ঢাকা ০৩:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ভুক্তভোগী নারীদের লন্ডনের ফ্ল্যাটে রাখতেন এপস্টেইন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন লন্ডনের বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাটে নির্যাতনের শিকার নারীদের রাখতেন। ভুক্তভোগী এসব নারীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিবিসির অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এপস্টেইন ফাইলে থাকা রসিদ, ইমেইল ও ব্যাংক রেকর্ড ঘেঁটে জানা গেছে, এ নারীদের কেনসিংটন ও চেলসির মতো অভিজাত এলাকায় ভাড়া নেওয়া চারটি ফ্ল্যাটে রাখা হতো।

এসব ফ্ল্যাটে থাকা ছয় নারী পরবর্তী সময় এপস্টেইনের নির্যাতনের শিকার হিসেবে সামনে এসেছেন। তাদের মধ্যে অনেককেই রাশিয়া, পূর্ব ইউরোপ ও অন্যান্য জায়গা থেকে যুক্তরাজ্যে আনা হয়েছিল।

শুক্রবার বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালে ভার্জিনিয়া জিউফ্রে অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক পাচারের শিকার হয়ে তিনি লন্ডনে এসেছিলেন। সেই সময় লন্ডন পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত না করার সিদ্ধান্ত নেয়। ফাইলগুলোতে থাকা ইমেইল অনুসারে, লন্ডনের ফ্ল্যাটগুলোতে থাকা কিছু নারীকে এপস্টেইন তার যৌন পাচার চক্রে অন্যদের নিয়োগ করতে বাধ্য করত এবং তার সঙ্গে দেখা করার জন্য ইউরোস্টারে করে নিয়মিত প্যারিসে নিয়ে যেত। যুক্তরাজ্যে এপস্টেইনের কার্যকলাপের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে মার্কিন বিচার বিভাগের তদন্তে সংগৃহীত লাখ লাখ পৃষ্ঠার নথি ঘেঁটে দেখেছে বিবিসি। এগুলোই ‘এপস্টেইন ফাইলস’ হিসেবে প্রকাশ করা হচ্ছে।

এতে দেখা যায়, যুক্তরাজ্যের পুলিশকে সতর্ক করা সত্ত্বেও এপস্টেইনের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এ কার্যকলাপ কীভাবে আগের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি বিস্তৃত হয়েছিল– ভুক্তভোগীর সংখ্যা বেড়েছে। তাদের পাচারের ক্ষেত্রে আবাসনের মতো সুপ্রতিষ্ঠিত পরিকাঠামো ব্যবহার ও কীভাবে সীমান্ত পেরিয়ে নারীদের ঘন ঘন আনা-নেওয়া করা হতো।

তদন্তে বিবিসি দেখেছে, ২০০১ সালে অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য হওয়ার বিষয়ে জিউফ্রের অভিযোগ ছাড়াও নানা বিষয়ে তদন্তে ব্রিটিশ পুলিশের কাছে ছিল। ২০২০ সালের শুরুর দিকে দ্বিতীয় এক নারী মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, তিনি যুক্তরাজ্যে এপস্টেইনের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এ অভিযোগের ওপর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল কিনা, তা স্পষ্ট নয়।

মানবাধিকার আইনজীবী টেসা গ্রেগরি বিবিসিকে বলেন, আমাদের অনুসন্ধানের নমুনাগুলো দেখানোর পর তিনি এটা দেখে ‘হতবাক’ হয়েছেন যে, যুক্তরাজ্যের কোনো পুলিশি তদন্তই কখনও শুরু করা হয়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ভুক্তভোগী নারীদের লন্ডনের ফ্ল্যাটে রাখতেন এপস্টেইন

আপডেট সময় ১২:০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

মার্কিন যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন লন্ডনের বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাটে নির্যাতনের শিকার নারীদের রাখতেন। ভুক্তভোগী এসব নারীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিবিসির অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এপস্টেইন ফাইলে থাকা রসিদ, ইমেইল ও ব্যাংক রেকর্ড ঘেঁটে জানা গেছে, এ নারীদের কেনসিংটন ও চেলসির মতো অভিজাত এলাকায় ভাড়া নেওয়া চারটি ফ্ল্যাটে রাখা হতো।

এসব ফ্ল্যাটে থাকা ছয় নারী পরবর্তী সময় এপস্টেইনের নির্যাতনের শিকার হিসেবে সামনে এসেছেন। তাদের মধ্যে অনেককেই রাশিয়া, পূর্ব ইউরোপ ও অন্যান্য জায়গা থেকে যুক্তরাজ্যে আনা হয়েছিল।

শুক্রবার বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালে ভার্জিনিয়া জিউফ্রে অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক পাচারের শিকার হয়ে তিনি লন্ডনে এসেছিলেন। সেই সময় লন্ডন পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত না করার সিদ্ধান্ত নেয়। ফাইলগুলোতে থাকা ইমেইল অনুসারে, লন্ডনের ফ্ল্যাটগুলোতে থাকা কিছু নারীকে এপস্টেইন তার যৌন পাচার চক্রে অন্যদের নিয়োগ করতে বাধ্য করত এবং তার সঙ্গে দেখা করার জন্য ইউরোস্টারে করে নিয়মিত প্যারিসে নিয়ে যেত। যুক্তরাজ্যে এপস্টেইনের কার্যকলাপের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে মার্কিন বিচার বিভাগের তদন্তে সংগৃহীত লাখ লাখ পৃষ্ঠার নথি ঘেঁটে দেখেছে বিবিসি। এগুলোই ‘এপস্টেইন ফাইলস’ হিসেবে প্রকাশ করা হচ্ছে।

এতে দেখা যায়, যুক্তরাজ্যের পুলিশকে সতর্ক করা সত্ত্বেও এপস্টেইনের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এ কার্যকলাপ কীভাবে আগের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি বিস্তৃত হয়েছিল– ভুক্তভোগীর সংখ্যা বেড়েছে। তাদের পাচারের ক্ষেত্রে আবাসনের মতো সুপ্রতিষ্ঠিত পরিকাঠামো ব্যবহার ও কীভাবে সীমান্ত পেরিয়ে নারীদের ঘন ঘন আনা-নেওয়া করা হতো।

তদন্তে বিবিসি দেখেছে, ২০০১ সালে অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য হওয়ার বিষয়ে জিউফ্রের অভিযোগ ছাড়াও নানা বিষয়ে তদন্তে ব্রিটিশ পুলিশের কাছে ছিল। ২০২০ সালের শুরুর দিকে দ্বিতীয় এক নারী মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, তিনি যুক্তরাজ্যে এপস্টেইনের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এ অভিযোগের ওপর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল কিনা, তা স্পষ্ট নয়।

মানবাধিকার আইনজীবী টেসা গ্রেগরি বিবিসিকে বলেন, আমাদের অনুসন্ধানের নমুনাগুলো দেখানোর পর তিনি এটা দেখে ‘হতবাক’ হয়েছেন যে, যুক্তরাজ্যের কোনো পুলিশি তদন্তই কখনও শুরু করা হয়নি।