ঢাকা ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাশিয়াসহ ৩ দেশ সফরে যাচ্ছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি Logo ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Logo অভিনেতা তারিকুজ্জামান তপন মারা গেছেন Logo মে দিবসে সমাবেশ করবে শ্রমিক দল, অতিথি তারেক রহমান Logo গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা, সারা দেশে সতর্কতা জোরদার Logo থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন জুলাই যোদ্ধাদের খোঁজ নিলেন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী Logo ভুক্তভোগী নারীদের লন্ডনের ফ্ল্যাটে রাখতেন এপস্টেইন Logo ‘যারা শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি করবে, তারা ধুলোয় মিশে যাবে’ Logo ইরানের একটি ‘ভালো ও বিচক্ষণ’ চুক্তিতে পৌঁছানোর সুযোগ আছে: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী Logo বিচার বিভাগের দুর্নীতির সব শিকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী

ভুক্তভোগী নারীদের লন্ডনের ফ্ল্যাটে রাখতেন এপস্টেইন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন লন্ডনের বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাটে নির্যাতনের শিকার নারীদের রাখতেন। ভুক্তভোগী এসব নারীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিবিসির অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এপস্টেইন ফাইলে থাকা রসিদ, ইমেইল ও ব্যাংক রেকর্ড ঘেঁটে জানা গেছে, এ নারীদের কেনসিংটন ও চেলসির মতো অভিজাত এলাকায় ভাড়া নেওয়া চারটি ফ্ল্যাটে রাখা হতো।

এসব ফ্ল্যাটে থাকা ছয় নারী পরবর্তী সময় এপস্টেইনের নির্যাতনের শিকার হিসেবে সামনে এসেছেন। তাদের মধ্যে অনেককেই রাশিয়া, পূর্ব ইউরোপ ও অন্যান্য জায়গা থেকে যুক্তরাজ্যে আনা হয়েছিল।

শুক্রবার বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালে ভার্জিনিয়া জিউফ্রে অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক পাচারের শিকার হয়ে তিনি লন্ডনে এসেছিলেন। সেই সময় লন্ডন পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত না করার সিদ্ধান্ত নেয়। ফাইলগুলোতে থাকা ইমেইল অনুসারে, লন্ডনের ফ্ল্যাটগুলোতে থাকা কিছু নারীকে এপস্টেইন তার যৌন পাচার চক্রে অন্যদের নিয়োগ করতে বাধ্য করত এবং তার সঙ্গে দেখা করার জন্য ইউরোস্টারে করে নিয়মিত প্যারিসে নিয়ে যেত। যুক্তরাজ্যে এপস্টেইনের কার্যকলাপের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে মার্কিন বিচার বিভাগের তদন্তে সংগৃহীত লাখ লাখ পৃষ্ঠার নথি ঘেঁটে দেখেছে বিবিসি। এগুলোই ‘এপস্টেইন ফাইলস’ হিসেবে প্রকাশ করা হচ্ছে।

এতে দেখা যায়, যুক্তরাজ্যের পুলিশকে সতর্ক করা সত্ত্বেও এপস্টেইনের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এ কার্যকলাপ কীভাবে আগের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি বিস্তৃত হয়েছিল– ভুক্তভোগীর সংখ্যা বেড়েছে। তাদের পাচারের ক্ষেত্রে আবাসনের মতো সুপ্রতিষ্ঠিত পরিকাঠামো ব্যবহার ও কীভাবে সীমান্ত পেরিয়ে নারীদের ঘন ঘন আনা-নেওয়া করা হতো।

তদন্তে বিবিসি দেখেছে, ২০০১ সালে অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য হওয়ার বিষয়ে জিউফ্রের অভিযোগ ছাড়াও নানা বিষয়ে তদন্তে ব্রিটিশ পুলিশের কাছে ছিল। ২০২০ সালের শুরুর দিকে দ্বিতীয় এক নারী মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, তিনি যুক্তরাজ্যে এপস্টেইনের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এ অভিযোগের ওপর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল কিনা, তা স্পষ্ট নয়।

