ঢাকা ১২:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

দেবিদ্বারে ক্লাস চলাকালে বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ খসে পড়ল ছাদের পলেস্তারা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৪৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লার দে‌বিদ্বা‌রে ক্লাস চলাকালে একটি বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে শ্রেণীকক্ষে থাকা শিক্ষার্থীরা অল্পের জন্য রক্ষা পায়। ঘটনার পরপর শিক্ষার্থী‌দের ম‌ধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে শিক্ষার্থীদের দ্রুত শ্রেণিকক্ষ ত্যাগ করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে উপজেলার ৭১ নং গজারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

বিদ্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, ১৯৩৫ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ১৯৬৮ সালে একটি একতলা ভবন নির্মাণ করা হয়। ইতিম‌ধ্যে ওই ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়লে গত কয়েক বছর ধরে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও এলাকাবাসী নতুন ভবনের দাবি করে আস‌ছে।

গজারিয়া গ্রামের জুয়েল রানা নামে একজন অভিভাবক জানায়, দুপুরে হঠাৎ করে ওই ভবনের একটি অংশ বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ ছাদের পলেস্তরা শ্রেণিকক্ষের ভেতরে ভেঙে পড়ে। ওই সময় শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থী ও একাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। ভাগ্যক্রমে এতে কেউ হতাহত হয়নি। ঘটনার পর পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আমরা দৌঁড়ে এসে আমাদের ছে‌লে মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে যাই। ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ থাকলেও বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানো হয়েছে। কিন্তু কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহনাজ আক্তার বলেন, ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে প্রথম ক্লাস শেষ হওয়ার পর পর বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ ছাদের পলেস্তারা শ্রেণিকক্ষের ভেতরে ভেঙে পড়ে। যে বেঞ্চের ওপর ভেঙে পড়ছে সে বেঞ্চে শিক্ষার্থী ছিল না। অল্পের জন্য সবাই রক্ষায় পায়। তিনি আরও বলেন, গত সপ্তাহে আমি এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের ভেঙে ফেলার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট লিখিত আবেদন করেছি। এর আগেও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে নতুন ভবনের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যের নিকট ডিও লেটার দিয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে দেবিদ্বার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মিনহাজ উদ্দিন বলেন, আমি কয়েকবার ওই স্কুলে পরিদর্শনে গিয়েছি। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আমি এটিকে পরিত্যাক্ত ঘোষণা করে এসেছি। কিন্তু ওখানে ক্লাস করানো ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না। আজকে (বুধবার) দুপুরে শুনেছি, স্কুলের বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ ছাদের পলেস্তরা খসে পড়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। আমি ওই স্কুলের নতুন ভবনের জন্য চাহিদাপত্রে এক নম্বর তালিকায় ওই স্কুলের নাম রেখেছি। এটি নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গেও আমার আলাপ হয়েছে, ওই দ্রুত ওই ভবনটি ভেঙে নতুন করে ভবন নির্মাণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

দেবিদ্বারে ক্লাস চলাকালে বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ খসে পড়ল ছাদের পলেস্তারা

আপডেট সময় ১২:৪৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

কুমিল্লার দে‌বিদ্বা‌রে ক্লাস চলাকালে একটি বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে শ্রেণীকক্ষে থাকা শিক্ষার্থীরা অল্পের জন্য রক্ষা পায়। ঘটনার পরপর শিক্ষার্থী‌দের ম‌ধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে শিক্ষার্থীদের দ্রুত শ্রেণিকক্ষ ত্যাগ করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে উপজেলার ৭১ নং গজারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

বিদ্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, ১৯৩৫ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ১৯৬৮ সালে একটি একতলা ভবন নির্মাণ করা হয়। ইতিম‌ধ্যে ওই ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়লে গত কয়েক বছর ধরে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও এলাকাবাসী নতুন ভবনের দাবি করে আস‌ছে।

গজারিয়া গ্রামের জুয়েল রানা নামে একজন অভিভাবক জানায়, দুপুরে হঠাৎ করে ওই ভবনের একটি অংশ বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ ছাদের পলেস্তরা শ্রেণিকক্ষের ভেতরে ভেঙে পড়ে। ওই সময় শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থী ও একাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। ভাগ্যক্রমে এতে কেউ হতাহত হয়নি। ঘটনার পর পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আমরা দৌঁড়ে এসে আমাদের ছে‌লে মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে যাই। ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ থাকলেও বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানো হয়েছে। কিন্তু কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহনাজ আক্তার বলেন, ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে প্রথম ক্লাস শেষ হওয়ার পর পর বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ ছাদের পলেস্তারা শ্রেণিকক্ষের ভেতরে ভেঙে পড়ে। যে বেঞ্চের ওপর ভেঙে পড়ছে সে বেঞ্চে শিক্ষার্থী ছিল না। অল্পের জন্য সবাই রক্ষায় পায়। তিনি আরও বলেন, গত সপ্তাহে আমি এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের ভেঙে ফেলার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট লিখিত আবেদন করেছি। এর আগেও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে নতুন ভবনের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যের নিকট ডিও লেটার দিয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে দেবিদ্বার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মিনহাজ উদ্দিন বলেন, আমি কয়েকবার ওই স্কুলে পরিদর্শনে গিয়েছি। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আমি এটিকে পরিত্যাক্ত ঘোষণা করে এসেছি। কিন্তু ওখানে ক্লাস করানো ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না। আজকে (বুধবার) দুপুরে শুনেছি, স্কুলের বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ ছাদের পলেস্তরা খসে পড়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। আমি ওই স্কুলের নতুন ভবনের জন্য চাহিদাপত্রে এক নম্বর তালিকায় ওই স্কুলের নাম রেখেছি। এটি নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গেও আমার আলাপ হয়েছে, ওই দ্রুত ওই ভবনটি ভেঙে নতুন করে ভবন নির্মাণ করা হবে।