ভাইরাল পরীমনি Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান জনগণের ক্ষোভের বিস্ফোরণ: রাষ্ট্রপতির বাণী Logo ‘আমরা মাঠে প্রমাণ করেছি, কেউ আমাদের ফ্রি-তে কিছু দেয় না’:মেসি Logo ‘আমাদের কোনো পিসি-খালার দেশ নাই, লাল কার্ডের পরোয়া করি নাহ’ Logo অর্থ পাচার না হলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অনেক সমস্যা সমাধান হয়ে যেত: প্রধানমন্ত্রী Logo হঠাৎ অসুস্থ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর Logo কালেমার পতাকা নিয়ে উগ্রবাদী তৎপরতার প্রমাণ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo মেসির সঙ্গে উত্তপ্ত সেই পরিস্থিতিতে কী কথা হয়েছিল, মুখ খুললেন বেলিংহ্যাম Logo আন্দোলন করে পরীক্ষা স্থগিত বা বিনা পরীক্ষায় পাস, এগুলো আমরা অ্যালাউ করব না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে নতুন পে স্কেলের গেজেট

মেসির কোলে থাকা এই শিশুটি ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলবে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৩২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ফুটবল বিশ্বের অন্যতম আলোচিত ছবিগুলোর একটি আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যুর ড্রেসিংরুমে তোলা একটি ছবিতে দেখা যায়, তরুণ লিওনেল মেসির কোলে একটি পাঁচ মাসের শিশু। সেই শিশুই আজ স্পেনের উদীয়মান তারকা উইঙ্গার লামিন ইয়ামাল।

ছবিটি তোলা হয়েছিল ইউনিসেফ এবং কাতালান সংবাদপত্র ‘দিয়ারিও স্পোর্ট’এর যৌথ উদ্যোগে একটি চ্যারিটি ক্যালেন্ডারের জন্য। লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত কাতালুনিয়ার মাতারো এলাকার একটি পরিবার তাদের পাঁচ মাস বয়সী সন্তানকে মেসির সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ পায়। সেই শিশুই ছিলেন লামিন ইয়ামাল।

ছবির আলোকচিত্রী জোয়ান মনফোর্ট পরে জানান, সে সময় মাত্র ২০ বছর বয়সী মেসি খুবই লাজুক ছিলেন এবং পানিভর্তি ছোট্ট প্লাস্টিকের টাবে থাকা শিশুটিকে কীভাবে কোলে নেবেন, তা নিয়ে কিছুটা দ্বিধায় পড়েছিলেন। পরে ইয়ামালের মা শেইলা এবানা তাকে সহায়তা করেন এবং সেখান থেকেই জন্ম নেয় ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় এই ছবি।

জানা যায়, ইয়ামালের বাবা প্রায় ১৭ বছর ছবিগুলো প্রকাশ করেননি। কারণ, ছোটবেলা থেকেই ছেলের ওপর মেসির সঙ্গে তুলনার অতিরিক্ত মানসিক চাপ তৈরি হোক, তা তিনি চাননি। অবশেষে ২০২৪ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ চলাকালে ছবিগুলো প্রকাশ্যে এলে মুহূর্তেই তা বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়ে যায়।

এরপর থেকেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ছবিটি ঘিরে নানা মজার মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে রসিকতা করে বলেন, “মেসি যেন নিজের অজান্তেই সেই গোসলের পানির মাধ্যমে নিজের ফুটবল জাদুর কিছুটা ছোট্ট ইয়ামালের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন।” যদিও এটি নিছক ভক্তদের কল্পনা ও হাস্যরসের অংশ, বাস্তবে এর কোনো ভিত্তি নেই।

উল্লেখ্য, লামিন ইয়ামাল ইতোমধ্যেই স্পেন জাতীয় দলের হয়ে ইউরো ২০২৪ জয় করেছেন এবং অল্প বয়সেই বিশ্বের অন্যতম প্রতিভাবান ফুটবলার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। 

অন্যদিকে, লিওনেল মেসি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপসহ অসংখ্য শিরোপা জিতেছেন। ১৭ বছর আগের সেই ছবিটি আজ যেন দুই প্রজন্মের দুই ফুটবল নক্ষত্রকে একই ফ্রেমে বেঁধে রাখা এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনা জিতলেই আবারও বিয়ে করার ঘোষণা দিয়ে ভাইরাল পরীমনি

মেসির কোলে থাকা এই শিশুটি ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলবে

আপডেট সময় ০৪:৩২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

ফুটবল বিশ্বের অন্যতম আলোচিত ছবিগুলোর একটি আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যুর ড্রেসিংরুমে তোলা একটি ছবিতে দেখা যায়, তরুণ লিওনেল মেসির কোলে একটি পাঁচ মাসের শিশু। সেই শিশুই আজ স্পেনের উদীয়মান তারকা উইঙ্গার লামিন ইয়ামাল।

ছবিটি তোলা হয়েছিল ইউনিসেফ এবং কাতালান সংবাদপত্র ‘দিয়ারিও স্পোর্ট’এর যৌথ উদ্যোগে একটি চ্যারিটি ক্যালেন্ডারের জন্য। লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত কাতালুনিয়ার মাতারো এলাকার একটি পরিবার তাদের পাঁচ মাস বয়সী সন্তানকে মেসির সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ পায়। সেই শিশুই ছিলেন লামিন ইয়ামাল।

ছবির আলোকচিত্রী জোয়ান মনফোর্ট পরে জানান, সে সময় মাত্র ২০ বছর বয়সী মেসি খুবই লাজুক ছিলেন এবং পানিভর্তি ছোট্ট প্লাস্টিকের টাবে থাকা শিশুটিকে কীভাবে কোলে নেবেন, তা নিয়ে কিছুটা দ্বিধায় পড়েছিলেন। পরে ইয়ামালের মা শেইলা এবানা তাকে সহায়তা করেন এবং সেখান থেকেই জন্ম নেয় ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় এই ছবি।

জানা যায়, ইয়ামালের বাবা প্রায় ১৭ বছর ছবিগুলো প্রকাশ করেননি। কারণ, ছোটবেলা থেকেই ছেলের ওপর মেসির সঙ্গে তুলনার অতিরিক্ত মানসিক চাপ তৈরি হোক, তা তিনি চাননি। অবশেষে ২০২৪ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ চলাকালে ছবিগুলো প্রকাশ্যে এলে মুহূর্তেই তা বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়ে যায়।

এরপর থেকেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ছবিটি ঘিরে নানা মজার মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে রসিকতা করে বলেন, “মেসি যেন নিজের অজান্তেই সেই গোসলের পানির মাধ্যমে নিজের ফুটবল জাদুর কিছুটা ছোট্ট ইয়ামালের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন।” যদিও এটি নিছক ভক্তদের কল্পনা ও হাস্যরসের অংশ, বাস্তবে এর কোনো ভিত্তি নেই।

উল্লেখ্য, লামিন ইয়ামাল ইতোমধ্যেই স্পেন জাতীয় দলের হয়ে ইউরো ২০২৪ জয় করেছেন এবং অল্প বয়সেই বিশ্বের অন্যতম প্রতিভাবান ফুটবলার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। 

অন্যদিকে, লিওনেল মেসি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপসহ অসংখ্য শিরোপা জিতেছেন। ১৭ বছর আগের সেই ছবিটি আজ যেন দুই প্রজন্মের দুই ফুটবল নক্ষত্রকে একই ফ্রেমে বেঁধে রাখা এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী।