ঢাকা ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

এইচএসসিতে কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে জানলো প্রশ্ন ছিল ভুল, বিপাকে ১০০ পরীক্ষার্থী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:০৬:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
জামালপুরে ২০২৫ সালের সিলেবাসের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছেন ২০২৬ সালের ১০০ জন পরীক্ষার্থী।

শনিবার (৪ জুলাই) সকালে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ কেন্দ্রের ৪২০২ নাম্বার কক্ষে বাংলা ২য় পত্রের পরীক্ষাতে এই ঘটনা ঘটে। পরীক্ষার্থীরা সকলে সরকারি জাহেদা সফির মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী।

পরীক্ষার্থী তিলা জামালি বলেন, ‘পরীক্ষা দেওয়া শেষে আমি দেখতে পারলাম যে, আমার প্রশ্নের উপরে লেখা ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী লেখা। তার মানে এই প্রশ্ন আমাদের না। পরে অধ্যক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়ে কলেজ থেকে। আমি ২ বছর ধরে এই ৩ ঘণ্টার জন্য প্রিপারেশন নিয়েছি। তাদের একটি ভুলের কারণে যে আমার এ-প্লাস কেটে যাবে না এটার নিশ্চয়তা কি?’

নুসরাত জাহান নামে আরেক পরীক্ষার্থী বলেন, ‘সারা বাংলাদেশ একটি প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছেন। আমরা ১০০জন অন্য একটি প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিলাম। এখন আমার পরীক্ষা কেমন হয়েছে। সেটি আর বিষয় না। আমরা এখন পাস করবো নাকি ফেল করবো সেটি নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। পাস করলেও এ-প্লাস আসবে কিনা সেটি জানি না।’

তবে এসব বিষয়ে আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ মীর শওকত আলম মীর বলেন, ‘আমাদের কাছে যে প্রশ্নপত্র আসে- সেগুলোতে ২০টি প্রশ্নপত্রে একটি বান্ডেল হয়। ৪২০২ নাম্বার কক্ষের জন্য যে ৫টি বান্ডেল খোলা হয়। সেসবের প্রতিটি বান্ডেলের উপরে ২০২৬ সালের প্রশ্নপত্র লেখা ছিলো। কিন্তু ভেতরে ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নপত্র ছিলো। পরীক্ষা শুরু আগে বিষয়টি দেখার সুযোগ না থাকায় শিক্ষকেরা বান্ডেল খুলে পরীক্ষার্থীদের মাঝে প্রশ্ন বিতরণ করেন। পরীক্ষা শেষে জানা যায় যে, যারা মূলত অনিয়মিত ও মানোন্নয়নের জন্য পরীক্ষা দিচ্ছেন তাদের জন্য এই প্রশ্ন ছিলো।’

মীর শওকত আলম মীর আরও বলেন, বিষয়টি জানাজানির পর আমরা বোর্ডে যোগাযোগ করি। বোর্ড থেকে বলা হয়, সেই ১০০জন পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র আলাদাভাবে পাঠাতে। তাদের উত্তরপত্র গুলো নমনীয়ভাবে এবং ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র অনুযায়ী দেখা হবে।’

সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের কেন্দ্রটিতে বাংলা ২য় পত্রে অনিয়মিত ও মানোন্নয়নের জন্য পরীক্ষা দিয়েছেন ৬৯ জন। এছাড়াও সব মিলিয়ে পরীক্ষা দিয়েছেন নয় শতাধিক পরীক্ষার্থী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

এইচএসসিতে কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে জানলো প্রশ্ন ছিল ভুল, বিপাকে ১০০ পরীক্ষার্থী

আপডেট সময় ০৭:০৬:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
জামালপুরে ২০২৫ সালের সিলেবাসের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছেন ২০২৬ সালের ১০০ জন পরীক্ষার্থী।

শনিবার (৪ জুলাই) সকালে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ কেন্দ্রের ৪২০২ নাম্বার কক্ষে বাংলা ২য় পত্রের পরীক্ষাতে এই ঘটনা ঘটে। পরীক্ষার্থীরা সকলে সরকারি জাহেদা সফির মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী।

পরীক্ষার্থী তিলা জামালি বলেন, ‘পরীক্ষা দেওয়া শেষে আমি দেখতে পারলাম যে, আমার প্রশ্নের উপরে লেখা ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী লেখা। তার মানে এই প্রশ্ন আমাদের না। পরে অধ্যক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়ে কলেজ থেকে। আমি ২ বছর ধরে এই ৩ ঘণ্টার জন্য প্রিপারেশন নিয়েছি। তাদের একটি ভুলের কারণে যে আমার এ-প্লাস কেটে যাবে না এটার নিশ্চয়তা কি?’

নুসরাত জাহান নামে আরেক পরীক্ষার্থী বলেন, ‘সারা বাংলাদেশ একটি প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছেন। আমরা ১০০জন অন্য একটি প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিলাম। এখন আমার পরীক্ষা কেমন হয়েছে। সেটি আর বিষয় না। আমরা এখন পাস করবো নাকি ফেল করবো সেটি নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। পাস করলেও এ-প্লাস আসবে কিনা সেটি জানি না।’

তবে এসব বিষয়ে আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ মীর শওকত আলম মীর বলেন, ‘আমাদের কাছে যে প্রশ্নপত্র আসে- সেগুলোতে ২০টি প্রশ্নপত্রে একটি বান্ডেল হয়। ৪২০২ নাম্বার কক্ষের জন্য যে ৫টি বান্ডেল খোলা হয়। সেসবের প্রতিটি বান্ডেলের উপরে ২০২৬ সালের প্রশ্নপত্র লেখা ছিলো। কিন্তু ভেতরে ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নপত্র ছিলো। পরীক্ষা শুরু আগে বিষয়টি দেখার সুযোগ না থাকায় শিক্ষকেরা বান্ডেল খুলে পরীক্ষার্থীদের মাঝে প্রশ্ন বিতরণ করেন। পরীক্ষা শেষে জানা যায় যে, যারা মূলত অনিয়মিত ও মানোন্নয়নের জন্য পরীক্ষা দিচ্ছেন তাদের জন্য এই প্রশ্ন ছিলো।’

মীর শওকত আলম মীর আরও বলেন, বিষয়টি জানাজানির পর আমরা বোর্ডে যোগাযোগ করি। বোর্ড থেকে বলা হয়, সেই ১০০জন পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র আলাদাভাবে পাঠাতে। তাদের উত্তরপত্র গুলো নমনীয়ভাবে এবং ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র অনুযায়ী দেখা হবে।’

সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের কেন্দ্রটিতে বাংলা ২য় পত্রে অনিয়মিত ও মানোন্নয়নের জন্য পরীক্ষা দিয়েছেন ৬৯ জন। এছাড়াও সব মিলিয়ে পরীক্ষা দিয়েছেন নয় শতাধিক পরীক্ষার্থী।