ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নে ৪টি গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পূর্বের শত্রুতার জের ধরে এ সংঘর্ষ ঘটে। এসময় প্রায় ২০ জন গ্রামবাসী আহত হয়। এদের মধ্যে কয়েকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
সংঘর্ষের সময় কয়েকটি দোকান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জানা গেছে, গত দুই দিন আগে মুনসুরাবাদ গ্ৰামের রাহাত নামের এক কিশোর ফুটবল খেলার মাইকিং করে। সেসময় খাপুরা, সিংগারডাক ও মাঝিকান্দা গ্রামের কয়েকজন তাকে লাঞ্ছিত করে।
এই ঘটনার সূত্র ধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় মুনসুরাবাদ বাজার বনিক সমিতির সভাপতি জিন্নাত মিয়াকে আহত করে। এ সংবাদ মুনসুরাবাদ গ্রামবাসীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মুনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নেয়। বিপরীত দিকে খাপুরা, সিংগারডাক ও মাঝিকান্দা গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে অবস্থান নেয়। ২ ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে একাধিক দোকান পাট ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সংঘর্ষ বন্ধ করেন।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার এসআই মামুন জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করি। রাত হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়ে উভয় পক্ষকেই পিছু হটাতে সক্ষম হয়েছি। পরে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে সড়কের দুই পাশে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

নিজস্ব সংবাদ : 
