মানবাধিকার আইনজীবী টেসা গ্রেগরি বিবিসিকে বলেন, আমাদের অনুসন্ধানের নমুনাগুলো দেখানোর পর তিনি এটা দেখে ‘হতবাক’ হয়েছেন যে, যুক্তরাজ্যের কোনো পুলিশি তদন্তই কখনও শুরু করা হয়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

রাশিয়াসহ ৩ দেশ সফরে যাচ্ছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি

ভুক্তভোগী নারীদের লন্ডনের ফ্ল্যাটে রাখতেন এপস্টেইন

আপডেট সময় ১২:০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

মার্কিন যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন লন্ডনের বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাটে নির্যাতনের শিকার নারীদের রাখতেন। ভুক্তভোগী এসব নারীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিবিসির অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এপস্টেইন ফাইলে থাকা রসিদ, ইমেইল ও ব্যাংক রেকর্ড ঘেঁটে জানা গেছে, এ নারীদের কেনসিংটন ও চেলসির মতো অভিজাত এলাকায় ভাড়া নেওয়া চারটি ফ্ল্যাটে রাখা হতো।

এসব ফ্ল্যাটে থাকা ছয় নারী পরবর্তী সময় এপস্টেইনের নির্যাতনের শিকার হিসেবে সামনে এসেছেন। তাদের মধ্যে অনেককেই রাশিয়া, পূর্ব ইউরোপ ও অন্যান্য জায়গা থেকে যুক্তরাজ্যে আনা হয়েছিল।

শুক্রবার বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালে ভার্জিনিয়া জিউফ্রে অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক পাচারের শিকার হয়ে তিনি লন্ডনে এসেছিলেন। সেই সময় লন্ডন পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত না করার সিদ্ধান্ত নেয়। ফাইলগুলোতে থাকা ইমেইল অনুসারে, লন্ডনের ফ্ল্যাটগুলোতে থাকা কিছু নারীকে এপস্টেইন তার যৌন পাচার চক্রে অন্যদের নিয়োগ করতে বাধ্য করত এবং তার সঙ্গে দেখা করার জন্য ইউরোস্টারে করে নিয়মিত প্যারিসে নিয়ে যেত। যুক্তরাজ্যে এপস্টেইনের কার্যকলাপের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে মার্কিন বিচার বিভাগের তদন্তে সংগৃহীত লাখ লাখ পৃষ্ঠার নথি ঘেঁটে দেখেছে বিবিসি। এগুলোই ‘এপস্টেইন ফাইলস’ হিসেবে প্রকাশ করা হচ্ছে।

এতে দেখা যায়, যুক্তরাজ্যের পুলিশকে সতর্ক করা সত্ত্বেও এপস্টেইনের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এ কার্যকলাপ কীভাবে আগের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি বিস্তৃত হয়েছিল– ভুক্তভোগীর সংখ্যা বেড়েছে। তাদের পাচারের ক্ষেত্রে আবাসনের মতো সুপ্রতিষ্ঠিত পরিকাঠামো ব্যবহার ও কীভাবে সীমান্ত পেরিয়ে নারীদের ঘন ঘন আনা-নেওয়া করা হতো।

তদন্তে বিবিসি দেখেছে, ২০০১ সালে অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য হওয়ার বিষয়ে জিউফ্রের অভিযোগ ছাড়াও নানা বিষয়ে তদন্তে ব্রিটিশ পুলিশের কাছে ছিল। ২০২০ সালের শুরুর দিকে দ্বিতীয় এক নারী মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, তিনি যুক্তরাজ্যে এপস্টেইনের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এ অভিযোগের ওপর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল কিনা, তা স্পষ্ট নয়।

মানবাধিকার আইনজীবী টেসা গ্রেগরি বিবিসিকে বলেন, আমাদের অনুসন্ধানের নমুনাগুলো দেখানোর পর তিনি এটা দেখে ‘হতবাক’ হয়েছেন যে, যুক্তরাজ্যের কোনো পুলিশি তদন্তই কখনও শুরু করা হয়নি।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481